১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:৪৪

স্বাধীনতার পর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম ইউনিটের প্রথম নির্বাচন আগামীকাল

ইমরান এমি, চট্টগ্রাম

স্বাধীনতার পর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম ইউনিটের প্রথম নির্বাচন আগামীকাল

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো নির্বাচন হচ্ছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের। স্বাধীনতার পর থেকে মনোনীত ব্যক্তিরা এ সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন। পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান হিসেবে এর দায়িত্ব পালন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বা প্রশাসক। জেলা পরিষদে এটিএম পেয়ারুল ইসলাম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি নির্বাচনের উদ্যোগ নেন। ফলে দীর্ঘদিন পরে নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার সুযোগ পেয়ে ভোটাররা আনন্দিত । আগামীকাল শনিবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

জানা যায়, জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালটি চট্টগ্রাম জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি প্রতিষ্ঠান। জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান পদাধিকার বলে এই হাসপাতালের সবকিছু দেখাশোনা করেন। চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটে রেড ক্রিসেন্টের আজীবন সদস্য দুই হাজার ৯৬৪ জন এবং বার্ষিক সদস্য ৪৩৪ জন। এরমধ্যে ১৩৪ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি ও কার্যকরী সদস্য পদে ১৩ সদস্য প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন। ভোট প্রদানের সময় অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র, আজীবন সদস্য অথবা বার্ষিক সদস্য কার্ড প্রদর্শন করতে হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের আশেপাশে ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। প্রার্থীরা হাসপাতালের কম্পাউন্ডে এসে ভোট চেয়েছেন। এসব প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে হাসপাতালের উন্নয়নের পাশাপাশি নার্সিং ইনস্টিটিউট, নার্সিং হোস্টেলসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এম. নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এখন স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে কিন্তু জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল এখনও কাগজে কলমে কোনোভাবে চলছে। দুর্নীতির আখড়া হিসেবে এটি পরিচিতি পেয়েছে। তাই আমরা এটাকে পরিবর্তন করে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে চাই। সেবারমান উন্নত ও হয়রানিমুক্ত করতে চাই।

সেক্রেটারি প্রার্থী আবদুল মালেক খান বলেন, হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে একটা সিন্ডিকেট নিজের সম্পত্তি মনে করে ভোগ করে আসছিল। যে যার মতো পরিষদ গঠন করে লুটপাট করেছে। আমরা চাই দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় না থেকে প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর যেন নেতৃত্বের পরিবর্তন হয়। এতে পুরো সোসাইটির সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে। সেবার নাম দিয়ে যে দুর্নীতি হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈষম্য দূর করতে হবে। নির্বাচিত হলে একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করবো। পাশাপাশি নার্সিং ইনস্টিটিউট, ১৪ তলা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন নির্মাণে কাজ করে যাবো।

বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল

এই রকম আরও টপিক

সর্বশেষ খবর