মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা

তীব্র গ্যাস সংকট ঢাকার উত্তরাংশে

সংকট সৃষ্টি হওয়ায় গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র গ্যাস সংকট ঢাকার উত্তরাংশে

বিবিয়ানা ও জালালাবাদ গ্যাস ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ঢাকার উত্তর অংশ, আশুলিয়া ও সাভার, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর অনেক এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে গতকাল তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিবিয়ানা ও জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে তিতাস অধিভুক্ত ধনুয়া, জয়দেবপুর, সাভার, আশুলিয়া, কোনাবাড়ী, টাঙ্গাইল, এলেঙ্গা, নরসিংদী এবং ঢাকা শহরের উত্তরাংশে গ্যাসের চাপ একেবারেই কমে গেছে। গ্যাস সংকটের কারণে বাসাবাড়ির সংযোগ ছাড়াও এসব এলাকায় থাকা বিপুল সংখ্যক কলকারখানাকে গ্যাস সংকটে ভুগতে হচ্ছে।’ গ্রাহকদের সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে তিতাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

জানা গেছে, উল্লিখিত এলাকার কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই, আবার কোথাও অল্প চাপে গ্যাস পাচ্ছেন গ্রাহকরা। হঠাৎ করে এই সংকট সৃষ্টি হওয়ায় গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। গতকাল বিকাল নাগাদ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরো পরিস্থিতি কখন ঠিক হবে- তা অনিশ্চিত।

তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী ইকবাল মো. নুরুল্লাহ বলেন, ‘শেভরন কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে আলাপ করেই তাদের দুটি গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা ও জালালাবাদের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করেছে। এখন আমরা বিবিয়ানা থেকে কিছু গ্যাস পাচ্ছি। বিকালের দিকে গ্যাসের চাপ আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে শেভরন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। জালালাবাদ থেকে আপাতত বন্ধ আছে। বিকালে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ যদি শেষ হয় তাহলে গ্যাস পাওয়া যাবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যানুযায়ী, সাধারণত বিবিয়ানা থেকে গড়ে ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায়, আর জালালাবাদ থেকে পাওয়া যায় ২০০-২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিবিয়ানা থেকে এখন পাওয়া যাচ্ছে গড়ে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। জালালাবাদ থেকে গ্যাস একেবারেই বন্ধ আছে। জালালাবাদে ঈদের সময় থেকেই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। তিতাসের মোট গড় চাহিদা ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস। এর মধ্যে ১ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস পাচ্ছে তিতাস। ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি আছে।

সর্বশেষ খবর