শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ মার্চ, ২০২০ ১৯:২২

নতুন গবেষণা

বনরুই'র মাংস খাওয়ায় চীনাদের শরীরে করোনা ছড়ানোর শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

বনরুই'র মাংস খাওয়ায় চীনাদের শরীরে করোনা ছড়ানোর শঙ্কা

গোটা বিশ্বে এখন শিরোনামে একটাই খবর। ভাইরাস, মৃত্যু, লকডাউন। এক প্রাণঘাতি রোগের সঙ্গে একসঙ্গে লড়াই করছে গোটা পৃথিবী। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই ভাইরাস। একের পর এক গবেষণায় উঠে আসছে নানা তথ্য। 

তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন প্রশ্ন। এমনকি চীনের ল্যাবরেটরিতে এই ভাইরাস জৈব অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হচ্ছিল এমন অনুমান প্রকাশ করেছেন অনেকে।

গত প্রায় ৪-৫ মাস ধরে এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই চলছে। বর্তমানে গোটা বিশ্বে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এবার সামনে হলো আরও এক নতুন তথ্য। বনরুই থেকে ছড়িয়ে থাকতে পারে এই ভাইরাস। চীনে বিক্রি করা হয় এই বনরুই। একে খাবার হিসেবেও খাওয়া হয় আবার ওষুধ তৈরির কাজে লাগে। এই প্রাণির শরীরে করোনা জাতীয় একটি ভাইরাস থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এর আগে বাদুড়কে করোনাভাইরাসের বাহক হিসেবে সন্দেহ করা হয়েছিল। অনেক গবেষক মনে করেন, বাদুড় ও অন্য কোন প্রাণির মাধ্যমেই মানুষের শরীরে ঢুকেছে এই ভাইরাস।

যুক্তরাজ্যের ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্র। সেখানে বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে পশু পাখির বাজারে বিক্রি করা বন্ধ করতে হবে, তবেই ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা কমবে।

আগামী দিনে চীন ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বনরুই'র উপর বিশেষ নজরদারি চালাবে বিজ্ঞানীরা। বনরুই থেকে কিভাবে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বা আগামী দিনে তার থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। এরা করোনার মত একটি ভাইরাস বহন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
 
বিশ্ব থেকে বনরুই বিলুপ্তির দিকে চলে যেতে পারে। এই প্রাণিটি অনেক বেশি মাত্রায় চোরাই হয়। বনরুই'র আঁশ থেকে ওষুধ তৈরি করে চীনারা। বনরুইয়ের মাংস খায় সে দেশের মানুষ।

কখনও দাবি উঠেছে, এই ভাইরাস ছড়িয়েছে সাপ থেকে, আবার কেউ বলেছেন বাদুড় থেকে। 

ইসরায়েলের গোয়েন্দা বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তার দাবি, গোপন অস্ত্র গবেষণাগার থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে চীনে। যদিও চীনের পক্ষ থেকে এই জীবাণু অস্ত্র গবেষণার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে মামলাও হয়েছে। যদিও চীন বারবার দাবি করেছে, যে এই ভাইরাস তৈরি করা বা ছড়ানোর পিছনে তাদের কোনো হাত নেই।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য