Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ জুলাই, ২০১৯ ১৩:৫৫
আপডেট : ১৫ জুলাই, ২০১৯ ১৪:৩৪

কুমিল্লায় আদালতের খাস কামরায় ঢুকে ছুরিকাঘাতে আসামিকে হত্যা

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় আদালতের খাস কামরায় ঢুকে ছুরিকাঘাতে আসামিকে হত্যা
ঘাতক হাসান

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের খাস কামারায় ঢুকে ফারুক নামের এক আসামিকে টেবিলের উপর ফেলে ছুরি দিয়ে উপর্যপুরি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক বেগম ফাতেমা ফেরদৌসের আদালতে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহত ফারুক কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কান্দি গ্রামের অহিদ উল্লাহর ছেলে। ঘাতক হাসান কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ভোজপাড়া গ্রামের শহিদ উল্লাহর ছেলে।

মামলার আইনজীবী এপিপি নুরুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের কান্দি গ্রামে হাজী আবদুল করিম হত্যার ঘটনা ঘটে। সোমবার ওই মামলার জামিনে থাকা আসামিদের হাজিরার দিন ধার্য ছিল। বেলা ১১টার দিকে এ মামলার আসামিরা আদালতে প্রবেশের সময় ৪নং আসামি ফারুককে ছুরি নিয়ে তাড়া করে ৮নং আসামি হাসান। এ সময় জীবন বাঁচাতে ফারুক বিচারকের খাস কামরায় প্রবেশ করেন। সেখানে হাসান প্রবেশ করে টেবিলের উপর ফেলে ফারুককে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাকে ওই কক্ষের ফ্লোরে ফেলেও আঘাত করা হয়। আদালতে অন্য একটি মামলার হাজিরা দিতে আসা কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার এএসআই ফিরোজ এগিয়ে গিয়ে হাসানকে আটক করে।

এ সময় আদালত কক্ষে বিচারক, আইনজীবী ও অন্য আসামিদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবাই ভয়ে ছুটাছুটি শুরু করেন। গুরুতর আহত ফারুককে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।    

কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, একই মামলার এক আসামি অন্য আসামিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। আসামিকে আটক করা হয়েছে।

আদালতে থাকা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিচারক বেগম ফাতেমা ফেরদৌস বলেন, আমার সামনে একজন আসামিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হলো। আমার উপরও হামলা হতে পারতো। আমাদের নিরাপত্তা কোথায়?

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য