১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:৩৪

জালালাবাদ গ্যাসের ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

জালালাবাদ গ্যাসের ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি উদ্ধার

জালালাবাদ গ্যাসের ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি উদ্ধার।

উচ্চ চাপবিশিষ্ট গ্যাস পাইপ লাইনের উভয় দিকের ১০ ফুটের ভেতরে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং দখলকৃত ভূমি উদ্ধার করতে তৃতীয় দফা অভিযান শুরু করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

বুধবার সকালে জৈন্তাপুরের ঘাটেরচটি এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জালালাবাদ গ্যাস। পরে সিলেট সদর উপজেলার সীমান্তিক আবাসিক এলাকা, বটেশ্বর, চুয়াবহড় ও পীরেরবাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, দেবপুর-কুমারগাঁও আবাসিক এলাকায় উচ্চ চাপবিশিষ্ট ৪০০ কিলোমিটার গ্যাস পাইপ লাইনের পাশদিয়ে জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত কয়েক শতক ভূমি রয়েছে। ওই ভূমির ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইনের উপর অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর, বাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করেছেন স্থানীয়রা।

এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের লক্ষ্যে এর আগে গত ১৬ মার্চ ও ২৬ আগস্ট দুই দফা অভিযান চালানো হয়। বুধবার তৃতীয় দফা অভিযান পরিচালনা করে ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি দখলমুক্ত করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিলেট জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন ও জালালাবাদ গ্যাসের উপ-মহা ব্যবস্থাপক আমিরুল ইসলাম।

জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে বসতবাড়ি স্থাপিত উচ্ছেদ সংক্রান্ত ট্রাক্সফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডিজিএম আমিরুল ইসলাম বলেন, গ্যাস নিরাপত্তা আইনে রয়েছে উচ্চ চাপবিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের উভয় পাশে নূন্যতম ১০ ফুট করে মোট ২০ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা বিধিবহির্ভূত। এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে দক্ষিণ সুরমা ও পাঠানটুলা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, আমাদের এ অভিযানের পূর্বে বছরখানেক সময় ধরে কয়েকবার তাদের নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি মৌখিকভাবে অবগত করা হলেও তারা তা আমলে নেননি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর