শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৮:১৫

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিসিআর ল্যাব

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিসিআর ল্যাব
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে বেসরকারি পর্যায়ের বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের নবনির্মিত ভবনে করোনার নমুনা পরীক্ষায় চালু করা হচ্ছে পিসিআর ল্যাব। হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় বিশাল পরিসরে যাত্রা করছে ল্যাবটি। 

আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ল্যাবটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

শিশু হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে করোনার চরম অবস্থা তৈরি হলে মা ও শিশু হাসপাতালে কেবিনসহ প্রস্তুত করা হয় প্রায় ১০০ট শয্যা। প্রাথমিকভাবে এক কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে করোনা আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। এবার প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে পিসিআর ল্যাব। দুইজন অধ্যাপক ও আটজন টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ল্যাবে দৈনিক প্রায় ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ বলেন, ‘এখন করোনার প্রকোপ কমলেও মানুষের মধ্যে এর নানা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। ফলে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা নিশ্চিত হতে হচ্ছে। তাই রোগীর চাহিদা পূরণে শিশু হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব চালু করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর দেয়া ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ল্যাবটি প্রস্তুত করা হয়েছে।’ 

শিশু হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুল হক বলেন, ‘দৈনিক ১০০টি নমুনা পরীক্ষার সক্ষমতা নিয়ে ল্যাবটি চালু করা হচ্ছে। তাছাড়া বর্তমানে করোনা ওয়ার্ডে কেবিনসহ ৮৪টি শয্যায় চলছে চিকিৎসা। একই সঙ্গে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের এ হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসায় আছে ৪০টি হাইফ্লো নজোলা ক্যানোলা ও ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার।’  

হাসপাতালের আজীবন সদস্য ম. মাহমুদুর রহমান শাওন বলেন, ‘করোনাকালে শিশু হাসপাতালের রোগীদের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এবার  নতুন করে পিসিআর ল্যাব যাত্রা করছে। আশা করছি, আগামীতে হাসপাতালটি গরীব-অসহায় রোগীদের সেবায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’ 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৫০ শয্যার ১৪ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করে শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এটির সৌন্দর্যবর্ধন কাজ চলছে। কিন্তু করোনাভাইরাস প্রকোপের এ সময়ে  হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটি এখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়। প্রাথমিক পর্যায়ে চালু হয় ‘ফ্লু কর্নার’ এবং সেন্ট্রাল অক্সিজেন সুবিধাসহ প্রি-আইসোলেশন ওয়ার্ড। ফ্লু রোগীদের দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। এখন এ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চলছে পূর্ণ মাত্রায় চিকিৎসা।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর