শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪৫, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৫১, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

পুরুষ যে সুবিধা পায়, নারীও যেন তা পায়

আজমেরী হক বাঁধন, অভিনেত্রী
অনলাইন ভার্সন
পুরুষ যে সুবিধা পায়, নারীও যেন তা পায়

আমরা অনেক কিছুর পরিবর্তন চাই, কিন্তু সবার আগে নিজের দেশকে মনের মধ্যে ধারণ করার ব্যাপারটা থাকতে হয়। যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, মাতৃভূমির প্রতি এক ধরনের দায়বদ্ধতা, মমতাবোধ থাকা দরকার। আমি যদি দেশটাকে নিজের মনে না করি, তাহলে মনে হবে, দেশের কী হবে আমার জানার দরকার নেই, আমি তো অন্য কোথাও গিয়ে ভালো থাকতে পারব। তাই প্রত্যেকের নিজ দেশকে মনের মধ্যে ধারণ করা জরুরি।

এখন আমি যে দেশে জন্মেছি, সেটা কেমন? এটা খুবই অল্পবয়সী একটা দেশ। আমাদের স্বাধীনতার বয়স খুব বেশি না। পৃথিবীর সমৃদ্ধ বা প্রভাবশালী দেশগুলোর তুলনায় আমাদের স্বাধীনতার বয়স তেমন হয়নি। কিন্তু আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব আছে, আছে সবচেয়ে বেশি প্রাণশক্তি। সেটা মুক্তিযুদ্ধের সময়ও প্রমাণিত হয়েছে। পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে বাংলাদেশের নিরীহ সাধারণ মানুষ প্রশিক্ষিত না হয়েও যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানে আমি রাস্তায় থেকে আন্দোলন করেছি। আমি দেখেছি, মানুষের কী পরিমাণ সাহস ও প্রাণশক্তি। দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারবে এমন প্রাণশক্তি আছে তাদের।

আমাদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে। এই সব কিছু নিছক মুখে মুখে, তা আমি মনে করি না। ছোটবেলা থেকে এটা দেখেই বড় হয়েছি। ব্যক্তিগতভাবে বাঁধন হিসেবে আমি যতটা সচেতন ছিলাম, মা হওয়ার পর তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি সচেতন হয়েছি। আমার স্বাধীনতা ও অধিকার নিয়ে। বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে আমাকে দিয়েই আমার সন্তান নিজের পরিচয়টা তৈরি করবে। ওর কী অধিকার আছে, কতটা স্বাধীনতা আছে, সেটা আমাকে দেখেই শিখবে। সমাজব্যবস্থায় নারী হিসেবে আমাদের যেভাবে বেড়ে উঠতে দেওয়া হয়, সেই জায়গা থেকে মনে হতো, ঠিকই আছে। অনেক দেশে কথা বলার অধিকার পর্যন্ত নেই, পড়াশোনার অধিকার নেই। তার চেয়ে তো ভালোই আছি। কিন্তু মা হওয়ার পর উপলব্ধি করেছি, আমার পুরোটাই লাগবে। এই দেশের নাগরিক হিসেবে একজন পুরুষ যে যে সুবিধা পায়, একজন নারীও যেন একই সুবিধা পায়, এটা আমি নিশ্চিত করতে চাই।

চর্চাটা শুরু হতে হবে পরিবার থেকে। এ ক্ষেত্রে আইনি কিছু জটিলতা আছে। উত্তরাধিকার আইন, অভিভাবকত্বের আইনসহ বেশ কিছু আইন আছে, যেগুলো দিয়ে খুব সিস্টেমেটিক্যালি নারীদের বঞ্চিত করা হয়। এই বঞ্চনা থেকে আমার সন্তান ও সমাজকে মুক্ত দেখতে চাই। আমি চাই, এমন একটি সমাজব্যবস্থায় আমার সন্তান বেড়ে উঠবে, যেখানে তাকে নারী বলে অতিরিক্ত কোনো চাপের মুখে পড়তে হবে না, কিংবা কোনো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হবে না। সে একজন মানুষ হিসেবেই বেড়ে উঠবে। নারী হিসেবে আলাদাভাবে চলার প্রথা থেকে বের হওয়া জরুরি।

ছেলেদের ওপর কেন এত নির্ভরশীলতা? কারণ আমাদের রাষ্ট্র বয়স্কদের দায়িত্ব নেয় না। নামমাত্র একটি ভাতা দেওয়া হয়, যেটা দেওয়া না দেওয়া একই। এ কারণে মানুষ চিন্তা করে, আমার ছেলেকে একটা যন্ত্রের মতো তৈরি করব, যে আমার জন্য মানিমেকিং পারসন হবে। এটা তো ছেলেটার জন্যও একটা প্রতিবন্ধকতা। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় এটা ছেলেদের জন্যও অতিরিক্ত চাপ। কেন তাকে এই চাপ নিয়ে বেড়ে উঠতে হবে? তার কেন নিজের স্বাধীনতা থাকবে না? তার কেন সবার দায়িত্ব নিতে হবে? কেন সমাজে এমন ব্যবস্থা নেই, যেখানে প্রত্যেকে নিজের মতো করে কাজ করবে, যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা থাকবে, বার্ধক্যের সময় পর্যাপ্ত রাষ্ট্রীয় সুবিধা থাকবে? যেন কারো ওপর নির্ভরশীল হতে না হয়। আমাদের মানসিক পরিবর্তন তো জরুরিই, সঙ্গে আইনগত কিছু সংস্কারও দরকার।

আমরা সবচেয়ে বেশি ভুগি নিরাপত্তাহীনতায়। একটা বাচ্চা মেয়ে তার বাড়িতেও নিরাপদ না, কর্মক্ষেত্র তো পরের ব্যাপার। মেয়েরা সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হয় পরিবারের মানুষের দ্বারা। এটা কেন হয়? কারণ আমরা সেই নিরাপত্তা দিতে পারি না। সুতরাং ঘর থেকে কর্মস্থল- সবখানেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এটা রাষ্ট্রব্যবস্থার দায়। রাস্তায় হাঁটা যায় না। সন্ধ্যার পর কোনো মেয়েকে বাইরে দেখলে বলা হয়, বের হয়েছ কেন? রাস্তাটা তো সবার। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের মানসিকতা যেমন পরিবর্তন করতে হবে, তেমনি কিছু আইনও প্রয়োগ করতে হবে। রাষ্ট্র যখন প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, তখন আর কেউ কাউকে হয়রানি করার সাহস পাবে না।

উত্তরাধিকার আইন নিয়ে আমি অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করেছি। যখন এই আইন করা হয়েছিল, তখন বলা হয়েছে, ভাইয়ের অর্ধেকের চেয়ে কম বোনকে দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ অর্ধেকের কম বোনকে দেওয়া যাবেই না। এই আইন যখন করা হয়েছে, তখন মেয়েদের জীবিত জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেওয়া হতো, কবর দেওয়া হতো! সেই অন্ধকার যুগে এ রকম নিয়ম বা আইন করা অনেক প্রগতিশীল চিন্তা ছিল। সে আইনে এটাও উল্লেখ আছে যে বাবা চাইলে ছেলে-মেয়েকে সমপরিমাণ সম্পত্তি দিতে পারবে। কিন্তু এ আইন সময়ের সঙ্গে আর পরিবর্তন করা হয়নি। অনেক আইন সংস্কার করা হয়েছে। যখনই উত্তরাধিকার আইনের প্রসঙ্গ আসে, নারীদের অধিকারের কথা আসে, নানাভাবে সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়। আইন বিভাগে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের অবশ্যই এ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

নারীদের মানসিকতায়ও পরিবর্তন জরুরি। এই মানসিকতা গড়ে উঠেছে আমাদের সমাজব্যবস্থার কারণে। নারীরা নিজেদের উন্নতি চাইতে পারে না, কারণ সেটা তাদের শেখানোই হয় না। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে পরিবার, বিশেষ করে মা। আমি নিজেকে দিয়েই এটা বিশ্বাস করি। আমার মা অনেক কিছুতে আমার জন্য যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেননি। আমার মেয়েকে আমি যা বলতে পারি, সেটা আমার মা আমাকে বলতে পারেননি। তিনি অনেক কিছুতে আমাকে বাধা দিয়েছেন। আমি কিন্তু সেটা করছি না। আমার মেয়ে যেভাবে বড় হচ্ছে, সেটা ওর জীবনে একটা প্রভাব ফেলবে। তাই আমার মনে হয়, প্রত্যেকে যদি সচেতনভাবে চেষ্টা করে, তাহলে পরিবর্তন সম্ভব।

শিশুদের মানবিক বিকাশের দিকটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই জরুরি পারিবারিক বন্ধন। পরিবার থেকে যদি আদর-ভালোবাসা আর সুশিক্ষা পায়, সেটা পরবর্তী জীবনে প্রভাব ফেলবে। এরপর বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রেও পরিবারের সংস্পর্শ জরুরি। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন মানুষ সহজেই যেকোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, বলছি না সব সময়, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। ঐশী নামের একটি মেয়ে নিজের মা-বাবাকে মেরে ফেলেছিল, ওই ঘটনায় আমি প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছিলাম। এটাও সম্ভব! সুতরাং পারিবারিক বন্ধনের পাশাপাশি মা-বাবার সৎ থাকাও জরুরি। ছেলে-মেয়ে যা চাইবে, তা-ই দিয়ে দেওয়ার মানসিকতা বদলাতে হবে। পৃথিবীতে কোনো কিছুই সহজলভ্য নয়- এই বোধটা তার মধ্যে জাগ্রত করতে হবে। সব কিছু তাকে অর্জন করেই নিতে হবে। এ ছাড়া শিশুকে খেলার মাঠে নিয়ে যাওয়া, গ্রামে নিয়ে যাওয়া, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাওয়া- এসব চর্চা রাখতে হবে। প্রকৃতির কাছে, পশু-পাখির কাছাকাছি থাকতে পারলে বাচ্চাদের মন সুন্দর হবে, উদার হবে।

আমি তো আইনি লড়াই করে আমার বাচ্চার অভিভাবকত্ব পেয়েছি। এ বিষয়ে আমাদের যে আইন আছে, সেটা অনুযায়ী বাচ্চার ন্যাচারাল গার্ডিয়ান সব সময় বাবা হবে। বাবার পরিবর্তে হবে দাদা, চাচা কিংবা মামা। কিন্তু অনেক ঘোরপ্যাঁচ করে আসতে হয় মায়ের কাছে। একজন মা সন্তানের অভিভাবকত্ব চাইলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। আমি চাই, বাবার মতো মা-ও যেন বাচ্চার ন্যাচারাল গার্ডিয়ান হয়। এটা নিয়ে অনেক আইনজীবী কাজ করছেন, এটা আশার কথা।

অনুলিখন : কামরুল ইসলাম।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন