শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩০
প্রিন্ট করুন printer

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তর এগিয়ে নিতে চায় হুয়াওয়ে

অনলাইন ডেস্ক

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তর এগিয়ে নিতে চায় হুয়াওয়ে

হুয়াওয়ে মোবাইল সার্ভিসেস (এইচএমএস) –এর ডেভেলপার এবং অংশীদারদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে হুয়াওয়ে সিঙ্গাপুরে এশিয়া প্যাসিফিকে প্রথম ডিজিক্স ল্যাব চালু করেছে। একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ টেক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে এবং এই অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে হুয়াওয়ের অনেকগুলো পদক্ষেপের একটি হিসেবে এই ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এমডব্লিউসি সাংহাই ২০২১ চলাকালীন হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে চেন  আজ গণমাধ্যমকে এ কথা জানান। 

এআর, ভিআর, এইচএমএস কোর কিটস এবং অন্যান্য উন্মুক্ত দক্ষ প্রযুক্তিতে সজ্জিত ল্যাবটি তাদের মোবাইল অ্যাপ বিকাশের যাত্রায় সকল স্তরের ডেভেলপারদের সহযোগিতার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

জে চেন মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সাংহাই (এমডব্লিউসিএস) চলাকালীন এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ‘প্রযুক্তিগত বুদ্ধিমত্তার এই সময়ে হুয়াওয়ের লক্ষ্য এইচএমএস-এর মাধ্যমে একটি ‘১+৮+এন’ সার্বিক মোবাইল ইকোসিস্টেম নির্মাণ করা, যা ডেভেলপারদের তাদের ব্যবসা দাঁড় করানোর সাথে সাথে উদ্ভাবনে সক্ষম করে তোলে। ডিজিটাল স্পেসের ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন ও অগ্রগতির জন্য ডিজিক্স ল্যাব ডেভেলপারদের অ্যাপ তৈরির প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি এবং এগুলো তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।’ 

ডিজিক্স ল্যাব চালু করার পাশাপাশি হুয়াওয়ে এই অঞ্চলের মোবাইল ইকোসিস্টেমের উন্নয়নে হুয়াওয়ে অ্যাপ গ্যালারিতে স্থানীয় চাহিদা অনুসারে আরও অ্যাপ নিয়ে আসবে। 

অন্যদিকে, গ্লোবালডেটার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ফাইভজি সাবস্ক্রিপশনের ৬৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১.১৪ বিলিয়ন গ্রাহক থাকবে এশিয়া প্যাসিফিকে এবং ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে এশিয়া প্যাসিফিক সারাবিশ্বে শীর্ষস্থানীয় অঞ্চল বলে গণ্য হবে। তাই গ্রাহকদের সাথে যৌথ উদ্ভাবন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, হুয়াওয়ে ফাইভজি-টু-বি ব্যবহার বৃদ্ধি করতে ফাইভজি যোগাযোগ এবং এ খাতের মানদণ্ড এই দুটো সমন্বয়ের পেছনে কাজ করছে।  

ফাইভজি ইকোসিস্টেম তৈরিতে হুয়াওয়ে ব্যাংককে ফাইভজি ইকোসিস্টেম ইনোভেশন সেন্টারকে (ইআইসি) সহযোগিতা করার জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ কমার্কিন ডলা্র বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তিন বছরের মধ্যে বিভিন্ন ভারটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া প্যাসিফিকের দেশগুলোয় প্রতি বছর ১০০টিরও বেশি স্থানীয় এসএমই এবং স্টার্টআপকে ফাইভজি সমাধান গ্রহণে উৎসাহিত করতে বদ্ধপরিকর।  
স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক ফাইভজি, মেশিন লার্নিং অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স, আইওটি, মোবাইল এজ কম্পিউটিং এবং মোবাইল অ্যান্ড এসএএএস অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত স্টার্টআপগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য ২০২০ সালে সিঙ্গাপুরে এর ‘স্পার্ক’ প্রোগ্রাম শুরু করে। প্রোগ্রামটিতে ৭৫টি দেশের পাঁচশো’র অধিক স্টার্টআপ অংশগ্রহণ করে।

ডিজিটাল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের ফলে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে আইসিটি প্রতিভার ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে। হুয়াওয়ে একাডেমি, আইসিটি সার্টিফিকেশন এবং সিডস ফর দ্য ফিউচারের মতো প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে হুয়াওয়ে আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে ২০০,০০০ আইসিটি প্রতিভাবানদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করবে।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর