শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৬:৫৬

ঠাকুরগাঁওয়ে মাল্টা চাষে সফল চাষিরা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে মাল্টা চাষে সফল চাষিরা

ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলা আউলিয়ারপুর ইউনিয়নের একটি গ্রাম কচুবাড়ি। সেখানে সারি সারি গাছে থোকা থোকা মাল্টা ঝুলছে। একেকটি গাছে ৭০টি থেকে ১০০টি পর্যন্ত। কোনোটিতে তার চেয়েও বেশি। ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে অনেক গাছ।

জানা যায়, কচুবাড়ি গ্রামের শাহাদাত হোসেন লিপু পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি গত বছর থেকে বাগানের তিন-চতুর্থাংশ জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেন। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে কিছু মাল্টা বিক্রিও করেন। ওই ফল খেতে সুস্বাদু হওয়ায় তিনি সে বছর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আরও দুই একর জমিতে মাল্টার নতুন বাগান করেন। 

শাহাদাত হোসেনের এমন আগ্রহ দেখে জেলা কৃষি বিভাগ তাকে মাল্টা-কমলা চাষের প্রশিক্ষণ দেয়। প্রশিক্ষণ শেষে বারি মাল্টা-১ জাতের ৭৫টি, ৫টি কমলা লেবু, ২০টি কলম্ব লেবু, ১০টি বাতাবি লেবু চারা দেয়। পরে তিনি চারাগুলো তার দুই বিঘা জমিতে রোপণ করেন। এরপর শুরু হয় পরিচর্যা।

শুধু শাহাদাত হোসেনেই নন, এলাকার শতাধিক চাষি মাল্টা চাষ করছেন। মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন স্থানীয় যুবকেরা। 

শাহাদাত হোসেন লিপু বলেন, বাগানে মানবদেহে ক্ষতিকারক রাসায়নিক কীটনাশক বা সার ব্যবহার করি না। ভেষজ কীটনাশক তৈরি করে পোকামাকড় দমন করি। আমরা যারা মাল্টা চাষ করেছি, তারা এখনো বাজার সৃষ্টি করতে পারিনি। তাই এলাকার লোকজনের কাছেই প্রতি কেজি মাল্টা ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করছি। 

সদর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল মাসে বারি মাল্টা-১ গাছে ফুল আসে। আগস্ট- সেপ্টেম্বর মাসে ফল পাকে। ৫-৬টা মাল্টা ওজনে এক কেজি হয়।  ঠিকভাবে পরিচর্যা করলে একটি পরিণত গাছে গড়ে ১৫০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৪৫ দশমিক ৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা-কমলা আবাদ হচ্ছে। 

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর