শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২২:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

মহিউদ্দিন-নাছিরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চান মেয়র প্রার্থী রেজাউল

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম:

মহিউদ্দিন-নাছিরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চান মেয়র প্রার্থী রেজাউল

কোনো ধরণের অর্থ-বিত্তের মোহ নেই জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, এই মেয়র নির্বাচনে আমাদের অনেক নেতা মনোনয়ন চেয়েছেন। নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাকে সেই মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি শেখ হাসিনার প্রতিনিধি ছাড়া কিছুই নই। তিনি আরও বলেন, প্রয়াত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী ও বর্তমান মেয়র আজম নাছিন উদ্দিনের নেতৃত্বে গড়ে তোলা নগরীর পরিকল্পিত নগরীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো এবং একইসাথে সকলকে সাথে নিয়েই একটি বসবাস যোগ্য, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নগরী হিসেবে গড়তে এক ও অভিন্ন হয়ে কাজ করা হবে।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী এসব কথা বলেন। চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথম চট্টগ্রামে আগমন উপলক্ষে সমাবেশ ও গণসংবর্ধনার আয়োজন করে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। তবে এই অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত থাকলেও নগর পিতা ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের মায়ের অসুস্থতার কারণে নগরীর এতটি ক্লিনিকে থাকায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।

রেজাউল করিম চৌধুরীর বলেছেন, নেতা হতে আসিনি, মানুষের সেবায় জীবন উৎসর্গ করে দেবো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আপনাদের ভালোবাসায় আজ সিক্ত। আপনাদের ভালোবাসার কারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছেন।

অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান এমএ ছালাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন

রেজাউলকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলে আজম নাছির

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

রেজাউলকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলে আজম নাছির

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে শেষ মুহুর্তের প্রচারণায় ও মিছিলে ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

সোমবার নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার আশ-পাশেসহ বিভিন্ন এলাকায় মিছিলে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এ সময় রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ দেয়া হচ্ছে, এর কোন ভি‌ত্তি নেই। য‌দি কা‌রো বিরু‌দ্ধে মামলা থা‌কে এবং ওয়া‌রেন্টভূক্ত আসামিকে প্রশাসন খোঁ‌জে বা গ্রেফতারের পদ‌ক্ষেপ নেয়। এতে আপনার আমার কোন হাতও নেই আপ‌ত্তিও নেই। বিএন‌পি মূলত জনসমর্থন হা‌রি‌য়ে, জনগণ দ্বারা প্রত‌্যাখ‌্যাত হ‌য়ে অজুহাত ও অ‌ভি‌যোগ পা‌র্টি‌তে প‌রিণত হ‌য়ে‌ছে।

আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম না‌ছির উ‌দ্দিন ব‌লেন, বিএন‌পি আস‌লেই কোন এ‌জেন্ট দি‌চ্ছেন কিনা কিংবা আ‌দৌ নির্বাচন কর‌তে চায় কিনা তা এখ‌নো প‌রিস্কার নয়।

তাছাড়া নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়ায়, পাড়ায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ নেতৃবৃন্দরা মিছিল সমাবেশ করেছেন শেষ মুহুর্তের প্রচারণায়। এতে প্রতিটি এলাকায় কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক নির্বাচনের সর্বশেষ প্রচারণায় ও মিছিলে অংশ নেন মেয়র পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, চন্দন ধর, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল কাদের সুজন ও দক্ষিণ জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান প্রমুখ। এসময় আওয়ামী লীগ নেতারা রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:০০
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে ২৫ প্লাটুন বিজিবি। সোমবার বিকেল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় টহল শুরু করে বিজিবি।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আকতার বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা ২৫ জানুয়ারি বিকেল থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।’

সিএমপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও তার সহকারীগণের ভোট কেন্দ্রে নিরাপদে আসা যাওয়া, ভোট কেন্দ্রের মালামাল আনা নেওয়া এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ নগরীর সকল ভোটারগণ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য নিরাপত্তা মূলক সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নদী এলাকার নিরাপত্তার জন্য পুলিশের নৌ-টহল এবং পোশাকি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সাদা পোশাকেও পুলিশ মোতায়েন থাকবে। নগরীতে টহল পুলিশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে পুলিশ চেকপোস্টসহ বিভিন্ন স্থানে স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কাউন্টার টেরোরিজম, সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত থাকবে। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪০
প্রিন্ট করুন printer

কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শেষ প্রচারণায় ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শেষ প্রচারণায় ডা. শাহাদাত

কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়িয়েছেন চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার তিনি নগরীর জামালখান, এনায়েত বাজার ও আলকরণ ওর্য়াডে গণসংযোগ করে নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

গণযোগকালে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা থেকে চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছি বিএনপি। চট্টগ্রামের জনগণের প্রত্যাশা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। বিএনপিরও প্রত্যাশা সুষ্ঠু প্রতিদ্বদ্বিতার মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছে।

সোমবার নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে পুরাতন বিমান অফিস রোড, আসকার দিঘীর পাড়, হেমসেন লেইন, মোমিন রোড, বৌদ্ধমন্দির, এনায়েত বাজার, তিন পুলের মাথা, আমতল, নিউ মার্কেট মোড়, ষ্টেশন রোড, বিআরটিসি মোড়, বাটালী রোড়, লাভলেইন, কাজীর দেউড়ি হয়ে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ করেন। 

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য ব্যারিষ্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, আলকরন ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী দিদারুর রহমান লাভু, জামাল খান ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবু মহসিন চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী আরজুন নাহার মান্না, মহিলা দলের সাঃ সম্পাদক জেলী চৌধুরী প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

চসিকের উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফ চান প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চসিকের উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফ চান প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড ৬৩২ কোটি ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। তবে এসব টাকা মওকুফে সরকারের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চসিকের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। 

সোমবার তিনি উন্নয়ন প্রকল্পের বকেয়া ম্যাচিং ফান্ড মওকুফে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি, অর্থমন্ত্রী আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল এমপি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালউদ্দিন আহমেদ বরাবরে পৃথক চাহিদাপত্র দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ ও আন্তরিক সুবিবেচনা প্রত্যাশা করেছেন।

তিনি বলেন, চসিক একটি নাগরিক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল ধরণের নাগরিক সেবা চসিক নিশ্চিত করে। দুষণ ও যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন আধুনিক উন্নত নগর গঠন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিতে চসিক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ সকল প্রতিজ্ঞা পূরণে চসিক ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যা বর্তমানে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  

তিনি বলেন, চসিক আর্থিক অসক্ষমতার কারণে নিজস্ব রাজস্ব এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকার থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে উন্নত নাগরিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। মহাসড়ক, সড়ক, নর্দমা, রাস্তা, মেরামত-সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা, মশকনিধন এবং সর্বত্র আলোকায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কর্মযজ্ঞ। এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনের জন্য প্রাপ্ত অর্থ খুবই অপ্রতুল। আর্থিক দৈন্যতার কারণে নাগরিক সেবার মান নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। চসিকের নিজস্ব আয়ের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দের বিপরীতে ২০Ñ৩০ শতাংশ ম্যাচিং ফান্ড নিশ্চিত করা খুবই কঠিন। এছাড়াও এক সময় টেক্স বা নগর শুল্ক থেকে প্রাপ্ত আয় ছিল অন্যতম প্রধান রাজস্ব। কিন্তু আশির দশকে সরকার সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালিত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় প্রসারের লক্ষ্যে চসিক এলাকায় আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি কর্পোরেশন প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। বর্তমানে চসিকের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকেল্পের ম্যাচিং ফান্ড বাবদ বকেয়া টাকাসহ নিজস্ব তহবিলে উন্নয়ন কার্যক্রমের বকেয়া এবং কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আনুতোষিক বাবদ প্রায় ৮৩০ কোটি টাকা’র বিশাল অর্থ ঘাটতির বোঝা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এমতাবস্থায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ম্যাচিং ফান্ড বাবদ বকেয়া টাকা মওকুফের ব্যবস্থা করা হলে নগরবাসীকে কাক্সিক্ষত সেবা প্রদান করা এবং সরকারের প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।  

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪২
প্রিন্ট করুন printer

শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে থাকবো : ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে থাকবো : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে মাঠে ঠিকে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসন। সোমবার প্রচার প্রচারণার শেষ দিন নসিমন ভবনে নগর বিএনপি’র কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

বুধবারের নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘কখনো রাউজান, কখনো বান্দরবান কিংবা ফেনী নোয়াখালীর লোকজন নিয়ে বৈঠক করে। বৈঠকে তারা কেন্দ্রে কেন্দ্র থাকার ঘোষণা দেয়। কী ভাবে তারা এ ধরণের কথা বলে। ডা. শাহাদাত কাউকে ভয় করে না। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মাঠে থাকবো।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী অভিযোগ করেন, রাত পর্যন্ত ৪৯ নেতা কর্মীকে তুলে নিয়ে গেছে। দলের নেতাকর্মীদের নামে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা হয়েছে। যাতে ১ হাজার জনকে আসামি করা হয়। পুলিশের হয়রানি থেকে মহিলা, শিশুরা পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে। নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে মাস্তান, চাঁদাবাজ, ইয়াবা ব্যবসায়ী দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ ঘোলাটে করার পাঁয়তারা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অতি উৎসাহী পুলিশের দ্বারা শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের পর বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থী রিটার্নি অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘বিএনপির মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাদের আটক করা হয়েছে তারা ফৌজদারি মামলার আসামি নাকি বিনা কারণে আটক করা হয়েছে তা দেখবে নির্বাচন কমিশন। সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।’

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর