শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:৪১
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:৫৯

সৈকতের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ, বিচ্ছেদ নিয়ে বিরোধেই রুম্পাকে হত্যা!

আদালত প্রতিবেদক

প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ, বিচ্ছেদ নিয়ে বিরোধেই রুম্পাকে হত্যা!

রাজধানীর স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের ইতি টানতে চেয়েছিলেন তার প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে সৈকত তার সহযোগীদের নিয়ে সিদ্ধেশ্বরীর ওই বাসার ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে রুম্পাকে নিচে ফেলে দেন।

রুম্পার প্রেমিক সৈকতকে আটকের পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এমন সন্দেহ হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)। এ কারণে সৈকতকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার সাতদিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি। আজ রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদের আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করা হয়। এর আগে রুম্পার মরদেহ উদ্ধারের পর তার হত্যার দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর গতকাল রুম্পার প্রেমিক সৈকতকে আটক করে পুলিশ। 

রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির রমনার জোনাল টিমের পরিদর্শক শাহ মো. আকতারুজ্জামান ইলিয়াস ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের বিষয়ে আদালতকে জানান, রুম্পা ও সৈকতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু দিন দিন তাদের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। গত ৪ ডিসেম্বর বিকেলে তারা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বাইরে দেখা করেন। তখন কোনও যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেন সৈকত। রুম্পা বারবার অনুরোধ করলেও সৈকত সম্পর্ক রাখতে রাজি হচ্ছিলেন না। 

তিনি আরও জানান, এ নিয়ে দুজনের মনোমালিন্য ও বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এর জেরে ওই দিন রাত পৌনে ১১টায় সৈকত তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে রুম্পাকে ৬৪/৪ সিদ্ধেশ্বরীর বাড়ির ছাদে নিয়ে যান। একপর্যায়ে রুম্পাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। এটাই প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ কারণে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হচ্ছে।

এরপর স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের (স্নাতক) ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় তার প্রেমিক সৈকতের চার‌দি‌নের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার মে‌ট্রোপ‌লিটন ম্যা‌জি‌স্ট্রেট মো. মামুনুর র‌শিদ এই রিমান্ড মঞ্জুর ক‌রেন।

 

বিডি-প্রতিদিন/ সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

close