শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:১০, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে

একান্ত সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ
অনলাইন ভার্সন
জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রথম যে নামটি উচ্চারিত হয়, তিনি অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালনা পর্ষদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য তিনি। কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী জন-আকাঙ্ক্ষা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা, এর নির্বাচন কেমন হওয়া প্রয়োজন, গ্রাম আদালত- এসব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কালের কণ্ঠের নগর সম্পাদক কাজী হাফিজ।

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী জন-আকাঙ্ক্ষাকে কিভাবে দেখছেন? আগের পরিস্থিতির কতটা পরিবর্তন হয়েছে?

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ নিয়ে এখন দেশের মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা। এত দিন যা পায়নি—গণতান্ত্রিক অধিকারহীনতা, বৈষম্য ও বঞ্চনার সমাজ, জোরজুলুম—এসবের অবসান চায়। আপাতত জোরজুলুমের কিছুটা অবসান হয়েছে। ঢাকার উত্তরা এলাকায় রাস্তায় হকার বসেছে শীতের কাপড় নিয়ে।

কয়েক দিন আগে তাদের জিজ্ঞেস করলাম, চাঁদাবাজি হচ্ছে কি না। জবাব পেলাম—না, এখন এটা বন্ধ হয়েছে। এই সরকার (অন্তর্বর্তী সরকার) আসার পর আর চাঁদা দিতে হচ্ছে না। তার মানে, চাঁদাবাজি থেকে তাদের সাময়িক নিষ্কৃতি মিলেছে।
তবে প্রশাসনের কাছ থেকে মানুষ সঠিক সেবা পাচ্ছে না। প্রশাসনের সবখানেই গড়িমসি। থানায় সহজে জিডি নেওয়া হচ্ছে না। নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে।

কোনো সংস্থায় হয়তো বড় কোনো প্রজেক্ট পাস হয়ে আছে। মন্ত্রণালয় থেকে সেই প্রজেক্টের ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে না। এর একটি চেইন ইফেক্ট আছে। এটি যদি একটি বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রজেক্ট হয়, তাহলে বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের মধ্যেও ওই প্রজেক্টের জন্য বরাদ্দ বৈদেশিক মুদ্রা আমরা ব্যবহার করতে পারছি না। কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

এ ছাড়া প্রজেক্ট বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণে এই কাজের ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। সময় নষ্ট হচ্ছে। এ ধরনের অনেক প্রজেক্ট দু-তিন বছরও আটকে আছে। বর্তমান সরকারের সময়েও এর পরিবর্তন নেই।

গণতন্ত্র একটা আকাঙ্ক্ষা। এর কোনো পরিমাপ নেই। এটি একটি ধারণাগত বিষয়, দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়। এ ক্ষেত্রে সত্যিকার অর্থে নানা ধরনের চাপে আগের চর্চা এখনো অব্যাহত। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যদি দেখি, পার্লামেন্ট নেই। পার্লামেন্ট থাকলেও গণতন্ত্র থাকবে, এটা কেউ বলতে পারে না। এখন স্থানীয় সরকারে জনপ্রতিনিধি নেই। কিন্তু একটি সরকারি বিভাগের কাজ করার কতগুলো নিয়ম-নীতি তো আছে। সেইসব নিয়ম-নীতি প্রতিপালিত হচ্ছে না। যেমন ধরেন, একটা রাস্তা করা হবে, তার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার সাইনবোর্ড স্থাপন করে জানিয়ে দেবে, কাজটা কত টাকার, কাজের ধরন, রাস্তাটির প্রস্থ ও দৈর্ঘ্য এবং কাজের সময়সীমা—এসব বিস্তারিত তথ্য। কাজ শুরুর আগে এলাকার লোকজনকে নিয়ে মিটিং করতে হবে। স্টেকহোল্ডার মিটিং। এগুলো প্রজেক্টের শর্ত। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। আমার বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা হবে। আমি রাস্তার জায়গার একটি অংশ দখল করে রেখে দিয়েছি। সেটি ছেড়ে দিচ্ছি না। আমি প্রভাবশালী হওয়ায় ঠিকাদার, প্রকৌশলী ভয়ে আমাকে কিছু বলছে না। ফলে যে রাস্তা দশ ফুট চওড়া হওয়ার কথা, সেটি সাত ফুট চওড়া হয়ে যাচ্ছে। সমস্যা ওপরের দিকে যেমন আছে, নিচের দিকেও আছে। কেউ কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে কারো দিকে আঙুল তুলে লাভ হবে না। সবার দায়িত্ব রয়েছে। সমাজ এখনো সেভাবে প্রস্তুত নয়।

সমাজকে প্রস্তুত করার জন্য আপনার পরামর্শ কী?

 জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনসচেতনতার দায়িত্বও ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর। রাস্তা করার দায়িত্ব যে ডিপার্টমেন্টের, তাকে জনগণকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে, এখানে এই কাজ হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের জবাবদিহি ও উপযুক্ত পর্যবেক্ষণ থাকতে হবে।

বিদ্যমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রধান ত্রুটিগুলো কী?

জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবেদেশে প্রকৃত অর্থে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নেই; আছে কতগুলো প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি। একক কোনো কাঠামো ও পদ্ধতির মধ্যে নেই। এখানেই সমস্যা। ধরেন, সরকার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা বা জেলা পরিষদকে কিছু টাকা থোক বরাদ্দ দিল। সামান্য টাকা, কিন্তু সেই টাকাও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সঠিক কোনো পরিকল্পনা নিয়ে ব্যয় হচ্ছে না। নিয়ম হচ্ছে, থোক বরাদ্দের ওই টাকা পরিষদে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিকল্পনামাফিক ব্যয় করতে হবে। কিন্তু তা করা হয় না। ওই বরাদ্দের টাকা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। হয়তো ওই টাকা খরচের জন্য একটা পরিকল্পনা লিখে দেওয়া হয়, কিন্তু সেই পরিকল্পনা নিয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি হয় না। কারিগরি মূল্যায়ন হয় না। বরাদ্দের টাকা যদি নির্দিষ্ট সিলিংয়ের ওপরে হয়, সে ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঠিকাদার নিয়োগ দিতে হবে। এগুলো করা হয় না। সিস্টেমের বাইরের এসব কাজ স্থানীয় সরকারগুলোর বড় সমস্যা। কিন্তু এসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। আলোচনা হচ্ছে শুধু নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচনে প্রার্থীরা টাকা খরচ করছে সিস্টেমের বাইরে গিয়ে টাকা আয়ের সুযোগ পাওয়া যায় বলে। আর স্থানীয় সরকার নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ কম এই কারণে যে তারা দেখছে, এই প্রতিষ্ঠান থেকে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হচ্ছে না। দৃশ্যমান কোনো কাজ নেই।

বলা হচ্ছে, স্থানীয় সরকারে এখন জনপ্রতিনিধি নেই বলে সার্টিফিকেট (জন্ম-মৃত্যু এবং মৃত ব্যক্তির পোষ্যসংক্রান্ত উত্তরাধিকার, জাতীয়তা ও চারিত্রিক সনদ) পাওয়া যাচ্ছে না। এটা কি বড় কোনো সমস্যা? না। সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেক যাচাই-বাছাই করে দেওয়া উচিত। আমরা দেখেছি, রোহিঙ্গাদেরও এ দেশের নাগরিক সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন হয় বলেই বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজটি ইউনিয়ন পরিষদের সচিবও করতে পারেন। তবে এই পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, স্থানীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সরকার ওপর থেকে প্রজেক্ট চাপিয়ে দেয়। ওইসব প্রজেক্টের সুফল কী স্থানীয়রা তা জানে না। এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) ও ডিপিএইচই (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর)—এ দুই ডিপার্টমেন্ট কেন রাখা হয়েছে, কাজ কী, তার মূল্যায়ন দরকার। এই দুটি ডিপার্টমেন্ট হচ্ছে একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি আলাদা সাম্রাজ্য। ডিপিএইচই হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের, আর এলজিইডি হচ্ছে নতুন এবং এই ডিপার্টমেন্টটির কাজ উপজেলা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এখন এলজিইডি আর ডিপিএইচই কি আলাদা করেই রাখব, না একীভূত করে ফেলব, এটা চিন্তা করতে হবে। ডিপিএইচই হচ্ছে ক্যাডার সার্ভিস। এলজিইডি ক্যাডার সার্ভিস না। এ অবস্থায় দুই ডিপার্টমেন্টকে এক করে সবাইকে ক্যাডার সার্ভিসের আওতায় শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। এর নাম হতে পারে ‘লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডার’। এলজিইডিতে অনেক লোক। রাজনৈতিক বিবেচনায় কেউ প্রমোশন পাচ্ছে, কাউকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে বদলি করে মন্ত্রণালয়, এটা কেন করা হবে? এটা তো এলজিইডির করার কথা। পদোন্নতি, পদায়ন নিয়ে সমস্যা প্রকট। এ কারণে ফরেন কারেন্সির প্রকল্পের ফাইল আটকে আছে। এই ফাইল কত দিন এলজিইডির চিফ ইঞ্জিনিয়ারের কাছে আটকে থাকবে, কত দিন মন্ত্রণালয়ে পড়ে থাকবে, তার কোনো সময়সীমা নেই। এ নিয়ে বিশ্বব্যাংক, এডিবি বিরক্ত। স্থানীয় সরকারগুলোর আন্ত প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ, সহযোগিতা তেমন নেই। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, সমন্বয় নেই বললেই চলে। অন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে—কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, হেলথ কমপ্লেক্স—এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সেবা উপজেলার মাধ্যমে আসেনি। এসব প্রতিষ্ঠানে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের চিন্তা করা হয়নি। স্থানীয় সরকারের কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণায়ও সমস্যা আছে। আমাদের সংস্কার কমিশন থেকে এ বিষয়গুলো চিন্তা করা হচ্ছে। এ ধরনের নানা সমস্যা রয়েছে এবং এই সমস্যা রাষ্ট্রের। এসব সমস্যা জাতিকে আড়ষ্ট করে ফেলছে। স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করতে স্থায়ীভাবে স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে, তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হলে, সেই সিদ্ধান্ত আসতে হবে ওই কমিশন থেকে। এ ক্ষেত্রে কমিশনকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে। অর্থ বরাদ্দের বিষয়েও কমিশনের মতামত দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন চান?

এ নিয়ে আমি আগে অনেকবার বলেছি। বর্তমানে জাতীয় সরকার পার্লামেন্টারি বা সংসদীয়। কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রেসিডেনশিয়াল বা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের মতো। স্থানীয় সরকার হচ্ছে এক ব্যক্তি সর্বস্ব, মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্ভর। কাউন্সিলর বা সদস্যদের তেমন কোনো ভূমিকা নেই। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সংসদীয় পদ্ধতিতে হওয়া দরকার। মেয়র বা চেয়ারম্যান পদে সরাসরি ভোট হবে না; ভোট হবে কাউন্সিলর বা সদস্য পদে। নির্বাচিত কাউন্সিলর বা সদস্যরা তাদের মধ্য থেকে একজনকে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবে। তবে যেহেতু আমি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, সেহেতু এখন এ বিষয়ে আমার নিজস্ব প্রস্তাবের বাইরে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং তাঁদের সুপারিশের ভিত্তিতেই সুপারিশ রাখা হবে। তবে এরই মধ্যে যে প্রস্তুাব পেয়েছি, তাতে স্থানীয় সরকারের সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোটের ব্যবস্থা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ডগুলোর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে নারীদের জন্য ওয়ার্ড নির্ধারণ করা দরকার। ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ডের সংখ্যাও জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারণ হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ওয়ার্ডসংখ্যা ৯। ভোটারসংখ্যার ভিত্তিতে বড় ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ওয়ার্ডসংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। বর্তমান আইন অনুসারে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ফুল টাইম চাকরি করেন এমন কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। আমি মনে করি, এই আইন বাতিল করা দরকার। ইউরোপের দেশগুলোর মতো নির্বাচনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরতদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকা দরকার। স্থানীয় সরকারের সদস্য বা কাউন্সিলরদের কাজ ফুল টাইম না। ফুল টাইম কাজ হচ্ছে মেয়র বা চেয়ারম্যানদের। মেয়র বা চেয়ারম্যানরা তাদের কাজে সহায়তার জন্য দু-তিনজন কাউন্সিলর বা সদস্য নিয়ে নির্বাহী কাউন্সিল গঠন করতে পারে। এই নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্যদের কাজ হবে সার্বক্ষণিক এবং তারা মাসিক ভাতা পাবে। অন্যরা পাবে মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাতা। আর নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন এক রকম না। ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচন এক রকম না। উপজেলায় তিনটি পদে একই ধরনের নির্বাচন হয়। জেলা পরিষদে সে অর্থে নির্বাচনই হয় না। এই তিন প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ও নির্বাচন একই রকম হওয়া দরকার।

গ্রাম আদালত সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পর্কটি কিভাবে দেখেন?

পৃথিবীর কোথাও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আদালতকে যুক্ত করা হয় না। আদালত একটি স্বতন্ত্র ব্যবস্থা। ভারতে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থা সংযুক্ত নয়। তবে কমিউনিটি পর্যায়ে সালিস প্রথা থাকতে পারে। ব্রিটিশ আমল থেকেই সালিস প্রথা চলে আসছিল। ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে আগের সেই সালিসি ব্যবস্থাকে আদালতে রূপান্তর করা হয়। রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান পদাধিকারবলে এই আদালতের প্রধান বিচারক। সর্বশেষ সংশোধিত আইন অনুসারে, গ্রাম আদালতের অন্য চারজন সদস্যের মধ্যে দুজনকে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হতে হবে। তারাও নির্বাচিত ব্যক্তি। নির্বাচিত ব্যক্তিরা যে কাজের জন্য নির্বাচিত, তারা সেই কাজটি ভালোভাবে করুক। তারা আদালত বসিয়ে বিচারও করবে, দেশের সংবিধান সেই দায়দায়িত্ব কোনো নির্বাচিত সংস্থাকে দেয়নি। আদালতের নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কোনো সংস্থার কোনো কাজের নামের সঙ্গে ‘আদালত’ শব্দটি লেখা যায় কি না, সেটাও ভেবে দেখতে হবে।

পরিস্থিতি এমনটাই দাঁড়িয়েছে যে ইউপি চেয়ারম্যানরা ওই আদালত পরিচালনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা চাচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেট হতে গেলে এ বিষয়ে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহি প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিদের কাজ হচ্ছে এলাকার উন্নয়ন। তাদের সেটিই করা দরকার। আমার মনে হয়, সালিস প্রথা থাকা উচিত আগের নিয়মে গ্রাম-ওয়ার্ড পর্যায়ে। সালিসকার হবে এলাকার মুরুব্বিরা, যারা এগুলো বোঝে। ইউনিয়ন পরিষদে কোনো সালিস আবেদন জমা হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বা গ্রামের সালিসকারদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। চেয়ারম্যানকে সেই সালিস বৈঠকে ডাকলে যেতে পারে। বর্তমানে ‘গ্রাম আদালত’ নামে যে ব্যবস্থা কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়, এই প্রকল্প শেষ হয় না। প্রকল্পের মেয়াদ ফুরিয়ে এলে সরকারের কাছে আবার নতুন কিছু সুপারিশ করে মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। প্রচার করা হয় গ্রাম আদালতের সুফলের কথা। কিন্তু এর অপব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয় না। প্রশ্ন জাগে, গ্রাম আদালতের স্বার্থে প্রকল্প, না প্রকল্পের স্বার্থে আদালত? পুলিশ, ইউএনও—এরাও সালিসের দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছে।

আমি মনে করি, গ্রামাঞ্চলে প্রথাগত সালিস ব্যবস্থাকে নতুন আঙ্গিকে পুনর্গঠিত করতে হবে। বিদ‌্যমান আইনে গ্রাম আদালতের যে এখতিয়ার, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আদালতে বেশির ভাগ মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হয় না। এগুলো তথাকথিত আদালতের বাইরে মীমাংসা হয়। অনেক সময় এসব মীমাংসায় প্রভাবশালী পক্ষ দুর্বল পক্ষের ওপর তাদের মতামত জোর করে চাপিয়ে দেয়। এই অবিচারের অবসান হওয়া দরকার। প্রচলিত গ্রাম আদালত থেকে সুবিচার প্রত্যাশা করা সুদূরপরাহত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে উপজেলা পর্যায়ে নিম্ন আদালতের সম্প্রসারণ করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন