Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ মার্চ, ২০১৯ ১৫:০০
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০১৯ ১৫:০৪

হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার'র বাছাই পর্ব শেষ

অনলাইন ডেস্ক

হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার'র বাছাই পর্ব শেষ

হুয়াওয়ে সম্প্রতি পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশে তাদের সবচেয়ে বড় সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ প্রতিযোগিতা শুরু করেছিল। এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোট ১০ জন আইসিটি মেধাবী শিক্ষার্থী চূড়ান্ত করেছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ।

বাছাই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে এবার যে ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয় সেগুলো হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সিনিয়র শিক এবং হুয়াওয়ের বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে পৃথক পৃথক বিচারক প্যানেল গঠন করা হয়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই জন করে মোট ১০ জন শিক্ষার্থীকে বাছাই করেন প্যানেল সদস্যরা। হুয়াওয়ে আগামী এপ্রিলের ২য় সপ্তাহে বাংলাদেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাইকৃত এই ১০ জন শিার্থীকে চীনে অবস্থিত হুয়াওয়ের হেডকোয়ার্টারে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ দিতে নিয়ে যাবে।

জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১০৮টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। বিশ্বের ৩৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৬০০ জন শিক্ষার্থীকে চীনের শেনজেন-এ হুয়াওয়ের হেডকোয়ার্টারে শিক্ষা সফরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় ২০১৪ সাল থেকে।

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং জেংজুন এই বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশ থেকে যে ১০ জন শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়েছে তাদের মেধা দেখে আমি খুবই উল্লসিত। এ জন্য তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এ দেশে আইসিটি মেধাবীদের জন্য সিডস ফর দ্য ফিউচারের মতো প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। মূলত আইসিটি বিষয়ে দক্ষ বাড়াতে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির হাতে কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এবং চীনের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিতেই এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের চীনে নিয়ে যাওয়া হবে, যা তাদেরকে বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক চাকরিক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। আমি বিশ্বাস করি, এসব মেধাবী শিক্ষার্থীরা সামনে এগিয়ে যাবে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য