শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ মে, ২০২১ ২৩:৪০

খুলনায় অপরিকল্পিত উন্নয়ন জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি

টিটিসি, খুলনা কারিগরি, মহিলা কারিগরি, ল্যাবরেটরি স্কুলে হাঁটুপানি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় অপরিকল্পিত উন্নয়ন জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি
Google News

পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে বালু ভরাট ও অবকাঠামো উন্নয়নে খুলনার তেলিগাতিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি), কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহিলা কারিগরি ও সরকারি ল্যাবরেটরি স্কুলের বিভিন্ন স্থানে হাঁটু পানি জমেছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিগ্রহণকৃত জমিতে অপরিকল্পিত বালু ভরাট ও অবকাঠামো উন্নয়নে এ ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। 

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। গতকাল তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. সাদিকুর রহমান খান সরেজমিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করেছেন। খুলনা মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মো. রিয়াজ শরীফ জানান, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ আশপাশের এলাকার ব্যবহার্য পানি প্রতিষ্ঠানের উত্তর দিকের ড্রেন দিয়ে সরকারি খালে নিষ্কাশন হতো। কিন্তু সম্প্রতি কুয়েট ওই জমি অধিগ্রহণের পর বালু ভরাট করলে নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ রেজাউল করিম জানান, এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানে অভ্যন্তরীণ চলাচলের রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে। আবদ্ধ পানিতে মশার বংশ বিস্তারসহ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্ষায় পানি আরও বাড়লে ভবনের নিচের তলায় পানি ঢুকবে। এদিকে কুয়েট ওইসব প্রতিষ্ঠানের দক্ষিণ দিকে কেসিসির ড্রেনের সঙ্গে বিকল্প সংযোগ ড্রেন তৈরির প্রস্তাবনা দিয়েছে। কিন্তু ওই ড্রেন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান ৬-৭ ফুট নিচু হওয়ায় সংযোগ ড্রেন তৈরি করলে উল্টো ড্রেনের পানিতে পুরো এলাকা ছয়লাব হবে। কুয়েটের অবকাঠামো সম্প্রসারণ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. জুলফিকার হোসেন বলেন, অধিগ্রহণকৃত জমিতে বালু ভরাট করা হয়েছে। এতে কিছু প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এ সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট দফতরকে নিয়ে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. সাদিকুর রহমান খান জানান, সরেজমিনে বিষয়টি দেখার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভোগান্তি নিরসন করতে দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর