Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ মে, ২০১৯ ১৭:৪৭

লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু সোমবার

অনলাইন ডেস্ক

লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু সোমবার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা থেকে বরিশালসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের বাড়ি ফেরার জন্য লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সোমবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে। আজ রবিবার সদরঘাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব-উল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “লঞ্চ কেবিনের আগাম টিকিট ৩০ শতাংশ অনলাইনে এবং ৭০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট লঞ্চ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত কাউন্টারে বিক্রি করবে।”

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান প্রণয় কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘ঈদের সময় সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে বিআইডব্লিউটিসির পাঁচটি জাহাজ চলাচল করবে। এছাড়া চট্টগ্রাম-হাতিয়া-বরিশাল রুটে তিনটি জাহাজ চলাচল করবে।”

তিনি আরও বলেন, 'আমাদের অগ্রিম টিকিট বলে সে রকম কিছু নেই। যে কোনো সময় যে কেউ এলে জাহাজের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি মূলত বেসরকারি খাতই নিয়ন্ত্রণ করে।’

লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, আগাম টিকিটি বিক্রির তারিখ নির্ধারণের পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অনলাইনে এবং ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে টিকিট বিক্রি শুরু করবে। দীর্ঘ সরকারি ছুটি থাকায় যাত্রীর চাপ বেশি থাকার সম্ভাবনা আছে। তাই ডকে উঠিয়ে রাখা লঞ্চগুলোকেও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ঢাকা নদী বন্দরের (সদরঘাট) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবীর ঈদের তিন-চার দিন আগে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ লোক সদরঘাট দিয়ে নদীপথে গ্রামের বাড়িতে যাবে।

চাহিদা থাকা সাপেক্ষে আগামী ৩০ মে সদরঘাট থেকে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস শুরু হবে জানিয়ে যুগ্ম-পরিচালক আরও বলেন, ‘বর্তমানে বেসরকারি ২১৫টি লঞ্চ আছে। সদরঘাট থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল করে। ঈদে ঘরমুখো মানুষকে স্বাচ্ছন্দে গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আমরা (বিআইডব্লিউটিএ) ৩০ মে থেকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবো। ৩০ মে বৃহস্পতিবার অফিস করে অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে নাড়ির টানে বাড়ি যেতে পারে।’ 

তবে স্পেশাল সার্ভিসে কয়টি লঞ্চ আমরা ব্যবহার করব তা যাত্রীদের চাপের ওপর নির্ভর করছে বলে আলমগীর কবীর উল্লেখ করেন।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য