শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০৪
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০৮

'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না'

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না'

মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দুর্নীতিবাজ ও নব্য-রাজাকারদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।

তিনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত 'শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দিবস' উপলক্ষে এক সম্মাননা সমাবেশে এই আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ''সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।‌ নতুন প্রজন্মকে এ বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।"

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য রিয়াজ হায়দার চৌধুরী আরও বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে না পারলে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন কখনোই প্রকৃত বাস্তবায়ন হবে না। আর সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষা খাতে আরও বেশি সংস্কার প্রয়োজন।'

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্ট-চট্টগ্রাম ও মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে এই শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ দিবস’ পালিত হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা - চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদ দিবস পালিত হয়। 

এই দিবস পালন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধকালীন কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডারসহ প্রচারের আড়ালে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন প্রজন্ম কর্তৃক ফুলেল সম্মাননা জানানো হয়। পরে সবাই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। 

মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডাঃ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা গবেষক আবু সাঈদ সরদার, ফাহিম উদ্দিন আহমেদ, শহীদ জায়া মুশতারী শফী, মুক্তিযোদ্ধা রাজনীতিবিদ নুরুল আলম মন্টু, মো হারিস আহমদ, অধ্যাপক মো শফিউল বশর, মহসীন খান, আহমদ নাসিরউদ্দিন, দেওয়ান মাকসুদ আহমেদ,  ফজল আহমদ, মহিউদ্দিন রাশেদ, আবদুল মান্নান মাস্টার, রেজাউল করিম কুসুম, মো আবু হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম রাজু, অরুন দাস, মনসুরুর রহমান, করিম আবদুল্লাহ, জয়ন্তী লালা, খলিলুল্লাহ সর্দার, স্বপন লালা, মো আবু তাহের, মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু, মিনু রানী দাস, হারুনুর রশিদ ভুইয়া, আনোয়ার খান, মুন্সি মিয়া মো শাহআলম, আবুল কাসেম, হাবিবুল্লাহ বাহার প্রমুখ।

বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ফাহিমউদ্দিন আহমদ, মহসীন খান, অধ্যাপক মো শফিউল বশর প্রমুখ মুক্তিযোদ্ধা। নতুন প্রজন্ম ও  মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সাবেক প্যানেল মেয়র রেখা আলম চৌধুরী,
অধ্যাপক স্বরূপ আনন্দ রায়, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান  রুবা আহসান, ভাস্কর চৌধুরী, মশিউর রহমান খান, জসিমউদ্দিন মোবারক, শহীদুল্লাহ রিপন, ডা. আর কে রুবেল, রুমানা শফি, ডা. মুনির আজাদ, সুজিত ঘোষ , জয়নুদ্দিন জয়, সুচিত্রা গুহ  টুম্পা, ব্যান্ড শিল্পী ইকবাল, রেজাউল করিম, আবদুরল্লাহ মামুন, কাজী রাজেশ ইমরান, মো রফিক, সুর্বণা খান, মুক্তা জামান, নাসিমা, সাইমুন নাহার প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধু এই দিনে (১৬ জানুয়ারি, ১৯৭২) ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য