২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৫:২৫

কিশোরগঞ্জে নতুন শনাক্ত ৩৩, মৃত্যু ১

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে নতুন শনাক্ত ৩৩, মৃত্যু ১

প্রতীকী ছবি

কিশোরগঞ্জে নতুন করে (বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত) ৩৩ জনের করোনা শনাক্ত এবং ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ হাজার ৬৪৯ জনে এবং মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২১০। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ১০ জন, হোসেনপুরে ১, করিমগঞ্জে ৪,  কটিয়াদীতে ৫, ভৈরবে ১১ ও অষ্টগ্রামে ২ জন রয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান বুধবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান ৩১ আগস্ট (আংশিক) কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটি পিসিআর ল্যাব হতে (প্রি আইসোলেশনে ভর্তিকৃত জরুরী রোগীসহ) ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এদিকে ৩১ আগস্ট বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটি-পিসিআর ল্যাবে ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় কারও করোনা শনাক্ত হয়নি। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন, কিশোরগঞ্জ বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে ২, হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৩, করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ ও কিশোরগঞ্জ মেডিল্যাব হেলথ সেন্টারে মোট ৮ জনসহ মোট ৪৭ জনের রেপিড এন্টিজেন ও জিন এক্সপার্ট টেস্টে ৯ জনের করোনার উপসর্গ পাওয়া গেছে।

এদিকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১১ জন, সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ জন এবং আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন। করোনায় এ হাসপাতালে মারা গেছেন ১ জন। কটিয়াদী উপজেলার ৫০ বছর বয়সী একজন নারী গত মঙ্গলবার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। 

সিভিল সার্জন আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮২ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৯ হাজার ৭০৩ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে জেলায় সর্বেমোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৫১৯ জন, হোসেনপুরে ৩৫ জন, করিমগঞ্জে ৮ জন, তাড়াইলে ৬ জন, পাকুন্দিয়ায় ২৪২ জন, কটিয়াদীতে ৩১৬ জন, কুলিয়ারচরে ২০ জন, ভৈরবে ৩৭৪ জন, নিকলীতে ৩৮ জন, বাজিতপুরে ৯০ জন, ইটনায় ১২ জন, মিঠামইনে ৪ জন ও অষ্টগ্রামে ৭২ জন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে/ আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৭০০ জন। আর হাসপাতাল আইসোলেশনে রয়েছেন ৩৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ১ হাজার ৬১৪ জন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৫ লাখ ১৮ হাজার ৩১২ জন। ২৪ ঘণ্টায় সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৮২৬ জনকে। একই সময়ে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৮২ জনকে। গত ১৯ জুন থেকে এ পর্যন্ত সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৪৮৯ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৬৯ জন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৬৭ জন এবং মোট দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৯ হাজার ৫৩১ জন।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

এই বিভাগের আরও খবর