শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০১:১৮

করোনাভাইরাসের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যে সংকট

এফবিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন ব্যাংকগুলোকে নমনীয় হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যে সংকট

চীনে করোনাভাইরাস আক্রমণের কারণে শিল্পের কাঁচামাল ও পণ্য আমদানি ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বৈদেশিক বাণিজ্যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। গতকাল রাজধানীর মতিঝিল ফেডারেশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সংগঠনের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম ও বর্তমান সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ সংগঠনের নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। ফজলে ফাহিম বলেন, চীন থেকে পণ্য আমদানির জন্য আগে যেসব ঋণপত্র খোলা হয়েছিল সেগুলো জাহাজিকরণ ও দলিলপত্র হাতে পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নতুন ঋণপত্রও খোলা যাচ্ছে না। প্রায় এক মাস ধরে আমদানি প্রক্রিয়া বিঘিœত হওয়ার ফলে ব্যাংকের পেমেন্ট ওভারডিউ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় আমদানি-রপ্তানি কাজ যাতে কোনোক্রমেই বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য ঋণ সহায়তা ও ঋণপত্রের মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, পণ্য আমদানির ঋণপত্র খোলার সময় টাকা পরিশোধের জন্য একটি সময় বেঁধে দেয় ব্যাংক। ওই সময় পেরিয়ে গেলে তাকে বলে ‘পেমেন্ট ওভারডিউ’। এ রকম হলে নতুন পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার সময় ব্যাংক বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেয় অথবা এলসির সুযোগ কমিয়ে দেয়। তিনি বলেন, এ বছর জানুয়ারি মাসে চীন থেকে ৬ দশমিক ৭২ লাখ টন পণ্য এসেছে। অথচ আগের বছর একই মাসে ৮ দশমিক ৫১ লাখ টন এবং ২০১৮ সালে ৮ দশমিক ৯২ লাখ টন পণ্য এসেছিল। যেসব ঋণপত্র খোলা হয়েছে কিন্তু শিপমেন্ট হচ্ছে না, কিংবা সময় লাগছে, তাদের ক্ষেত্রে অন্য কোনো উৎস থেকে আমদানির সুযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সেসব প্রতিষ্ঠানকে এলসি লিমিটের বাইরে স্বল্প মেয়াদি ঋণ দিতে পারে। এলসির টাকা পরিশোধে বিলম্বের কারণে তা যেন ‘ফোর্সড লোন’ হিসেবে গণ্য করা না হয়, সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে ‘নমনীয়’ থাকতে অনুরোধ করেন তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর