শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৩

বিশেষ বিমানে লাহোর গেলেন টাইগাররা

এফটিপি শিউিউল অনুুযায়ী আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে পাকিস্তান যেতেই হতো টাইগারদের। কিন্তু টেস্ট সিরিজ খেলতে রাজি ছিল না বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিশেষ বিমানে লাহোর গেলেন টাইগাররা

নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তান সফরে যাননি মুশফিকুর রহিম। নিষেধাজ্ঞার জন্য নেই সাকিব আল হাসান। দেশসেরা দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ছাড়া গতকাল এক যুগ পর পাকিস্তান সফরে গেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বহু নাটক চিত্রায়নের পর মাহমুদুল্লাহ বাহিনী গতকাল ঢাকা ছেড়েছে বিশেষ বিমানে। রাত ৮টায় ক্রিকেটারদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি সরাসরি লাহোর পৌঁছাবে। হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো দলের সঙ্গে গেলেও যাচ্ছেন না সদ্য নিযুক্ত পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন, স্পিন কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টরি ও ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক। যে নিরাপত্তা নিয়ে এতো হৈ চৈ, তার প্রথম ধাপ কিন্তু শুরু বাংলাদেশ থেকেই! ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেছে বিসিবি। মাহমুদুল্লাহদের নিরাপত্তা দিতে লাহোরে ব্যস্ত থাকবে ১০ হাজার পুলিশ। তারপরও তিন সন্ত্রাসী গ্রেফতার হওয়ায় সিরিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে। ক্রিকেটাররা আজ লাহোর পৌঁছাবে এবং তিন ম্যাচ টি-২০ সিরিজের প্রথমটি খেলবে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ২৪ জানুয়ারি। সিরিজের পরের দুই ম্যাচ যথাক্রমে ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি। তিন ধাপের সিরিজের প্রথমটি খেলে ২৮ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরবেন মাহমুদুল্লাহরা।

এফটিপি শিউিউল অনুুযায়ী আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে পাকিস্তান যেতেই হতো টাইগারদের। কিন্তু টেস্ট সিরিজ খেলতে রাজি ছিল না বিসিবি। স্বল্প সময়ের সফরে শুধুই টি-২০ সিরিজ খেলার কথা বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। পিসিবি রাজি ছিল না বিসিবির প্রস্তাবে। শেষ পর্যন্ত দুবাইয়ে আইসিসি সভাপতি শশাঙ্ক মনোহরের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ তিন মাসে তিন ধাপে তিনটি টি-২০, দুটি টেস্ট ও একটি ওয়ানডে খেলতে সম্মত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল টি-২০ সিরিজ খেলতে ঢাকা ছেড়েছে মাহমুদুল্লাহ বাহিনী। বাংলাদেশ সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল ২০০৮ সালে। ৫টি ওয়ানডে ও একটি টি-২০ খেলেছিল ওই সফরে।

 

আইসিসির র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের পার্থক্য বিস্তর। এক নম্বর পাকিস্তানের বিপরীতে বাংলাদেশ ৯ নম্বরে। র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে টাইগার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ অবশ্য নিজেদের কোনোভাবেই আন্ডারডগ ভাবছেন না, ‘আমরা ৯ নম্বরে, ওরা এক নম্বরে। টি-২০ ক্রিকেট তারা ধারাবাহিকভাবে খেলছে। আমরা যেভাবে শেষ কয়েকটি সিরিজ খেলেছি, আমি খুব আশাবাদী ভালো কিছু ম্যাচ উপহার দেওয়ার। ইনশাল্লাহ আমরা সিরিজ জেতার চেষ্টা করব।’ মাহমুদুল্লাহকে সফরে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছেন সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষের সিরিজটি। এছাড়া পাকিস্তান নিজেদের সর্বশেষ ৯ ম্যাচের আটটিতেই হেরেছে।  দুই দল এখন পর্যন্ত টি-২০ ম্যাচ খেলেছে ১০টি। বাংলাদেশ জিতেছে দুটি এবং হেরেছে ৮টি। জেতা ম্যাচ দুটি অবশ্য বেশ আগে এবং পরিচিত মিরপুরে। ২০১৫ সালে সিরিজের একমাত্র ম্যাচটি টাইগাররা জিতেছিল ৭ উইকেটে।

সফরকারীদের করা ১৪১ রান টপকেছিল ৩ উইকেট হারিয়ে। পরের বছর টি-২০ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ জিতেছিল ৫ উইকেট। পাকিস্তানের ১২৯ রান টপকেছিল ৫ বল হাতে রেখে। পাকিস্তানের মাটিতে একমাত্র টি-২০ ম্যাচ খেলেছে ২০০৮ সালে করাচিতে। ১০৪ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচটি খেলেছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ।      


আপনার মন্তব্য