শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ১৭:৫৮

আইএইচটি’র উপাধ্যক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন প্রধান সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

আইএইচটি’র উপাধ্যক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন প্রধান সহকারী

বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) উপাধ্যক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ধরা পড়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিন। তার বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মহিউদ্দিন।

নগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, গত শনিবার দুপুরে আইএইচটি’র উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈকে কর্মস্থল থেকে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিজের মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা হন প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিন। পথেমধ্যে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন সড়কের সন্মুখে তাদের মোটরসাইকেল থামান গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন একটি দল। পরে মোটরসাইকেলের সিটের নিচ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ৪০ পিস ইয়াবা। 

স্থানীয় লোকজনের সামনে ওই ইয়াবা উদ্ধারের পর উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈ এবং প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিনকে নিয়ে যাওয়া হয় নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে। সেখানে ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেড়িয়ে আসে প্রকৃত রহস্য।

ডিবি’র পরিদর্শক উজ্জল কুমার দে জানান, আইএইচটি’র প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিন নিজে ইয়াবাসেবী এবং বিক্রেতা। শনিবার দুপুরে উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈকে মাইনুদ্দিন নিজেই বাসায় পৌঁছে দেওয়ার আগ্রহ দেখালে উপাধ্যক্ষ তাতে রাজি হন এবং মাইনুদ্দিনের মোটরসাইকেলে বাসার উদ্দেশে রওয়ানা হন। তবে মোটরসাইকেলে থাকা ইয়াবার বিষয়ে উপাধ্যক্ষ কিছুই জানতেন না। 

এ কারণে শনিবার রাতেই উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রধান সহকারী মাইনুদ্দিনকে আসামি করে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মহিউদ্দিন কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার মাইনুদ্দিনকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 
 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর