শিরোনাম
২৫ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:১২

জীবন বাঁচাতে ও সাজাতে সবক্ষেত্রেই পুলিশের অবদান : ডিএমপি কমিশনার

অনলাইন ডেস্ক

জীবন বাঁচাতে ও সাজাতে সবক্ষেত্রেই পুলিশের অবদান : ডিএমপি কমিশনার

বক্তব্য দিচ্ছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, পুলিশ কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিক জীবনের সর্বত্রই পুলিশের অবস্থান রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশ বাহিনীতে দুই লাখেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। আমরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা মানুষের আইনশৃঙ্খলাজনিত সেবা দিয়ে থাকি। কিন্তু আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, বাংলাদেশ পুলিশের সেবা কেবল আইনশৃঙ্খলার ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, সেটি তারা জাতিকে দেখিয়েছে। সবার আগে দেখিয়েছে ১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চ রাতে। জাতীয়তার পরীক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ সবার আগে পরীক্ষা দিয়ে ভালো রেজাল্ট করে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে পুলিশ চেয়েছিলেন, আজকের বাংলাদেশের পুলিশ সেই অবস্থানে রয়েছে দাবি করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল ২০১৩ সালের ৫ মে। সেটি ডিএমপি কতটা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছিল সেটি দেশবাসী জানে। এরপর করোনাকালীন বিশ্বব্যাপী যে অতিমারি সে সময় বাবা মা সন্তানের লাশ ফেলে চলে গেছে। সেই দায়িত্ব নিয়েছিল পুলিশ। বাড়ি বাড়ি খাবার দিয়েছে পুলিশ, হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে হিট অ্যালার্ট চলছে। স্কুল কলেজ বন্ধ দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় প্রখর রোদের ভেতর ঢাকা শহরের ট্রাফিক পুলিশ কীভাবে কাজ করে তা আমরা সবাই জানি। মানুষের কথা চিন্তা করে শুধু গরম না আরও যদি কোনো দুর্যোগ বিপর্যয় আসে পুলিশ বসে থাকতে পারে না।

তিনি জানান, ডিএমপির ৫০টি থানার বিভিন্ন জায়গায় শ্রমজীবী মানুষের জন্য সুপেয় পানির সরবরাহ করছে ডিএমপি। সেই সঙ্গে স্যালাইন দিয়েছি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধও দেওয়া হচ্ছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশ আমাদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন হয় ঠিক তেমনি জীবন সাজাতে সংস্কৃতির প্রয়োজন হয়। জীবন বাঁচাতে এবং সাজাতে সবক্ষেত্রেই পুলিশের সতর্ক অবদান। সেই প্রতিজ্ঞা নিয়েই পুলিশ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর আয়োজন হচ্ছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আজকে যে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেটি ১৯৮৬ সাল থেকে শুরু হলেও জাতীয় ভিত্তিতে এবারই প্রথম করছি। পুলিশ প্রধানের পৃষ্ঠপোষকতায় আমরা এটি শুরু করছি। এই অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে এসেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। পারফর্মগুলোর বিচারের পাশাপাশি তারা আমাদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেবেন সেটি প্রত্যাশা করি।

বক্তব্য শেষে প্রদীপ জ্বালিয়ে তিন দিনব্যাপী পুলিশ বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এর উদ্বোধন করেন ডিএমপি কমিশনার।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর