শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫২, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:৩৩, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারের প্রশ্নে

আবুল কাসেম ফজলুল হক
অনলাইন ভার্সন
রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারের প্রশ্নে

হিন্দু সমাজের জাতিভেদ প্রথায় ‘জাতি’ কথাটির যে অর্থ, তার সঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ‘জাতি’ কথাটির অর্থ এক রকম নয়। এই পার্থক্য সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ধারণা আমাদের অর্জন করতে হবে। জাতীয়তাবোধ, জাতি, জাতীয়তাবাদ, জাতিরাষ্ট্র ইত্যাদি নিয়ে রাজনীতিবিদদের ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে নানা মত আছে। এ জন্য এসব বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনার বেলায় প্রত্যেককেই নিজের অবস্থান, উদ্দেশ্য ও চিন্তার স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট করে ব্যক্ত করা সমীচীন।

বাংলা ভাষার দেশে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনীতি ও প্রগতি ইত্যাদি বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা-সমালোচনা ও ধ্যানধারণার অগ্রগতি অল্পই হয়েছে। জনজীবন, নেতৃত্ব, জাতিরাষ্ট্র, সরকার, রাজনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে সৃজনপ্রয়াসী চিন্তা ও প্রচেষ্টাও সন্তোষজনক নয়। সব কাজের জন্যই দুনিয়াব্যাপী সর্বত্র শিক্ষার দরকার হয়।

নেতা হওয়ার জন্য রাষ্ট্র ও রাজনীতি বিষয়ে কিন্তু বাংলাদেশে রাজনীতি করার কিংবা শিক্ষা-দীক্ষার দরকার হয় না।

বাংলাদেশে রাজনীতি দেখা যাচ্ছে রাজনীতিবিদদের আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে। অরাজনৈতিক নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জাতীয় সংসদের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে নির্বাচিত রাজনীতিকদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে যাবেন—এটা কী রকম রাজনীতি? এই রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশ কি জনগণের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠছে? এই ধারার রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশে কি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে?

মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছানিরপেক্ষভাবে প্রকৃতি পরিবর্তিত হচ্ছে, মানুষের সমাজও পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যে মানুষ ব্যক্তিগতভাবে এবং সম্মিলিতভাবে নিজের ও নিজেদের কল্যাণে পরিবর্তনের ধারাকে কিছু পরিমাণে হলেও কাজে লাগাতে পারে। সভ্যতা সৃষ্টির, সংস্কৃতি সৃষ্টির ধারা মানুষের এই শক্তিই নিয়ামক।

মানুষ নিজেকে এবং নিজের পরিবেশকে উন্নত করতে পারে। নিজেকে উন্নীত না করে কেবল পরিবেশকে—সামাজিক, প্রাকৃতিক পরিবেশকে—উন্নীত করতে চেষ্টা করলে চেষ্টা সফল হয় না। এ জন্যই ‘বদলে যাও, বদলে দাও’—এই স্লোগান কোনো কোনো জাতির মধ্য থেকে উচ্চারিত হয়েছে। বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ‘মেরামত’ করার, সংস্কার করার উদ্দেশ্যে যেসব স্লোগান ও বক্তব্য ব্যক্ত করা হচ্ছে, তা লক্ষ করে এসব কথা আমার মনে জাগছে। রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারের বেলায় শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে দৃষ্টি সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের মনের দিকটাতেও যথোচিত গুরুত্ব দিতে হবে।

সংস্কার কারা চাইছেন, কেন চাইছেন তা-ও বিচার করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো, রাজনৈতিক নেতারা স্বদেশের রাজনীতিকে নিজেদের আয়ত্তে রাখতে না পারার ফলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে যেসব কথা বলছে, সেগুলো তো বাংলাদেশে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের পরিপন্থী। কেবল চলতি উত্তেজনা ও উপস্থিত অস্থিরতায় হারিয়ে গেলে সুফল হবে না। প্রয়োজনীয় নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ ক্রমে তার রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব হারাবে। যদি জনশক্তি জাগ্রত ও সক্রিয় হয়, সম্ভবপর বৃহত্তম জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে, তাহলে জনগণের রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে। সেই ঐক্য গঠনের জন্য অবশ্যই নেতৃত্ব লাগবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কি বাংলাদেশে উন্নততর রাজনৈতিক চিন্তা ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে উঠতে সহায়তা করবে?

অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় সংসদের সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারের ও পুনর্গঠনের যে সংকল্প ঘোষণা করে সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন, তার সাফল্যের জন্য আইনের শাসনে বিশ্বাসী সর্বজনীন কল্যাণে নিবেদিত যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দরকার, তা কবে কিভাবে সৃষ্টি করা যাবে—সে প্রশ্ন অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা কোনো সামান্য ব্যাপার নয়। সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন আইনের শাসন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অপারগ হয়েছে, তখন সেনাপতিরা ক্ষমতা দখল করেছেন। সেনাশাসকরা অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী হলেও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং প্রধানত ধনিক-বণিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করতেন। দরিদ্র মানুষদের কল্যাণে কিছু কাজ করতেন। সেনাপতিদের ক্ষমতায় আসার সুযোগ বন্ধ করার জন্য হাসিনা সরকার সংবিধানে অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের যে ব্যবস্থা করে গেছে, তাতে সেনাপতিরা এখন আর রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের কথা ভাবেন না। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী সেনাপতিদের সরকারকে আর স্বীকৃতি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। ‘Military Withdrawal from Politics’ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রয়াত অধ্যাপক তালুকদার মনিরুজ্জামানের একটি বই আছে। তাতে এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তিনি লেখেননি। তিনি পক্ষপাতমুক্ত অবস্থানে থেকে একটি ঐতিহাসিককালে ক্রমাগত সামরিক শাসন জারির এবং ক্ষমতায় থাকার তথ্যাদি সংকলন করেছেন।

বাংলাদেশে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগের গুরুত্ব উপলব্ধির জন্য যেসব সমস্যার বিবেচনা অপরিহার্য বলে আমার মনে হয়েছে সেগুলোর কয়েকটি এখানে উল্লেখ করলাম। দৃষ্টিভঙ্গিকে বিস্তারে ও গভীরতায় প্রসারিত করতে হবে। ভাসা ভাসা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিচারব্যবস্থা ও আইন-কানুন সংস্কার, শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষানীতির সংস্কার, প্রশাসনব্যবস্থার সংস্কার, কৃষির ও কৃষকদের কল্যাণ, শিল্পপতি ও শ্রমিকদের কল্যাণে উন্নততর বিধি-ব্যবস্থার, দুর্নীতি কমিয়ে চলার (বলা হয় চিরকালের জন্য দুর্নীতি দূর করার) জন্য কার্যকর বিধি-বিধান প্রবর্তন করার, বিদেশে অর্থপাচার বন্ধ করার, ঋণখেলাপিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার, প্রশাসনব্যবস্থার এবং পুলিশ ও র‌্যাবের কর্মকর্তাদের ঘুষ-দুর্নীতি ও অবৈধ উপায়ে সম্পত্তি অর্জন করার সুযোগ বন্ধ করার, অসৎ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় আইন-কানুন জারি করা এবং সব আইন কার্যকর করা—রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য এসব কথা সরকারি মহল থেকে, ধনিক-বণিকদের থেকে, কথিত বিশিষ্ট নাগরিকদের থেকে, সাংবাদিকদের থেকে ক্রমাগত প্রচার করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বারা এসব করা সম্ভব হবে না বলে মত প্রকাশ করছেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে এসব কথা সংবাদপত্রে ও রেডিও-টেলিভিশনে ক্রমাগত প্রচার করা হচ্ছে। পরিবর্তন করা ও পরিবর্তিত ব্যবস্থাকে সচল রাখার উপায় সম্পর্কে তেমন কিছু বলা হচ্ছে না।

চীনে কী রকম রাষ্ট্রব্যবস্থা কিভাবে চলছে, রাশিয়ার রাজনীতি, সরকার ও জনজীবন কেমন, পূর্ব ইউরোপের কিছু রাষ্ট্রে কল্যাণরাষ্ট্রের নীতি অবলম্বন করে কেমন চলছে, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কেমন চলছে ইত্যাদিও তলিয়ে দেখা দরকার। নিতান্ত ভাসা ভাসা পর্যবেক্ষণ নিয়ে, নিজেদের ইতিহাসকে ভালোভাবে না জেনে, বাংলাদেশে যে ব্যবস্থাই প্রবর্তন করা হোক না কেন, তাতে সব উন্নতিশীলতা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর এবং রাজনৈতিক নেতাদের থেকে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে কোনো পরিকল্পনা ও মেয়াদি কর্মসূচি ঘোষণা না করার ফলে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলো থেকে রাষ্ট্র সংস্কারের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হচ্ছে। আমি বোকার মতো ভাবতাম, বাংলাদেশের রাজনীতি উন্নতিশীল হবে, রাজনৈতিক নেতারা প্রজ্ঞার পরিচয় দেবেন এবং পরম কল্যাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন এবং রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে প্রগতিশীল রূপে গড়ে তুলবেন। আমার ধারণা ভুল প্রমাণ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা এবং রাজনৈতিক দলগুলো বর্তমান অবস্থায় নিপতিত হয়েছে।

অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের শুভ ইচ্ছা ও পরিকল্পনা সফল হোক, রাজনীতির শুভকর উত্থান দেখা দিক, বাংলাদেশ সর্বজনীন গণতন্ত্রের রাষ্ট্ররূপে গড়ে উঠুক, মহান রাজনৈতিক নেতার উত্থান দেখা দিক। সবার কল্যাণ হোক, প্রত্যেকের কল্যাণ।

লেখক: বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সভাপতি, বাংলা একাডেমি, ঢাকা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন