শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ২৩:০১

প্রবাসী ফুটবলারের সন্ধানে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রবাসী ফুটবলারের সন্ধানে
জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে

ডেনমার্ক থেকে উড়ে এসেছিলেন জামাল ভূইয়া। প্রশিক্ষণে সন্তুষ্ট করায় ডাচ কোচ লোডডিক ক্র্ইুফ জামালকে জাতীয় দলে সুযোগ দেন। প্রথম প্রবাসী ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় দলে জামালের অভিষেক ২০১৩ সালে। সেই থেকে খেলে চলেছেন। এখন জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রবাসী এই ফুটবলার। তার নেতৃত্বেই এশিয়ান গেমস ইতিহাসে বাংলাদেশ প্রথমবার নকআউট পর্ব খেলেছে। জামালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে চাচ্ছেন আরও কজন প্রবাসী বাঙালি ফুটবলারকে খেলাতে। বাফুফের অনুমতি নিয়েই প্রবাসী সন্ধানে নেমে পড়েছেন জেমি ডে। ইতিমধ্যে তিনি তিনজন প্রবাসী ফুটবলারের সন্ধানও পেয়েছেন। ফেডারেশন কাপের পর কোনো কর্মসূচি না থাকায় ছুটি নিয়ে ইংল্যান্ডে যান কোচ। ফিরে এসে প্রিমিয়ার লিগ দেখছেন। শুধু ঢাকা নয় অন্য ভেন্যুতেও ছুটে যাবেন জেমি। কেননা এই আসরে মান যাচাই করে তিনি অনূর্ধ্ব-২৩ দল গড়বেন। সামনেই রয়েছে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ। ২২ থেকে ২৬ মার্চ বাহরাইনে হবে এই আসর। এটি আবার টোকিও অলিম্পিকের বাছাই পর্ব।

অলিম্পিকে চূড়ান্ত পর্বে খেলাটি স্বপ্নই বলা যায়। তারপর অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপে সম্মানজনক আসনে বসতে চান জেমি। জেমির প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে সেমিফাইনাল খেলেছে। এমন ব্যর্থতার পর বাফুফে সাধারণত চুক্তি শেষ হওয়ার আগে কোচকে বিদায় জানায়। আস্থা রেখেছে জেমির ওপর। দেরিতে হলেও বাফুফে বুঝতে পেয়েছে স্বল্প সময়ের মধ্যে কোনো কোচের পক্ষে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয়। তাই জেমিকেই রেখে দিয়েছে। প্রশিক্ষণের কর্মসূচি না থাকলেও ইংলিশ কোচ বসে নেই। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বন্ধ পথটি খুলতে চান তিনি। তাই নানা পরিকল্পনার ছক আঁকছেন। একটা ব্যাপার তিনি বুঝে ফেলেছেন তার শিষ্যদের ফিটনেস ও দমের ঘাটতি রয়েছে। বাফুফে একবার চেয়েছিল ঘরোয়া আসরে খেলা ভালমানের বিদেশিদের নাগরিকত্ব দিয়ে জাতীয় দলে নেওয়া। উপরের মহল না করার কারণে সেই চেষ্টা বেশি দূর এগুতে পারেনি। তবে প্রবাসীদের খেলতে তো বাধা নেই। জামাল ভূইয়ার মতো গতিময় ফুটবলার পেলে অবশ্যই ট্রায়াল দেখে তাকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। জেমি তিন প্রবাসী ফুটবলারের সন্ধান পেলেও কারোর সঙ্গে আলাপ করেননি। বাফুফের নির্দেশ পেলেই পরবর্তী কাজে হাত দেবেন। চলতি বছরের মার্চেই ফিফা উইন্ডো থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারবে না বাফুফে। ওই সময়তো এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে হবে। তবে জুন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ফিফা উইন্ডোতে খেলার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপও আছে। বাফুফের অনুমতি পেলে আলাপ করেই এসব আসরের জন্য তিন প্রবাসী ফুটবলারকে ট্রায়ালে ডাকতে চান জেমি।


আপনার মন্তব্য