শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১৮

ক্ষমতায় গেলে বিএনপি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিচার করবে

------- মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতায় গেলে বিএনপি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিচার করবে
পিলখানা হত্যাকান্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে পিলখানায় নৃশংস হত্যাকান্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে পুনরায় বিচারের উদ্যোগ নেবে বিএনপি। বিডিআর হত্যাকান্ডে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, তারা বলেছেন- এ বিচার সুষ্ঠু হয়নি। এ ঘটনার জন্য সেনাবাহিনী থেকে ওই সময়ে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আজও প্রকাশ করা হয়নি। আমরাও মনে করি, এই বিচার সুষ্ঠু হয়নি। আমরা আবার ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই এর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচারের উদ্যোগ নেব। পিলখানা হত্যাকান্ডের ১১তম বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সকালে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে ওই দিনের ঘটনায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এ সময় কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, কর্নেল (অব.) মো. শাহজাহান, মেজর (অব.) মিজানুর রহমান, মেজর (অব.) সারোয়ার হোসেন, মেজর (অব.) কোহিনুর হোসেন নূর, শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, তৎকালীন বিডিআরের ওই হত্যাকান্ড ছিল ষড়যন্ত্রমূলক। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীর মনোবলকে ভেঙে দিতেই এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে।

আজকে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন, গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে মুক্ত করার শপথ নিতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরে বিদ্রোহ দেখা দেয়। সেই বিদ্রোহে ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাহিনীর সদর দফতরে বিদ্রোহী জওয়ানদের হাতে মারা যান ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহে বেসামরিক ব্যক্তিসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে জওয়ানদের বিদ্রোহ। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহের  প্রেক্ষাপটে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) করা হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর