শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মার্চ, ২০১৯ ০২:১৫

পাটে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে

-------------- গোলাম দস্তগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাটে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক পণ্য বর্জনের ফলে আমাদের পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদার নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। পাট পণ্যের বহুমুখীকরণে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকবে। গতকাল মতিঝিলের চেম্বার ভবনে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-ডিসিসিআই আয়োজিত ‘পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণ : সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন- ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির পরিচালক রাশেদুল করিম মুন্না, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের চেয়ারম্যান শাহ্ মোহাম্মদ নাছিম, এসিআই এগ্রোবিজনেস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারী প্রমুখ।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী পাট ভালোবাসেন। পাটের জন্য মুক্তিযুদ্ধে হয়েছে। আমাদের পাটের টাকায় গড়ে উঠেছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ইস্যুতে আগামী দিনে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন- জিডিপি প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হতে পারে পাটখাত। এই খাতে মূল্য সংযোজন শতভাগ হওয়াকে প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে পাট ভালো। তাই এখনি পাট নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এর সঙ্গে প্রযুক্তি নির্ভর পাট পণ্য তৈরিতে ঝুঁকতে হবে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, পাটের পণ্য শতভাগ মূল্য সংযোজনের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে থাকে। এ খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে অতিদ্রুত পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ, ‘জুট পেপার অ্যাক্ট’ বৈশ্বিক বাজার বিশ্লেষণ এবং পাটকল পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন।

ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, পৃথিবীর প্রায় ৬০ দেশে বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিবছর ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাট পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। পাট ও পাট পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের জন্য এর বহুমুখীকরণ অত্যন্ত অপরিহার্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পর পাটই অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত, তাই এ খাতের উন্নয়নে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়ন ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার একান্ত আবশ্যক।

ডিসিসিআই পরিচালক রাশেদুল করিম মুন্না বলেন, সারাবিশ্বে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে পাটের উৎপাদন প্রায় ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর