শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০২১ ২১:০০
প্রিন্ট করুন printer

করোনায় বিশেষ অবদান রেখেছে ইমপেরিয়াল হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

করোনায় বিশেষ অবদান রেখেছে ইমপেরিয়াল হাসপাতাল
Google News

বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ইমপেরিয়াল হাসপাতাল বিশেষ অবদান রেখেছে। সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় রোগীদের উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে ৫০ শয্যার একটি ইউনিট চালু করা হয়। এর মধ্যে ২৫টি ক্রিটিকেল কেয়ার এবং ২৫টি আইসোলেশন কেবিন। এ ইউনিটে চিকিৎসক-নার্স সমন্বয়ে ৭০ জনের একটি টিম সার্বক্ষণিক চিকিৎসায় নিয়োজিত। ইতোমধ্যে হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে ৫ হাজার রোগী ও অন্তঃবিভাগে ৬ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।   

রবিবার দুপুরে হাসপাতালের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এ সব তথ্য জানান। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমপেরিয়াল হাসপাতালের বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স এর সিনিয়র সদস্য এম এ মালেক ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাসপাতালের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ডা. আরিফ উদ্দিন আহমেদ।  

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৯ সালের ১৫ জুন চট্টগ্রাম ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিকমানের ইমপেরিয়াল হাসপাতালের যাত্রা শুরু। হাসপাতালে প্রশিক্ষিত ২০০ জন ডাক্তার ও দক্ষ নার্স সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। করোনা পরিস্থিতিতে ভারতের প্রখ্যাত হার্ট সার্জন ডা. দেবী শেটির প্রতিষ্ঠিত নারায়ানা হেলথের ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান সমন্বয়ে গঠিত ৪০ জনের একটি টিম গত জানুয়ারি থেকে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে ২৬টি ওপেন হার্ট সার্জারি, ২৩৯টি বিভিন্ন রকম প্রসিডিউরসহ বর্হিবিভাগে ৭ হাজারের বেশি রোগীর চিকিৎসা নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে শিশুদের প্রয়োজনের তূলনায় গুণগত মানসম্পন্ন চিকিৎসার প্রচুর ঘাটতি আছে। এ উপলদ্ধিকে সামনে রেখে হাসপাতালে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু রোগ বিভাগ স্থাপন করেছে। এখানে ৪০ জনের টিমে প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। এই ইউনিটে প্রি-মেচিউর (ওজন-৭০০-১০০০ গ্রাম), নবজাতকদের জন্য ১২টি আলাদা শয্যা আছে। দেশে প্রথম নবজাতকদের জন্য ডেডিকেটেড এ্যাম্বুলেন্স, যেখানে ডেডিকেটেড মেডিকেল টিম ডাক্তার, নার্স, ভেন্টিলেটরসহ প্রয়োজনীয় লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে। এই পর্যন্ত ২০০ এর অধিক প্রি-মেচিউর শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এই ইউনিটে ‘নিউবর্ন স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম’ এর মাধ্যমে জন্মগত ত্রুটি যেমন- হৃদযন্ত্র, হরমোন, হাড়জোড়া, চোখ, কানের জন্মগত ত্রুটি নির্ণয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

 

এই বিভাগের আরও খবর