শিরোনাম
প্রকাশ : ১ এপ্রিল, ২০২০ ১৭:৪২

বেলারুশকে খেলা বন্ধ করার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

বেলারুশকে খেলা বন্ধ করার নির্দেশ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে থমকে গেছে বিশ্ব। এই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের গৃহবন্দী করে ফেলে পুরো বিশ্ব। বন্ধ হয়ে গেছে সকল খেলাধুলা। অথচ বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে নিজেদের দেশের প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ চালিয়ে যাচ্ছে বেলারুশ। ইউরোপের একমাত্র দেশ হিসেবে ফুটবল লিগ চালু রাখে তারা। 

মহামারীর মধ্যে ফুটবল চালিয়ে যাবার কারণও ভিন্ন ভঙ্গিতে ব্যাখা করেছেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার লুকাশেঙ্কো। কারণ করোনাভাইরাস নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তিনি। এমনকি নিজ দেশের জনগণকে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে ভদকা পান করার পরামর্শ দিয়েছেন।

আর বেলারুশ ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র আলেক্সান্দর অ্যালেইনিক বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধে আমরা সকল সতর্কতা গ্রহণ করেছি এবং ফুটবল চলতে থাকবে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনায় সকল পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করেছি। ভক্তদের সবাইকে হ্যান্ড গ্লাভস সরবরাহ করা হয়েছে।’

কিন্তু এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিশ্ব ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রো। বেলারুশের ফুটবল চালিয়ে যাবার ব্যাপারটি বোধগম্য নয় ফিফপ্রোর। তাই দ্রুত ফুটবল বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে ফিফপ্রো জেনারেল সেক্রেটারি জনাস বেয়ার-হফম্যান।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বাকি জায়গায় ফুটবলের জন্য যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, এখানেও (বেলারুশ) একই ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। কীভাবে এটা চলতে পারে তা একেবারেই বোধগম্য নয়।’

ফিফপ্রোর সদস্যভূক্ত নয় বেলারুশ। তারপরও এ বিষয়ে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা ফিফা ও ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফার কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানাবে ফিফপ্রো।

এদিকে, অধিকাংশ দেশে খেলা বন্ধ থাকায় লিগ সম্প্রচার থেকে আর্থিক সুবিধাও নিচ্ছে বেলারুশ ফুটবল ফেডারেশন। রাশিয়া, ভারতসহ দশটি দেশে খেলা সম্প্রচারের জন্য নতুন চুক্তি করেছে তারা।

চলতি সপ্তাহে বেলারুশ প্রিমিয়ার লিগে ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে একটি ডার্বিও ছিলো। এফসি মিনস্ক ও দিনামো মিনস্ক ডার্বি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে হওয়া ওই ডার্বি ম্যাচটি দেখতে গ্যালারিতে প্রায় ৩ হাজার দর্শক উপস্থিত হয়েছিল। ওই ম্যাচে নিজেদের মাঠে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় এফসি মিনস্ক।

সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের দেশটিতে বসবাস ৯৫ লাখ মানুষের। এরমধ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ১০০ জন। কিন্তু কেউই এখনও মারা যাননি।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য