শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫৮, মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ১৮:১১, মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

যেভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী অটো ইনস্যুরেন্স নেবেন

বিজ্ঞাপন বার্তা
অনলাইন ভার্সন
যেভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী অটো ইনস্যুরেন্স নেবেন

গাড়ি এখন শুধু বিলাস নয়, অনেকের জন্য এটা প্রয়োজন। প্রতিদিন অফিসে যাওয়া-আসা, বাচ্চাদের স্কুলে দিতে যাওয়া, কিংবা ঘুরতে যাওয়ার সময় আমরা গাড়ির ওপর ভরসা করি। কিন্তু রাস্তায় গাড়ি চালানো মানে কিছুটা ঝুঁকি থাকেই, যেমন দুর্ঘটনা, চুরি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা হঠাৎ কোনো ক্ষতি। এই সব পরিস্থিতিতে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো একটি ভালো অটো ইন্স্যুরেন্স পলিসি নেওয়া।

তবে সমস্যা হলো, পলিসির ধরন, কভারেজ, প্রিমিয়াম এসব এতটাই বিভ্রান্তিকর যে সঠিকটা বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। এই কারণেই www.acko.com-এর মতো তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অটো ইন্স্যুরেন্স সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা করা যেতে পারে। এছাড়াও এই ব্লগে কীভাবে নিজের চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত অটো ইন্স্যুরেন্স পলিসি বেছে নেবেন তা আলোচনা করা হবে।

সঠিক অটো ইন্সুরেন্স বেঁচে নেওয়ার কয়েক ধাপ 

নিজের প্রয়োজন বোঝা 
সঠিক অটো ইন্স্যুরেন্স বেছে নেওয়ার প্রথম ধাপ হলো নিজের চাহিদা বোঝা। অনেকেই ভাবেন, যেকোনো একটা পলিসি নিলেই হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সবার পরিস্থিতি একরকম নয়।
প্রথমে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করুন:
আপনি কোন ধরনের গাড়ি ব্যবহার করেন? ব্যক্তিগত, নাকি বাণিজ্যিক কাজে (যেমন: ট্যাক্সি)?
আপনার গাড়িটি কত বছরের পুরনো?
প্রতিদিন কত কিলোমিটার চালানো হয়?
আপনি মূলত শহরের ভেতরে চালান, নাকি হাইওয়ে বা গ্রামের কাঁচা রাস্তায়ও যান?
আপনার এলাকায় গাড়ি চুরির প্রবণতা বেশি কি না?

যদি আপনি পুরনো গাড়ি ব্যবহার করেন, তাহলে হয়তো অতিরিক্ত কভারেজ দরকার নেই। কিন্তু নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে মেরামতের খরচ অনেক বেশি হতে পারে, তাই ঠিকঠাক পলিসি দরকার হতে পারে। একজন নিয়মিত হাইওয়েতে যাত্রী পরিবহন করেন, তার ঝুঁকি অনেক বেশি। আবার যিনি শুধু ছুটির দিনে ড্রাইভে যান, তার ঝুঁকি কম। এই পার্থক্য বুঝে তবেই পলিসি বাছাই করা উচিত।

শুধু প্রিমিয়াম নয় কভারেজ দেখা উচিত 
সঠিক অটো ইন্স্যুরেন্স পলিসি বেছে নিতে গেলে শুধু প্রিমিয়ামের পরিমাণ নয়, তার কভারেজ এবং সার্ভিসের মানও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক সময় আমরা কম প্রিমিয়ামের পলিসি দেখে আকৃষ্ট হই, কিন্তু পলিসির কভারেজ ও সুবিধাগুলোর দিকে নজর দেওয়া আরও দরকার।
ধরুন, আপনি একটি পলিসি নিচ্ছেন যা আপনার বাজেটের মধ্যে পড়ে। সেটি অবশ্যই ভালো, তবে আপনি যদি তার সাথে কিছু প্রয়োজনীয় কভারেজও পান, যেমন দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, চুরি কভারেজ, বা জরুরি সময়ে সাহায্য, তাহলে সেটি আরও কার্যকর হয়ে ওঠে। তাই পলিসি নেওয়ার সময় এগুলো দেখে নিন:
আপনার বাজেটের সঙ্গে মানানসই কিনা ?
আপনার গাড়ির ঝুঁকি অনুযায়ী সঠিক পলিসি কোনটি?

কোম্পানির পরিষেবা দ্রুত ও সহজ কি না? 
এভাবে আপনি প্রিমিয়াম ও কভারেজের মধ্যে একটি  ভারসাম্য রেখে সঠিক অটো ইন্সুরেন্স বেঁচে নিতে পারবেন।

ইন্সুরেন্স এর ধরন 
অনেকে জানেন না যে অটো ইন্স্যুরেন্সেরও বিভিন্ন ধরন রয়েছে। সাধারণভাবে দুটি প্রধান ধরনের পলিসি দেখা যায়:
থার্ড পার্টি ইন্সুরেন্স অর্থাৎ যদি গাড়িটি অন্যের হয় এবং ব্যক্তি বা সস্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে এই ইন্সুরেন্স সেটা কভার করেন। 
কম্প্রিহেনসিভ ইন্সুরেন্স অর্থাৎ দুর্ঘটনা, চুরি, আগুন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। এর প্রিমিয়াম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হলেও, এটি অনেক বেশি নিশ্চিন্তি দেয়।
যাদের নতুন গাড়ি, নিয়মিত চালান এবং এলাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বা গাড়ি চুরির প্রবণতা বেশি তাদের জন্য কম্প্রিহেনসিভ ইন্সুরেন্স একদম সঠিক।

বিভিন্ন কোম্পানির পলিসির তুলনা
সঠিক অটো ইন্স্যুরেন্স বেছে নেওয়ার জন্য আর একটি  গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিভিন্ন কোম্পানির পলিসি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা। কারণ প্রতিটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রিমিয়াম, কভারেজ এবং নীতিতে কিছু না কিছু পার্থক্য থাকে।

এখন অনেক সুবিধাজনক মাধ্যম আছে, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন পলিসির তুলনা করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে সাধারণত প্রিমিয়াম রেট, গ্রাহক রেটিং এবং রিভিউ একসঙ্গে পাওয়া যায়। তুলনা করার মাধ্যমে আপনি নিজের জন্য এমন একটি ইন্স্যুরেন্স বেছে নিতে পারবেন, যেটি কেবল খরচ সাশ্রয়ী নয়, বরং প্রয়োজনের সময় নির্ভরযোগ্য সহায়তা দিতেও প্রস্তুত।

অতিরিক্ত সুবিধা যোগ করা 
অতিরিক্ত সুবিধা (Add-ons) হলো এমন কিছু বাড়তি কভারেজ, যেগুলো আপনি আপনার মূল অটো ইন্স্যুরেন্স পলিসির সঙ্গে যোগ করতে পারেন। যদিও এসব সুবিধার জন্য কিছু বাড়তি টাকা দিতে হয়, তবে সেগুলো অনেক সময় খুবই কার্যকর হয়ে ওঠে।

জিরো ডিপ্রিশিয়েশন কভার, সাধারণভাবে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গাড়ির যন্ত্রাংশের বয়স অনুযায়ী কিছু টাকা কেটে দেয়, কিন্তু এই কভার থাকলে তারা পুরো ক্ষতিপূরণ দেয়।
ইঞ্জিন প্রটেকশন কভার, বর্ষাকালে যদি গাড়ির ইঞ্জিনে জল ঢুকে ক্ষতি হয়, এই কভার সেটি মেরামতের খরচ বহন করে। অনেকেই জানেন না, সাধারণ কম্প্রেহেনসিভ পলিসিতে এসব কভার হয় না।

নো-ক্লেইম বোনাস (NCB), যদি আপনি এক বছর কোনো ক্লেইম না করেন, তাহলে পরের বছর প্রিমিয়ামে ছাড় পান। এই অ্যাড-অন থাকলে, আপনি ছোটখাটো ক্লেইম করলেও সেই ছাড় ধরে রাখতে পারবেন।

এই অ্যাড-অন সুবিধাগুলো আপনার ইন্স্যুরেন্স পলিসিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে বিশেষ করে যদি আপনি নিয়মিত গাড়ি চালান, তাহলে এই অতিরিক্ত কভারেজগুলো আপনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হতে পারে।

ক্লেইম প্রসেস কতটা সহজ
ইন্স্যুরেন্সের মূল লক্ষ্যই হলো, দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ পাওয়া। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, কোম্পানি ক্লেইম প্রসেসে এত জটিলতা তৈরি করে যে গ্রাহক বিরক্ত হয়ে যান।

কী বিষয়গুলো দেখা উচিত?
অনলাইন ক্লেইম সিস্টেম আছে কি না?
কোম্পানির ক্লেইম সেটেলমেন্ট রেট (CSR) কেমন?
কতদিনে ক্লেইম মঞ্জুর হয়?
প্রয়োজন হলে কি ২৪/৭ হেল্পলাইন আছে?
যতটা সম্ভব সহজ, ডিজিটাল ও কাগজপত্র কম এমন কোম্পানি বেছে নিন। প্রয়োজনে আগেই রিভিউ পড়ে নিন।

সঠিক IDV (Insured Declared Value) বেছে নিন
IDV অর্থাৎ গাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য, যা আপনার ইন্স্যুরেন্স কভারেজ নির্ধারণ করে। অনেকেই প্রিমিয়াম কমাতে IDV কমিয়ে দেন, কিন্তু এতে দুর্ঘটনার সময় ক্ষতিপূরণও কমে যায়। আবার খুব বেশি IDV দিলে প্রিমিয়াম অযথা বেড়ে যায়। তাই এমন IDV ঠিক করুন, যা বাস্তবের কাছাকাছি এবং গাড়ির বয়স, অবস্থা ও বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত। সঠিক IDV আপনাকে যথাযথ কভারেজ ও প্রিমিয়ামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পলিসি রিনিউ এর সময় বিবেচনা 
পলিসি রিনিউ করার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। প্রথমেই দেখুন, কোম্পানি নতুন কোনো অফার দিচ্ছে কি না। অনেক সময় রিনিউয়ের সময় প্রিমিয়ামে ছাড় বা অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়।

এরপর নিশ্চিত হন যে আপনার নো-ক্লেইম বোনাস (NCB) ঠিকভাবে ট্রান্সফার হয়েছে কি না। এই ছাড় ভবিষ্যতের প্রিমিয়াম কমাতে সাহায্য করে। পুরোনো পলিসি রিনিউ না করে চাইলে নতুন কোম্পানিতে শিফট করতে পারেন। তবে সময়মতো রিনিউ না করলে Continuity Break হয়ে যেতে পারে, যা NCB হারানোর ঝুঁকি তৈরি করে।

সঠিক অটো ইন্স্যুরেন্স পলিসি নেওয়া শুধু আইন মানার বিষয় নয়, বরং এটি আপনার এবং আপনার পরিবারের নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাস্তায় দুর্ঘটনা, গাড়ি ক্ষতি বা চুরির মতো ঘটনা হঠাৎ করেই ঘটতে পারে। তাই আগে থেকেই যদি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত পলিসি বেছে নেন, তাহলে ভবিষ্যতের অনেক বড় আর্থিক ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের বড় ক্ষতি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে।

বিডি প্রতিদিন/মুসা/বিজ্ঞাপন বার্তা

এই বিভাগের আরও খবর
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে এশিয়াটিকের ২১ পুরস্কার
ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে এশিয়াটিকের ২১ পুরস্কার
বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে রাজধানীতে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের র‍্যালি
বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে রাজধানীতে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের র‍্যালি
কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু
বর্ষাতেও স্টাইল হোক স্বাচ্ছন্দ্যে
বর্ষাতেও স্টাইল হোক স্বাচ্ছন্দ্যে
মেডিপ্যাক টেকনোলজিস-অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের আয়োজনে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে
মেডিপ্যাক টেকনোলজিস-অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের আয়োজনে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে
বিশ্বকাপের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেবে বাংলালিংক
বিশ্বকাপের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেবে বাংলালিংক
প্রাইম ব্যাংক ও গ্রান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র মধ্যে চুক্তি সই
প্রাইম ব্যাংক ও গ্রান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র মধ্যে চুক্তি সই
ইউসিবির আয়োজনে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
ইউসিবির আয়োজনে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
সর্বশেষ খবর
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

এই মাত্র | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী
মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী

৯ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা

১০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি
ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা
‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

২৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি
২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু
চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু

৩৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে
শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো
সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে
মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান
শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার
গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা
অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত
বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’
‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক