শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৮

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন

চমক দেখাতে চায় ইসলামী আন্দোলন

শফিকুল ইসলাম সোহাগ

চমক দেখাতে চায় ইসলামী আন্দোলন

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চমক দেখাতে চায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দুই সিটিতেই মেয়র পদসহ অন্তত ৬০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী দিয়েছে দলটি। দলটির নেতারা মনে করেন, তাদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। আগামী নির্বাচনগুলোতে তাদের ভোট আরও বাড়বে। ঢাকা উত্তরে শেখ ফজলে বারী মাসউদ এবং দক্ষিণে আবদুর রহমানকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তারাই দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন এই দলটির সর্বশেষ ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও খুলনা সিটি নির্বাচনে অবস্থান ছিল তৃতীয়। ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেন, নিরপেক্ষ ভোট অনুষ্ঠিত হলে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা অনেক ভালো করবে। গত কয়েক সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে জানান দিয়েছে।

রাজনীতিতে তেমন আলোচনায় না থেকেও ইসলামী শাসনতন্ত্রে বিশ্বাসী দলের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব বেশ চমকজনক। ২০১৫ সালের ঢাকার দুই সিটির ভোট বেলা ১২টায় বর্জনের ঘোষণার পরও তাদের অবস্থান ছিল তৃতীয়। আগামী ৩০ জানুয়ারির ভোটেও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা বেশ জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র প্রার্থী আবদুর রহমান বলেন, নির্বাচিত হলে প্রধান কাজ হবে সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করা। তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণ, যানজটসহ নাগরিক দুর্ভোগ কমানোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নানা কর্মসূচির কথা বলবে ইশতেহারে। তিনি বলেন, গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। সরকার ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে এই প্রত্যাশা করছি।

শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, সারা বিশ্বে ইভিএমের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশে যে ইভিএম ব্যবহার করা হয় তাতে নানা কারিগরি ত্রুটি রয়েছে। বায়োমেট্রিকস পদ্ধতিতে ভোটারের আঙ্গুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিজের আঙ্গুলের ছাপে ২৫ শতাংশ ভোটারের ভোট দিতে পারেন। এতে ব্যাপক কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত অন্য ধর্মভিত্তিক দলগুলো নির্বাচনে নেই। অনিবন্ধিত দল জামায়াতে ইসলামীও মাঠে নেই। ১৯৮৭ সালে মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর