শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জুন, ২০১৯ ২২:৩৭

অযত্নে নষ্ট হচ্ছে জব্দ যানবাহন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

অযত্নে নষ্ট হচ্ছে জব্দ যানবাহন
অযত্নে পড়ে আছে জব্দ করা মোটর সাইকেল -বাংলাদেশ প্রতিদিন

অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকা মোটরসাইকেল, সিএনজিসহ নানা গাড়ি দেখে মনে হবে এটি যেন যানবাহনের ভাগাড়। তবে এসব যানবাহনের কোনো কোনোটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার আলামত। কিন্তু সেই আলামত পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে। ফলে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে। আবার লতাপাতার নিচে চাপা পড়েও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহনগুলো। রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান এলাকায় ড্যাফোডিল হাউসে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পেট্রোল পুলিশ পরিদর্শকের কার্যালয়ের সামনে এভাবেই অবহেলা আর অযতেœ পড়ে আছে মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। পুলিশ বলছে, এটি তাদের ‘ডাম্পিং স্টেশন’। অভিযোগ আছে, রাতের অন্ধকারে এখান থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয় যানবাহনের যন্ত্রাংশ। রাজশাহীর বিভিন্ন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থায়ী জায়গা না থাকায় শুধু আরএমপির ট্রাফিক বিভাগই নয়, জেলা এবং মহানগর এলাকার বিভিন্ন থানাতেও এভাবে খোলা আকাশের নিচে যানবাহন ফেলে রাখা হয়। ফলে গাড়িগুলো নষ্ট হয়ে যায়। অনেক যন্ত্রাংশ হারিয়েও যায়। কিন্তু এসব গাড়ির বেশিরভাগই মামলার আলামত হিসেবে জব্দ। আলামত যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য তারা বার বার পুলিশকে তাগিদ দেন। কিন্তু কোনো মামলারই যানবাহনের মতো আলামত ঠিকঠাক পাওয়া যায় না। আরএমপির ট্রাফিক বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাগজপত্র না থাকার কারণে ট্রাফিক পুলিশ সড়কে যেসব যানবাহন জব্দ করে সেগুলো এনে মহিষবাথানের ওই ডাম্পিং স্টেশনে রাখা হয়। উপযুক্ত কাগজপত্র দেখানোর পর গাড়ির মালিক সেখান থেকে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু কাগজপত্র না থাকার কারণে অনেকেই গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন না দীর্ঘদিনেও। সেগুলোই পড়ে থাকে। এ ছাড়া দুই বছর আগে থেকে বিভিন্ন থানার মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা গাড়িও সেখানে আছে। তবে এখন আর থানাগুলো এখানে গাড়ি রাখে না। ড্যাফোডিল হাউসে দায়িত্বে থাকা পেট্রোল পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, একমাস আগে তিনি ঢাকা থেকে রাজশাহীতে যোগ দিয়েছেন। এখানে এসেই গাড়িগুলোর এমন অবস্থা দেখছেন। তবে চারজন পুলিশ সদস্য এগুলো পাহারায় থাকেন বলে দাবি করেন তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর