শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৮, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

তথ্য-প্রযুক্তি: যেসব বাধা দূর করা প্রয়োজন

ফাহিম মাশরুর
অনলাইন ভার্সন
তথ্য-প্রযুক্তি: যেসব বাধা দূর করা প্রয়োজন

বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে কখনো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’, কখনো ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-একেক সময়ে একেক নামে তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে শুধু রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার সস্তা স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সারা বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের আশপাশের দেশে। এই বিশাল সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ নাগরিকদের বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনমানের যে উন্নয়ন যেসব বাধা দূর করা প্রয়োজনহয়েছে, আমরা তার ধারেকাছেও কিছু করতে পারিনি। যথেচ্ছভাবে টাকা খরচ করা হয়েছে। জনগণের ট্যাক্সের হাজার হাজার কোটি টাকা যেমন অপচয় হয়েছে, বিদেশ থেকে ঋণ নিয়েও বিশাল বিশাল প্রজেক্ট নেওয়া হয়েছে।

ফলাফল বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শূন্য! দেশের বড় একটা অংশ এখনো ইন্টারনেট, স্মার্টফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত, অন্যদিকে ব্যাপক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেশে শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে তথ্য-প্রযুক্তি খাত এখনো দাঁড়াতে পারেনি এবং লাখ লাখ তরুণের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই খাতে কী ধরনের লুটপাট হয়েছে তা আমরা সবাই কমবেশি জানি। এগুলো নিয়ে শ্বেতপত্র ও অনেক মিডিয়া রিপোর্ট হয়েছে, আরো হয়তো অনেক কিছুই সামনে আসবে। আমি বরং বলতে চাই, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে কোন কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা সংস্কার করা উচিত, যার মাধ্যমে জনগণ তথ্য-প্রযুক্তির কিছু সুবিধা অল্প সময়েই পেতে পারে।

প্রথমেই বলব, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়াতে হবে। এটি না করলে আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি- এই ক্ষেত্রগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারব না। খুব ছোট একটা উদাহরণ- ভালো শিক্ষকের অভাবে গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা গণিত, বিজ্ঞান বা ইংরেজির মতো বিষয়গুলো শিখতে পারছে না। এর খুব সহজ সমাধান ই-লার্নিং ও ই-এডুকেশন।

আমাদের দেশের বেশ কিছু স্টার্টআপ ভালো ই-লার্নিং কনটেন্ট তৈরি করছে। এগুলো যদি গ্রামের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ব্যবহার করতে পারে তাহলে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি শিক্ষার মানে ব্যাপক পরিবর্তন আনা খুব অল্প সময়েই সম্ভব। কিন্তু এর প্রধান বাধা গ্রামের দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর স্মার্টফোন নেই। যাদের আছে তারাও মোবাইল ডেটার উচ্চমূল্যের কারণে এই সার্ভিসগুলো ব্যবহার করতে পারছে না। প্রশ্ন উঠতে পারে, এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা সরকারের কী করার আছে? নিশ্চয়ই আছে! অনেকেই হয়তো জানে না, ১০০ টাকার মোবাইল ডেটার খরচের প্রায় অর্ধেক সরকারের পকেটে যায় (স্পেকট্রাম ফি, রেভিনিউ শেয়ারিং, ভ্যাট, এএইটি হিসেবে)।

বিগত সরকার টেলিকমিউনিকেশন খাতকে লুটপাটের জন্য অর্থ আদায়ের অন্যতম খাত হিসেবে ব্যবহার করেছে। বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা শুধু এই খাত থেকেই নেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে এখনই। ইন্টারনেটের বেশি দামের আরো একটি কারণ হচ্ছে, এই সেক্টরে বেশ কিছু বাধ্যতামূলক কৃত্রিম ‘লেয়ার’ ও ‘লাইসেন্স’ তৈরি করা হয়েছিল কিছু গোষ্ঠীকে কোনো ভ্যালু অ্যাড ছাড়াই টাকা কামানোর সুযোগ দিতে। এনটিটিএন ও আইআইজি এ রকম দুটি কৃত্রিম লেয়ার। এই দুটি লেয়ার উঠিয়ে দিলে এখনই ঢাকার বাইরে ইন্টারনেটের দাম ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমতে পারে। এ ছাড়া টেলিকমিউনিকেশনে বেশ কিছু ছোটখাটো সংস্কার করলে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বর্তমান থেকে অর্ধেকে নিয়ে আসা আগামী দুই থেকে তিন মাসেই সম্ভব সরকারের কোনো ধরনের বিনিয়োগ ছাড়াই। 

কিন্তু শুধু মোবাইল ডেটার দাম কমালেই হবে না, স্মার্টফোনের দামও কমাতে হবে। দুর্ভাগ্যজনক হলো, সরকারের ট্যাক্স ও ভ্যাট পলিসির লোকেরা এখনো মনে করে, মোবাইল সেট একটা বিলাসী পণ্য! তাই এর ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট আরোপ করা হয় সব সময়। এটি শূন্যে নামিয়ে আনতে  হবে। এ ছাড়া সাধারণ নাগরিকরা যাতে কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে পারে, সে জন্য মোবাইল অপারেটরদের অনুমতি দিতে হবে। দেশে মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে, ভারতে এটি ৭০ শতাংশের বেশি। আমরা যদি মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমাতে পারি এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়াতে পারি, তাহলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি খাতে বৈপ্লবিক সংস্কার নিয়ে আসতে পারব অতি অল্প সময়েই।

দ্বিতীয়ত, আমাদের সরকারের সব সার্ভিস ডেলিভারি ডিজিটাল করার ব্যাপারে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। কিছু কিছু মন্ত্রণালয়ে যে গত কয়েক বছরে একেবারেই হয়নি, তা নয়। কিন্তু বেশির ভাগ কাজ হয়েছে শুধু লোক-দেখানো ও বড় বড় প্রজেক্ট তৈরি করে দুর্নীতি করার জন্য। কোন ডিজিটাইজেশন প্রজেক্টের কী স্ট্যাটাস সেটা খুব তাড়াতাড়ি অডিট করে সমস্যা থাকলে সেগুলো ফিক্স করতে হবে। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ডিজিটাল সিস্টেমগুলোর যথাযথ ব্যবহার। অনেক ক্ষেত্রেই প্রজেক্ট করা হয়েছে, কিন্তু ব্যবহার করা হচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি বিভাগে একজন ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন চ্যাম্পিয়ন’ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। এটি সরকারের ভেতর থেকে না, বাইরে থেকে খণ্ডকালীন নিয়োগ হিসেবে করতে হবে। তাঁর কাজ হবে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন কাজগুলো সমন্বয় করা। এ ছাড়া সরকারকে একটি নতুন নীতি প্রণয়ন করতে হবে যে আগামী দু-তিন বছর সব ধরনের সফটওয়্যার ও ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট স্থানীয় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান দিয়ে করতে হবে। এতে একদিকে যেমন কম খরচে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন করা যাবে, অন্যদিকে স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যাতে ভবিষ্যতে বিদেশি ভেন্ডরদের ওপর নির্ভরশীলতা না থাকে।

তৃতীয়ত এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আমাদের একটি শক্তিশালী তথ্য-প্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রি। এখন পর্যন্ত দেশে যে তথ্য-প্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রি বিকাশ লাভ করছে, তা একেবারেই কোনো ধরনের স্ট্র্যাটেজিক দীর্ঘমেয়াদি ভিশন ছাড়াই (এত দিন ভিশন বলতে শুধু বোঝানা হতো আমরা কত বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করব!)। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সব কিছু দ্রুত পাল্টে দিচ্ছে। আমরাও এর থেকে দূরে থাকতে পারব না। আমাদের নতুন ইন্ডাস্ট্রি ভিশনে নতুন প্রযুক্তিগত ডিসরাপশনগুলো ধারণ করতে হবে। স্থানীয় ইন্ডাস্ট্রির জন্য শুধু ভিশন থাকলেই হবে না, সঙ্গে কৌশলপত্রও থাকতে হবে। কিভাবে আমরা ইন্ডাস্ট্রিকে অর্থায়ন করব (ব্যাংক ফিন্যান্স, পুঁজিবাজার, দেশি-বিদেশি স্টার্টআপ বিনিয়োগ), কিভাবে দেশের ভেতরে ও বাইরে বাজার সম্প্রসারণ করব (প্রয়োজনে প্রটেকশন দেওয়া হতে পারে), কিভাবে লাখ লাখ তরুণকে আমরা এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ দিতে পারি, কিভাবে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাচার (যেমন—ডেটা শেয়ারিং আর্কিটেকচার, ইন্টারোপেরাবিলিটি ইত্যাদি) ব্যবহার করে স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন নতুন ডিজিটাল সার্ভিস বাজারে নিয়ে আসবে—এই ব্যাপারগুলো আমাদের ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রি কৌশলপত্র বা রোডম্যাপে থাকতে হবে।

পরিশেষে বলতে চাই, অনেকের মতো আমিও ভীষণ আশাবাদী যে আমরা নতুন পরিস্থিতিতে, নতুন নেতৃত্বে আমাদের সমাজ ও অর্থনীতির ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার করতে পারব। তবে সব ভাবনার মধ্যে আমাদের মনে রাখতে হবে, কয়েক হাজার তাজা প্রাণ আমরা হারিয়েছি একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও অর্থনীতি তৈরি করার জন্য। আমরা চাই না তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাজে আরো বৈষম্য তৈরি হোক। এই প্রযুক্তি যাতে আমাদের সমাজকে আরো বেশি মানবিক করতে, ন্যায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারে, সমাজের সবাইকে একসঙ্গে সমৃদ্ধ করতে পারে, সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই আগামী দিনের সংস্কারগুলো করতে হবে।

লেখক : সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিডিজবস.কম।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন