শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২৩:৩৮

রাজশাহীতে পৌরসভা ভোটের হাওয়া

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান একঝাঁক তরুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর ১৩ পৌরসভায় মাঠ দাপাচ্ছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান একঝাঁক তরুণ। এ বছরের শেষ অথবা আগামী বছরের শুরুর দিকে রাজশাহীর পৌরসভাগুলোতে নির্বাচন হতে পারে। বর্তমান মেয়রদের পাশাপাশি প্রচারণার মাঠে আছেন আওয়ামী লীগের তরুণ নেতারা। দল তাদের ওপর ভরসা রাখবে-এমন প্রত্যাশাও তাদের। রাজশাহীর ১৪ পৌরসভার মধ্যে ১৩টিতে ভোট হবে। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই পৌরসভাগুলোতে নির্বাচন হয়েছিল। এ হিসেবে চলতি বছরের শেষের দিকে নির্বাচন হওয়ার কথা। বাঘা পৌরসভার মেয়াদ শেষ হবে ২০২২ সালে। ফলে সেখানে নির্বাচন হচ্ছে না। রাজশাহী জেলার ১৩ পৌরসভা হলো- তানোর, মুন্ডুমালা, গোদাগাড়ী, কাঁকনহাট, নওহাটা, কাঁটাখালী, কেশরহাট, ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর, চারঘাট, দুর্গাপুর, পুঠিয়া ও আড়ানী। আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে কাঁকনহাটের বর্তমান মেয়র আবদুল মজিদের পাশাপাশি মনোনয়ন চান যুবলীগের সাবেক নেতা আবদুল্লাহ হিল কাফি। নওহাটায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু, গত নির্বাচনে কাঁটাখালী পৌরসভায় মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন তরুণ নেতা আব্বাস আলী। এবারও তিনি মেয়র প্রার্থী। পুঠিয়া পৌরসভায় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সৌরভ, খালেদ হোসেন লালন ও ইব্রাহিম সরকার। চারঘাট পৌরসভায় প্রার্থী হতে চান উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হক ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান মামুন।

আড়ানী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়র মুক্তার আলী, শহীদুজ্জামান শহীদ, মতিউর রহমান মতি এবং রিবন আহম্মেদ বাপ্পী মাঠে আছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন নওহাটা পৌরসভার মেয়র ছিলেন। তাকে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা অনুযায়ী তিনি প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

চারঘাট পৌরসভায় মনোনয়নপ্রত্যাশী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, তরুণরাই আগামীতে দেশকে এগিয়ে নেবে- প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণের দক্ষতা তার আছে। এ কারণে তাকে দল বিবেচনা করবে বলে তিনি আশাবাদী।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, তরুণদের মাঠে থাকাকে তিনি ইতিবাচক হিসেবেই দেখেন। অনেকের প্রত্যাশা থাকে, এতদিন মাঠে কাজ করার পর জনপ্রিয়তা কতটা বাড়ল, জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়ার প্রত্যাশা থেকেও অনেকে মনোনয়ন দাবি করে। কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনের কিছু নিয়ম আছে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়েই আগামীতে দলের প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন দলীয় প্রধান।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর