শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ আগস্ট, ২০২১ ২২:৫৪

চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আপিল করবে আরামবাগ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

Google News

আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ পেশাদার লিগ থেকে অবনমিত হয়েছে। তবু এ ক্লাবকে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। অনলাইন বেটিং, স্পট ফিক্সিংসহ ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ মিলেছে। তাই শাস্তি হিসেবে এই ক্লাবকে দুই বছর প্রথম বিভাগ লিগে খেলতে হবে। এ দুই বছর তারা যদি শীর্ষেও থাকে তবুও চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে পারবে না। শুধু তাই নয় আজীবন নিষিদ্ধ বেশ ক’জন কর্মকর্তা ও ফুটবলারদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আবার কজন বিদেশিও আছেন। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী বলেন, ‘অবশ্যই আমরা শাস্তির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আপিল করব। আমার বিশ্বাস ক্লাবের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে বাফুফে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে।’

ইয়াকুব বলেন, ‘শুধু আরামবাগ নয়। আরও কয়েকটি ক্লাবের বিপক্ষে স্পট বা ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ উঠে। আমরা তখন তদন্তের সহযোগিতার স্বার্থে সন্দেহভাজন বেশ ক’জন কর্মকর্তা এমনকি ফুটবলারদের তালিকা বাফুফের কাছে জমা দেই। সহযোগিতার পরও ক্লাব এত বড় শাস্তি পাবে কেন তা বুঝে উঠতে পারছি না।’ এমন অভিযোগ ওঠার পরও বাফুফে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছিল না। কিন্তু এএফসি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিলে বাফুফে উঠে পড়ে লাগে। রবিবার এমন চাঞ্চল্যকর শাস্তি ঘোষণার পর ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন বিভিন্ন মিডিয়াকে জানান, ‘পাতানো শনাক্তকরণ কমিটি অনেকগুলো সভা করে। আমাদের কাছে একটি রিপোর্ট দেয় তারা। সেই রিপোর্ট ও ডিসিপ্লিনারি কোডের ভিত্তিতে স্বচ্ছভাবেই শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তা কার্যকর করবে বাফুফে। মেজবাহ উদ্দিন যে ডিসিপ্লিনারি কোড বা নিয়মের কথা বলছেন তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। পেশাদার লিগের যাত্রা হয় ২০০৭ সালে। ২০০৮ সালে নতুন কোড হলেও তা আর হয়নি।

আরামবাগতো প্রশ্ন তুলতেই পারে যে কোড বৈধ নয় সেখানে শাস্তি দেওয়া হয় কিভাবে? এখানে আইনি প্রশ্নও উঠবে।