শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৭, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরি

মো. খলিলুর রহমান সজল
অনলাইন ভার্সন
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরি

বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমাগত উন্নতির দিকে থাকলেও নিত্যপণ্যের বাজারের অস্থিতিশীলতা সমাজের এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিত্যপণ্যের অপ্রাপ্যতা এবং মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যয়ভার বাড়িয়ে তুলছে। পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক পরিবার তাদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে তাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরিফেলছে। সরকার বিভিন্ন সময়ে পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা পদক্ষেপ নিলেও তা যথেষ্ট ফলপ্রসূ হচ্ছে না।

আমাদের বাজারব্যবস্থায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিভিন্ন বাধা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের প্রবণতা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদি কারণে দ্রবমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি। বর্তমান বাস্তবতায় বাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে। নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিম্নবর্ণিত সংস্কার জরুরি।

সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার পূর্বশর্ত হলো পণ্যের সঠিক ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। উৎপাদন বা আমদানি থেকে শুরু করে বাজারে পণ্য পৌঁছানো পর্যন্ত একাধিক স্তরের সরবরাহ শৃঙ্খল রয়েছে, যা মাঝে মাঝে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, যাতে মজুদদার ও কালোবাজারির দৌরাত্ম্য কমে আসে। সরবরাহব্যবস্থার ডিজিটাইজেশনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে পণ্যের উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হবে এবং সংশিষ্ট বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো তা মনিটর করতে পারবে। ডিজিটাল সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ফলে ব্যবসায়ীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তাদের মাঝেও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। মানবসম্পদ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বাজারের সরবরাহ শৃঙ্খল আরো দক্ষ ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া সরকার নিজস্ব উদ্যোগে কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের সরবরাহ বাড়ালে এমনিতেই সেই পণ্যের দাম কমে আসবে। এতে অনৈতিকভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করা সম্ভব হবে না। এ ব্যাপারে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কর্মকাণ্ড আরো বিস্তৃত ও গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
 
পাইকারি বাজার ব্যবস্থার পুনর্গঠন

পাইকারি বাজার ব্যবস্থা যেকোনো দেশের অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এটি উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যকার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি থাকা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত এই বাজারগুলোকে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হলে সরকারকে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়ে পাইকারি বাজার ব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। স্থানীয় বাজারগুলোতে নিয়ন্ত্রিত মূল্য নির্ধারণ এবং সাপ্তাহিক মূল্যতালিকা প্রচলনের ব্যবস্থা করা দরকার। এ ছাড়া বাজার পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল করতে পাইকারি বাজারের আধুনিকায়ন, স্টোরেজ সুবিধা বৃদ্ধি এবং দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদিও পাইকারি বাজার ব্যবস্থার পুনর্গঠন একটি জটিল প্রক্রিয়া, তার পরও যতক্ষণ পর্যন্ত পাইকারি বাজার ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা না যাবে ততক্ষণ পণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

কৃষক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন

কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা আরো দক্ষ ও কার্যকর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো কৃষক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। এই সংযোগ স্থাপন নিশ্চিত করা গেলে মধ্যস্বত্বভোগী এড়ানো যাবে। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদন করা পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে এবং তারা পণ্য উৎপাদনে আরো বেশি উৎসাহী হবে। এ ছাড়া ভোক্তারাও কম দামে কৃষিপণ্য ক্রয় করতে পারবে। তাই প্রতিটি উপজেলায় কৃষকদের জন্য অন্তত একটি কৃষি বিপণন কেন্দ্র বা ‘কৃষকবাজার’ স্থাপন করার ব্যবস্থা নিতে হবে, যেখানে কৃষকরা সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এই লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত নীতিমালা এবং কৃষকবাজারের একটি আদর্শ মডেল প্রণয়ন করা জরুরি। এ ছাড়া একাধিক কৃষক মিলে একটি সমবায় সংস্থা গঠন করলে সহজে ও ন্যায্য মূল্যে তাদের উৎপাদন করা পণ্য একসঙ্গে বিক্রি করতে পারবে। এতে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের উৎপন্ন পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক দাম পাবে। এ ব্যাপারে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও সমবায় অধিদপ্তর যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। কৃষকবাজার ব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষকদের আয় বাড়বে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ভোক্তারাও সঠিক দামে গুণমানসম্পন্ন কৃষিপণ্য ক্রয় করতে পারবে।

মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে আইনের প্রয়োগ

কালোবাজারি ও মজুদদারের নিয়ন্ত্রণে আমাদের পণ্যবাজার। আলু, পেঁয়াজ, ডিম, চাল, ডাল, তেল, চিনি—সব কিছুর দামই তথাকথিত মজুদদার ও আড়তদার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। দেশে উৎপন্ন কিংবা বিদেশ থেকে আমদানি করা প্রায় সব ভোগ্য পণ্যই এখন সিন্ডিকেটের কবলে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও মজুদদার দেশে উৎপন্ন পণ্যে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে। বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের নিয়ন্ত্রণও গুটিকয়েক বড় করপোরেটের হাতে। ফলে সেখানেও রয়েছে সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ অধিদপ্তর মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। তাই দণ্ডবিধি অথবা বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ প্রয়োগ করার মাধ্যমে মজুদদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেল ও আর্থিক জরিমানার বিধান রেখে মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে একটি যুগোপযোগী নতুন আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা দরকার। নিয়মিত অভিযান এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

পণ্যের মূল্যতথ্য প্রচারণা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি
 
পণ্যের মূল্যতথ্য প্রচারণা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই উপকারী। ক্রেতার কাছে পণ্যের মূল্যতথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বাজারব্যবস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। এতে ক্রেতাদের পণ্য ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয় এবং বাজারে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকে। প্রযুক্তির সাহায্যে নিত্যপণ্যের মূল্য জনগণের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অনলাইন বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দৈনিক মূল্যতালিকা প্রকাশ করা গেলে ক্রেতারা বাজারের প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। এ ছাড়া ভোক্তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে তারা অবগত হয়ে যাচাই-বাছাই করে পণ্য কিনতে পারে।

নীতিগত ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা

বাজারের জন্য একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করে সরকারের ভূমিকা শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল সংস্থা, যেমন- ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত নজরদারি ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে হবে। এতে অপ্রত্যাশিত মজুদদারি বা মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকার আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু অভিযান চালিয়ে পণ্যের দাম কমানো যাবে না। নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রস্তাবিত সংস্কারসমূহ বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবি।

লেখক : নির্বাহী পরিচালক, ভলান্টারি কনজিউমারস ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাওয়্যারনেস সোসাইটি (ভোক্তা)।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন