শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৭, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:২৫, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রাজনীতির আসল শক্তি জনগণ

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতির আসল শক্তি জনগণ

রাজনীতি কথাটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চিন্তার জগতে আরো কিছু প্রাসঙ্গিক শব্দ হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে। এগুলো একটি আরেকটির সহযাত্রী, কখনো বা পরিপূরক। প্রথমেই আসে পারিপার্শ্বিক জগৎ, সেই জগতের মানুষ, গোষ্ঠী, দল, তাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ইত্যাদির কথা। কেন? এই জন্য যে রাজনীতি কোনো এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাব্য-সাহিত্য রচনা নয়, নয় কোনো দার্শনিক চিন্তা বা কল্পনাবিলাস।

রাজনীতি মানুষের জন্য, তার চিন্তা-চেতনা, সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, জীবন-জগজ্জনিত তার হাজারো সমস্যাই রাজনীতির উপজীব্য এবং এ কারণেই রাজনীতি মানেই জনসম্পৃক্ততা।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ‘জন’টা কে? তিনি কি শুধু রাজনীতিবিদ সাহেব বা সাহেবার ভাই-বেরাদর, খয়ের খাঁ, ২৪ ঘণ্টা হাত-কচলানো মোসাহেব, কিংবা তাঁর দল বা গোষ্ঠীর সদস্য/সমর্থক। না, নিশ্চয়ই তা না। ওটা হলে তো তাঁর কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে সীমিত হয়ে পড়বে মুষ্টিমেয় কিছুসংখ্যক লোকের মধ্যে।

তারা হতে পারে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য। আবার না-ও হতে পারে। একজন রাজনীতিককে সম্পৃক্ত হতে হয় তাঁর এলাকা এবং বৃহত্তর পরিসরে এলাকা ছাড়িয়ে সমগ্র দেশের মানুষের ভাবনা-চিন্তা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা-সম্ভাবনার সঙ্গে। এককথায়, একজন প্রকৃত রাজনীতিকের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবশ্যই থাকবে তাঁর নিজ এলাকার মানুষ ও পারিপার্শ্বিক জগৎ।

কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদিতেও তাঁর ভূমিকা পালন করতে হতে পারে। অবশ্যই তিনি যদি নিজেকে কেবল নিজ এলাকার মানুষ ও তাদের সমস্যাদি নিয়েই ব্যস্ত রাখতে চান; যেমন—আমাদের দেশের ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ের একজন নেতা যদি শুধু নিজ এলাকায়ই নিজেকে সারা জীবন গুটিয়ে রাখতে চান, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদ, সমস্যা নিয়েই কাটিয়ে দিতে চান জীবন, তাহলে সেটাই হবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্র। এর বাইরে জেলায় বা রাজধানীতে জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতিতে তাঁর কোনো ভূমিকা পালন না করলেও কেউ উচ্চবাচ্য করবে না। তবে হ্যাঁ, যে পরিসরেই রাজনীতি করুন না কেন, আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলে যে মানুষগুলোর সুখ-দুঃখের সঙ্গে আপনি নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন, যাদের ঝগড়া-ফ্যাসাদ, বিয়ে-শাদি থেকে শুরু করে মরণে-জিয়নে সব কিছুতে যারা আপনাকে ঘোষিত বা অঘোষিত নেতা বলে মানে, তাদের থেকে আপনি কিছুতেই দূরে থাকতে পারবেন না। আপনার ভালো লাগুক বা না-ই লাগুক, আপনি রাজনীতিক হলে অবশ্যই আপনাকে আপনার পারিপার্শ্বিক জগতের মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে থাকতে হবে।

তা না হয়ে যদি আপনি কেবল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদির চর্চায় মশগুল থাকেন তাহলে আপনি হবেন আমাদের দেশের অগণিত অনুপস্থিত ভূস্বামীর (ইংরেজিতে যাদের বলা হয় ‘অ্যাবসেন্টি ল্যান্ডলর্ড’) মতো, যাঁরা নিজের ক্ষেতে উৎপন্ন ফসলের ষোলো আনা নিতে চান, অথচ ওই জমি বা তার চাষিকে চেনেন না।
আপনি একটি এলাকার গণ্যমান্য রাজনীতিক, এলাকায় বংশমর্যাদা, শিক্ষাদীক্ষা, বিত্তবেসাত—সব ব্যাপারে আপনার একটা পরিচিতি আছে, স্থানীয় রাজনীতিতে এগুলো খুব কাজে লাগে, কিন্তু আপনি যেকোনো কারণেই হোক লোকজনের সঙ্গে তেমন একটা মেশেন না, আপদে-বিপদে তারা আপনাকে পাশে পায় না। সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, যেমন—বিয়ে-শাদি, দাওয়াত-জিয়াফতও আপনি পারতপক্ষে এড়িয়ে চলেন। এটা কিন্তু স্থানীয় রাজনীতিতে একটা বড় রকমের মাইনাস পয়েন্ট। আপনার সম্পর্কে এলাকার মানুষ বলতে শুরু করবে, ‘ও, উনি? উনি বহুত এলেমদার লোক ঠিকই, তবে নাক উঁচু। উনি তো কাউকে মানুষই মনে করেন না।’

আর এটা তো ঠিক, আপনি আপনার এলাকায় রাজনীতি করবেন, নেতৃত্ব দেবেন, অথচ এলাকাবাসীর সঙ্গে মিশবেন না, তাদের সমস্যা কী জানবেন না, জানলেও তার সমাধানের ব্যাপারে তাদের মতামত নেবেন না—এটা হয় নাকি? একটা রাস্তা বানানো হবে, সেটা কলিমদ্দির বাড়ির পাশ দিয়ে যাবে, না সলিমদ্দির বাড়ির পাশ দিয়ে যাবে সেটা এলাকাবাসীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে স্থির না করে স্থানীয় নেতা হিসেবে আপনি বা কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে পদে পদে বাগড়ার সম্মুখীন হতে হবে। অথচ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে সবাই মনে করবে, এটা আমাদের প্রজেক্ট। একে সফল করতেই হবে। এমন প্রজেক্ট যেটা ওপর থেকে চাপিয়ে না দিয়ে নিচে থেকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয় সেটাকেই বলা হয় ‘বটম আপ’ প্রজেক্ট। এর বিপরীতে ওপর থেকে যে প্রজেক্ট চাপিয়ে দেওয়া হয় তাকে বলে ‘টপ ডাউন’ প্রজেক্ট।

মোফাজ্জল করিমআমাদের নেতাদের মধ্যে প্রায়ই একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়, সেটা হচ্ছে ‘পরের মুখে ঝাল খাওয়া’। অর্থাৎ যেকোনো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে নিজের পছন্দসই চামচাদের পরামর্শমতো সিদ্ধান্ত নেওয়া। যেন এই চামচারাই জনগণ, তারাই সবজান্তা। তারা সারাক্ষণ নেতার পাশে ঘুরঘুর করে, সব কথায়ই পোঁ ধরে। এই টাউটগুলো যে নেতাকে ভাঙিয়ে টু পাইস কামাই করছে, নেতা এটা জেনেও না জানার ভান করেন। আবার কোনো কোনো নেতার সঙ্গে তাঁর টাউটদের দশ আনা ছয় আনার হিসাব-কিতাব থাকে। ফলে তৃণমূল পর্যায়েও দুর্নীতি তার জাল বিস্তার করে চলে।

প্রকৃত নেতাকে হতে হবে উচ্চ-নীচ, ধনী-গরিব, নিজ দল, বিরোধী দল—সবার নেতা। হ্যাঁ, আদর্শগতভাবে বিরোধী দলের জনগণের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাই বলে তাদের সঙ্গে সাধারণ সৌজন্যমূলক আচার-আচরণ বর্জন করলে তিনি আর যা-ই হোক জননেতা হতে পারবেন না। এলাকার সমস্যাদি দূর করার কাজে আপন-পর সব এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা একজন প্রকৃত উদারচিত্ত নেতার লক্ষণ। তেমনি সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজে দল-মত-নির্বিশেষে এলাকাবাসী সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভালো কাজ করেও অনেক সময় মিছেমিছি সমালোচনা ও অহেতুক অপবাদের সম্মুখীন হতে হয়।

জনসম্পৃক্ততা না থাকলে নেতা-নেত্রীদের পরিণতি কী হয় তা আমরা জুলাই-আগস্ট ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেখেছি। তখনকার স্বৈরাচারী শাসকদের ধারণা ছিল, তাঁরা যা বলবেন বা করবেন তা দেশের আপামর জনসাধারণ চোখ বুজে মেনে নিতে বাধ্য। এ রকম ধারণার বশবর্তী হয়ে তাঁরা তাঁদের মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগী দলকানা নেতা-নেত্রী ছাড়া অন্য সবার, বিশেষ করে বিরোধী রাজনীতিকদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের স্টিম রোলার চালিয়েছিলেন দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে। অবশেষে যখন সচেতন ছাত্রসমাজের ডাকে সাধারণ মানুষ তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল তখন তাঁরা লোটা-কম্বল ফেলে ভাগলেন। ওই সময় তাঁদের একমাত্র আপ্তবাক্য ছিল, ‘য পলায়তি, স জীবতি।’ গ্রামের লোকের ভাষায়, ‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম।’ অথচ যদি তাঁরা শুধু নিজেদের চ্যালা-চামুণ্ডাদের নিয়ে আখের গোছাতে ব্যস্ত না থেকে, দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড়-পর্বত বানাতে যত প্রকার দুর্নীতি আছে তাতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত না হয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতেন, তাহলে হেলিকপ্টারে চড়ে পগার পার হতে হতো না। ওই সাধারণ মানুষই তাঁদের রক্ষা করার জন্য ছুটে আসত। আফসোসের বিষয়, দীর্ঘ দেড় যুগ তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন থাকায় রাজনীতির আসল শক্তি যে জনগণ, সেই জনগণ থেকেই তাঁরা দূরে চলে গিয়েছিলেন।

দেশবাসীর এখন একটাই প্রার্থনা, দেশে যথাশীঘ্র সম্ভব একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক, যার ভিত্তি স্থাপিত হবে তাদের স্বপ্নের একটি জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে। আর তা পেতে হলে সর্বাগ্রে যা প্রয়োজন তা জাতীয় ঐক্য, যে ঐক্য হবে সব ধরনের অপশক্তির বিরুদ্ধে। এটা ঠিক, ‘দেশটাকে এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই’ বলে যারা আবারও মঞ্চে আবির্ভূত হওয়ার পাঁয়তারা করছে, তারা দেশি-বিদেশি সব কুচক্রীর সহায়তায় একটা মরণকামড় দেবেই। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না, তাদের এত বড় অন্যায় ১৭ কোটি মানুষ আর সহ্য করবে না। একবার যখন জনতার ঘুম ভেঙেছে, তখন তারা নিজেদের বাসস্থানের সুরক্ষা নিশ্চিত না করে শয্যামুখো হবে না। তাদের জন্য এখন বাণী একটাই, তোমাদের আর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ‘যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে’। (কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।

লেখক: সাবেক সচিব, কবি

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন