শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:১০
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:১৪
প্রিন্ট করুন printer

লন্ডনে 'বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অভিযাত্রা' শীর্ষক আলোচনা

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি

লন্ডনে 'বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অভিযাত্রা' শীর্ষক আলোচনা

যুক্তরাজ্যে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে লন্ডনে 'বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অভিযাত্রা' শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ মুক্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আবুল হাশেম।

সংগঠনের সহসভাপতি তওহীদ ফিতরাত হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম।

মূল বক্তব্য উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সভাপতি, লেখক-কলামিস্ট সুজাত মনসুর। স্মৃতিচারণ করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান গৌস সুলতান। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেনা বেগম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বৃটিশ-বাংলাদেশীদের প্রতিনিধি সেঁজুতি মনসুর, কাজী মাখনুন, সানজিদা বিশ্বাস ও তাসনিম ফারিয়া রশীদ আবৃত্তি ও বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত কবি সফিয়া জাহিরের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন ডাঃ আব্দুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সল ও শেখ রেহানাকে নিবেদিত কবি আতাউর রহমান মিলাদের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন নাজ নাঈম।

আলোচনায় অংশ নেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. হরমুজ আলী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক ও যুগ্ম সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের এক দশকেরও অধিক সময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন সৈয়দ এহসানুল হক, এডভোকেট তওহীদুল ইসলাম বাহার, মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, নাজমা সুলতানা নার্গিস, শামসাদুর রহমান রাহীন। 

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

আমেরিকার নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালা নিয়ে লাইভ আলোচনা বুধবার

অনলাইন ডেস্ক

আমেরিকার নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালা নিয়ে লাইভ আলোচনা বুধবার

আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রস্তাবিত নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালা নিয়ে এক লাইভ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ জানুয়ারি বুধবার টরন্টো ও নিউইয়র্ক সময় রাত ৯টায়।

কানাডার বাংলা পত্রিকা নতুনদেশ এর প্রধান সম্পাদক শ্ওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টরন্টো থেকে সম্প্রচারিত এই আলোচনায় বাইডেনের ইমিগ্রেশন নীতিমালা আসলে কি? এটি কি কেবল মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকা ভ্রমণে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া! আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ১১ মিলিয়ন অবৈধ অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রচেষ্টা কতোটা সফল হবে - এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আলোচনা করবেন দুইজন বিশেষজ্ঞ।

বিশেষজ্ঞ মতামত দিতে অতিথি হিসেবে যুক্ত হবেন টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং ইমিগ্রেশন বিষয়ক গবেষক ড. মেহনাজ মোমেন এবং আমেরিকান ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নী মৌমিতা রহমান।

আলোচনাটি Shaugat Ali Sagor Live ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

ফের ‘সিআইপি’ হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রহিম

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি:

ফের ‘সিআইপি’ হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রহিম

বাংলাদেশে আর্ত-মানবতার সেবা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত অর্থের বড় একটি অংশ পাঠানোর পুরষ্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্র উদীয়মান ব্যবসায়ী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা নিহাল র‌্যা রহিম। গত ৬ জানুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস’ উপলক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানে সারাবিশ্বে বেশ ক’জনকে ২০২০ সালের ‘সিআইপি ক্রেস্ট এ্যান্ড সার্টিফিকেট’ প্রদান করা হয়। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছতে না পারায় পরবর্তীতে নিহাল র‌্যা রহিম সেই ক্রেস্ট ও সাটিফিকেট নিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব নাসরীন জাহানের কাছ থেকে। 

টেক্সাস এবং আরকানসাস স্টেটে রিয়েল এস্টেট, হোটেলসহ নানাবিধ ব্যবসার মালিক-প্রতিষ্ঠান ‘র‌্যা’জ হসপিটালিটি’ এবং ‘র‌্যা’জ ম্যানেজমেন্ট’র চেয়ারম্যান নিহাল র‌্যা রহিম সন্দ্বীপের সন্তান এবং বেশ ক’বছর নিউইয়র্কে অবস্থানের পর টেক্সাসে বসতি গড়েছেন। 

উল্লেখ্য, দু’বছর আগে ২০১৭ সালেও ‘সিআইপি’র স্বীকৃতিপত্র ও ক্রেস্ট পান তিনি। একই কারণে তিনি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট লাভে সক্ষম হয়েছেন। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩০
প্রিন্ট করুন printer

'পারমাণবিক নিরস্ত্রিকরণের প্রতি অবিচল থাকা বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি'

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি:

'পারমাণবিক নিরস্ত্রিকরণের প্রতি অবিচল থাকা বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি'

পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (টিপিএনডব্লিউ) কার্যকর হওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে গত ২২ জানুয়ারি নিউইয়র্ক, জেনেভা এবং ভিয়েনায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়াল ইভেন্ট। সেখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে যোগ দেয় বাংলাদেশ। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেনন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে মুক্ত করার জন্য ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলেন তা উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, পারমাণবিক নিরস্ত্রিকরণের প্রতি অবিচল থাকা বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি, যারফলে এই চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রথম ৫০টি দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ের অন্যতম একজন প্রবক্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অব্যাহত আহ্বানকে ধারণ করে বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশন চলাকালীন ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর চুক্তিটি অনুসমর্থন করে বাংলাদেশ।

পারমাণবিক অস্ত্রের অমানবিক ও বিধ্বংসী পরিণতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা যেসকল রাষ্ট্র এখনও এই চুক্তি স্বাক্ষর করেননি তাদের স্বাক্ষর করার আহ্বান জানান যাতে এর সার্বজনীন প্রয়োগের বাস্তবায়ন অর্জন করা সম্ভব হয়। 

পারমানবিক অস্ত্রের মানবিক প্রভাব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অবদান সৃষ্টিকারী জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকির পারমানবিক বোমার আঘাত নিয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিবর্গ (হিবাকুশাস) সহ যে সকল কর্মী সুদীর্ঘ এই সময় ধরে পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শণ করেন বাংলাদেশের এই স্থায়ী প্রতিনিধি। পারমানবিক তেজস্ক্রিয়তার শিকার এবং এর ক্ষত নিয়ে বেঁচে থাকা সকল মানুষের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত চুক্তি (টিপিএনডব্লিউ) স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার, বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, মজুদকরণ, কেন্দ্র স্থাপন, স্থানান্তর, এবং হুমকি প্রদান নিষিদ্ধ করতে এটিই হচ্ছে প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি। চুক্তিতে এ পর্যন্ত ৮৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে এবং ৫১টি দেশ অনুসমর্থন করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর ৫০তম অনুসমর্থনকারী দেশ হিসেবে হন্ডুরাসের দলিলাদি জমা দেওয়ার ৯০ দিন পর ২২ জানুয়ারি থেকে চুক্তিটি কার্যকর হল।

এই অনুষ্ঠানটি অস্ট্রিয়া, ব্রাজিল, কোস্টারিকা, ইন্দোনেশিয়া, আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা ও থাইল্যান্ড এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্যের মধ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব রেডক্রস এবং ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন টু অ্যবলিস নিউক্লিয়াস উইপন এর প্রধানগণ বক্তব্য রাখেন। জাতিসংঘ মহাসচির অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে একটি ভিডিও বক্তব্য প্রদান করেন।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

পর্তুগালে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

পর্তুগাল প্রতিনিধি

পর্তুগালে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

পর্তুগালে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় জুম অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটি পর্তুগাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটি পর্তুগালের সভাপতি জহুরুল ইসলাম মুনের পরিচালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রবীণ ব্যক্তি ও লিসবনের স্থানীয় শান্তা মারিয়া মায়রের কাউন্সিলর রানা তসলিম উদ্দীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও দূতালয় প্রধান আব্দুল্লাহ আল রাজী। 

আরও উপস্থিত ছিলেন, পিএইচডি ফেলো শিরিন আক্তার, সাফি, হাফিজ, তোফায়েল, তানিয়া, মাসুদ, মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আল আমিন, আশিক এবং ব্যাচেলরের শিক্ষার্থী নজরুল, নাইমসহ আরও অনেকে।
 
উল্লেখ্য, পর্তুগালে লকডাউনের কারণে বিভিন্ন শহর থেকে জুম অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যোগদান করে। অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

কাতারে আলনূর কালচারাল সেন্টার মহিলা বিভাগের কর্মশালা

কাতার প্রতিনিধি

কাতারে আলনূর কালচারাল সেন্টার মহিলা বিভাগের কর্মশালা

আলনূর কালচারাল সেন্টার কাতারের মহাপরিচালক প্রকৌশলী শোয়েব কাসেম বলেছেন, সময় এখন সোশ্যাল মিডিয়ার। এর বহুমুখী উপকারের পাশাপাশি নানাবিধ অপকারও রয়েছে। মোবাইলের অপ ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পারিবারিক সংহতি। জ্যামিতিক হারে বাড়ছে তালাকের সংখ্যা। তাই এ ব্যাপারে সকলের বিশেষ করে নারীদের অধিকতর সচেতন হতে হবে। 

আলনূর কালচারাল সেন্টার মহিলা বিভাগের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

রাজধানী দোহার ফেমাস রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আল নূর মহিলা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আলেমা মাহমূদা নূরুল আমিন। প্রধান আলোচক ছিলেন আল নূর নির্বাহী পরিচালক মাওলানা ইউসুফ নূর।

বক্তব্য রাখেন আলনূর সেন্টারের গণসংযোগ পরিচালক প্রকৌশলী আলিমুদ্দিন, গবেষণা ও প্রকাশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনুল হক, সমাজকল্যাণ সহযোগী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম, সংস্কৃতিক সহকারী মাওলানা জসিমউদ্দিন মাশরুফ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাওলানা নুরুল আমিন, শিক্ষা বিভাগীয় সদস্য হাফেজ লোকমান ও মাওলানা মাহমুদুল হক নদবী। 

অনুষ্ঠানে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় সূয়াইদা ইউসুফ নূর এবং মাওলানা নুরুল আমিনের দুই কন্যা মুনা ও সুন্দুসকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। 
  
সভায় নারী সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে নাফিসা আহসানকে প্রধান উপদেষ্টা, আলেমা মাহমুদা নুরুল আমিনকে পরিচালক, আলেমা সারা মাহমুদকে সহযোগী পরিচালক ও লৎফুন নাহার ইউসুফকে সহকারী পরিচালক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আলনূর মহিলা বিভাগের কমিটি গঠিত হয় এবং কর্মসূচি ২০২১ ঘোষণা করা হয়।

মুনাজাত ও নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর