শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৯
প্রিন্ট করুন printer

শান্তিনগরে ‘অশান্তি’ সড়কে টিনের বেড়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:

শান্তিনগরে ‘অশান্তি’ সড়কে টিনের বেড়া!

শান্তিনগর। বগুড়ার শেরপুর পৌরশহরের একটি পাড়া বা মহল্লার নাম। ছয় নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত ওই পাড়াটিতে দুই শতাধিক পরিবারের বাস। কিন্তু তাদের চলাচলের সড়কে টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে ‘অশান্তি’ সৃষ্টি করেছেন বোরহান উদ্দিন সুলতান নামের এক প্রভাবশালী। তার দাবি, এটি কোনো পৌরসভার সড়ক নয়। সড়কের জায়গা তার বাবার। তাই দখলে নিতে টিনের বেড়া দিয়েছেন।

এদিকে দুইদিন ধরে ওই সড়কটি বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি তৈরী হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যা যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শান্তিনগর মানুষের চলাচলের জন্য তৈরী করা হয়েছে ছয় ফুট প্রসস্ত সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি দিয়েই যাতায়াত করে আসছেন এই মহল্লার বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে পৌরসভার পক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে ইটের সোলিং করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) একই এলাকার মাহবুবার রহমানের ছেলে বোরহান উদ্দিন সুলতান মানুষের চলাচলের ওই সড়কটির মুখে টিনের বেড়া দেন। এতে করে চলাচল করতে পারছেন না  পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনকি চার থেকে পাঁচটি পরিবার প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

এসময় কথা হয় ওই মহল্লার প্রধান মুনসী সাইফুল বারী ডাবলুর সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রায় তিন যুগ আগে (ছত্রিশ বছর) এই সড়কটি নির্মিত হয়। এরপর থেকে এলাকার সবাই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। নির্বিঘ্নেই চলাচল করছেন তাঁরা। কিন্তু সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মানুষের চলাচলের সড়কের মুখে টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এহেন কর্মকাণ্ডে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। আব্দুল হাকিম, মোমিনুল ইসলামসহ একাধিক বাসিন্দা বলেন, তাদের চলাচলের সড়ক বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি জায়গাও দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বোরহান উদ্দিন সুলতান নামের ওই ব্যক্তি। বিষয়টি তারা পৌরসভার মেয়র ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে জানিয়েছেন।

পরে পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধসহ সড়কে টিনের বেড়া অপসারণের নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু কে শোনে কার কথা। পৌর কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙলি দেখিয়ে প্রভাবশালী বোরহান উদ্দীন সুলতান অদ্যবধি টিনের বেড়া অপসারণ করেননি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বোরহান উদ্দীন সুলতান বলেন, ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জায়গায় তিনি বাড়ি নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করেছেন। এখানে পৌরসভার কোনো সড়ক নেই। সব তাদের বাপ-চাচাদের ব্যক্তিগত জায়গা। তাই সড়কের জায়গা দখলে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না বলে দাবি করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর পৌরসভার মেয়র জানে আলম খোকা বলেন, তার নবগঠিত পরিষদ কোনো নকশা অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে জানা নেই। তবে মানুষ চলাচল করে-এমন কোনো সড়ক বন্ধ করে দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনী। আর পৌরসভার সড়ক বন্ধ করে দেওয়ার তো কোনো সুযোগই নেই। শান্তিনগর মহল্লার ওই সড়কটি টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাটি জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেখানে পাঠিয়ে সড়কের বেড়া অপসারণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নামে অর্থ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার স্বজনপ্রীতি ও অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কারণে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তারা।

লিখিত অভিযোগ ও মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, তালিকা থেকে বাদ পড়া অনলাইনে আবেদনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ১০২ নম্বর স্মারকে শরণখোলায় পত্র প্রেরণ করে। উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফজাল হোসাইন, সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ও সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক খান গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করেন।

বাছাই কমিটি ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা ও উপস্থিত সম্মুখযোদ্ধাদের সাক্ষী এবং সকলে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেন। কিন্তু ওই খসড়া তালিকা বাদ রেখে বাছাই কমিটি গোপনে ৩৪ জন অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করে ৫৩ জনের নামের তালিকা জামুকায় প্রেরণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন বাদশা, হারুন অর রশিদ খান, আ. মালেক জোমাদ্দার, আবু জাফর জব্বার, ইউসুফ আলী হাওলাদার জানান, যাচাই-বাছাই কমিটির দুজন সদস্য অনলাইনে আবেদনকারী দেড় শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্তির নামে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।

এসময় উপস্থিত অনলাইনে আবেদনকারী সুনিল শিকারী জানান, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির কথা বলে এক লাখ টাকা নিয়েও তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মালেক মীর, আব্দুল হালিম হাওলাদার, আব্দুল খালেক হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওরাদার ও ইউসুফ মুন্সি জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে যে ৫৩ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তার ৩৪ জনই অমুক্তিযোদ্ধা এবং এর মধ্যে কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীও রয়েছে। এমনকি এক নম্বর গেজেটের যাচাই-বাছাই করতেও ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

জানতে চাইলে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, কমিটিতে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপস্থিত সাক্ষীদের মতামতের ভিত্তিতে তালিকা করে জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাছাই কমিটির সভাপতি এম আফজাল হোসাইন ও সদস্য এম এ খালেক খান অর্থ বাণিজ্যের কথা অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীদের নিয়ে ৫৩ জনের তালিকা করা হয়েছে। তাদের স্বার্থহানী ঘটায় এখন আমাদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫২
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০১
প্রিন্ট করুন printer

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন
বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু

অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চিরনিন্দ্রায় শায়িত হলেন সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট নাগরিক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু।

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা তাঁকে। 

জেলার মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলনে আজীবন সংগ্রামী এই বীর যুদ্ধার আকস্মিক প্রয়াণে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাকে শেষ বিদায় জানাতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন তার অসংখ্য গুনগ্রাহী, স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব। 

সকাল সাড়ে ১০ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর মরদেহ রাখা হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে। সেখানে তাকে আবেগঘন পরিবেশে শেষ বিদায় জানান আদালত অঙ্গনে তার সুহৃদ ও সহকর্মীরা। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিয়ে  যাওয়া হয় তার মরদেহ। দুপুরে পৌরসভা চত্বরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে পৌরসভা আঙিনা। 

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলের হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর পক্ষ থেকে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। তাকে শেষ বিদায় জানান সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। 

বেলা দুইটায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার কফিনে জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। বেলা আড়াইটায় ষোলঘর জামে মসজিদের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে  বেলা ৩ টায় ষোলঘর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। 

উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ৩ টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার লেখা ‘রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ’ বইকে জেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অনেকে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ

মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ
নিতাই বারুরী

মাদারীপুরের রাজৈরে প্রেমিকার বাড়ির সামনের একটি গাছ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে নিতাই বারুরী (২৮) নামে এক প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে রাজৈর থানা পুলিশ। নিহত নিতাই উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের হিজলবাড়ি গ্রামের সুশীল বারুরীর ছেলে এবং কদমবাড়ী বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিতাই বারুরীর সাথে ইকরাবাড়ি গ্রামের বাবুল গাইনের মেয়ে সঙ্গীতা গাইনের (২৫) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে একে অপরকে বিয়েও করেছে। কিন্তু বাধ সাধে সঙ্গীতার পরিবার। নিতাই বারুরীর সাথে তারা (সঙ্গীতার পরিবার) সঙ্গীতাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দিতে রাজী ছিল না। এই কারণে নিতাই এবং সঙ্গীতা মোবাইলে কথা বলত এবং পালিয়ে দেখা করত। বুধবার সকালে নিতাই মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। বৃহস্পতিবার সকালে সঙ্গীতাদের বাড়ির সামনের একটি জামগাছে নিতাইয়ের লাশ ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে রাজৈর থানা পুলিশ গিয়ে গাছ থেকে নিতাইয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

নিতাইয়ের প্রেমিকা সঙ্গীতা গাইন বলেন, তার সাথে আমার ৩ বছরের সম্পর্ক। তার সাথে আমার বিয়েও হয়েছে। বুধবার সারারাত আমরা মোবাইলে কথা বলেছি। এমনকি ভোর ৫টা পর্যন্ত আমাদের কথা হয়েছে। তারপর কি হল, বুঝতে পারলাম না।
নিতাইয়ের বাবা সুশীল বারুরী বলেন, আমার ছেলেকে ওরা ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সাদি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘটিত কারণে ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার
নাটোরে ২২ মাদকসেবী গ্রেফতার।

নাটোরে মাদক সেবনের সময় ২২ মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এসময় তাদের কাছে থেকে ৫ গ্রাম গাঁজা ও ২৫০ গ্রাম চোলাই দেশী মদসহ মাদক সেবনের উপকরণ জব্দ করা হয়। বুধবার রাতে সদর উপজেলার একডালা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-মো. মিঠু (৪৮), রওশান আলী (৬২), মো. মোতালেব (৫৫), শরিফুল ইসলাম (৪৫), মো. রিয়াজ (৩৫), মো. হৃদয় (২২), মো. বিপ্লব (২৫), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮), আবু সাইদ (৬২), সামছের জোয়ার্দ্দার (৪৬), মামুন বিশ্বাস (২৭), মো. বাবু প্রমানিক (৩২), মো. ইউসুফ (৫০), চান্দের মণ্ডল (৪০), রাব্বানী মোল্লা (২৪), শরিফুল ইসলাম (৩৮), মো. আজিজুল (২২), মো. ইমতাজ (৪৮), বিপ্লব কুমার দাস (৩৮), মো. শামীম (২০), নাহিদ (২৩) ও তোফাজ্জেল হোসেন (৫৬)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিপিসি-২ র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মো. মাসুদ রানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যার পর তার নেতৃত্বে সদর উপজেলার একডালা গ্রামে অভিযান চালায় র‌্যাব সদস্যরা।

এসময় একত্রে মাদকসেবনের সময় ওই ২২ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে একত্রে বসে মাদক সেবন করছিল। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২১
প্রিন্ট করুন printer

বাগেরহাটে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা

বাগেরহাটে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার সকালে ডিসি অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাগেরহাট স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক দেব প্রসাদ পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আ ন ম ফয়জুল হক।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মো. রিয়াজুল করিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার, বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি নীহার রঞ্জন সাহা, বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রাম আদালত সংক্রিয়করণ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলেটর মহিতোষ কুমার রায়সহ বাগেরহাট জেলার ৬টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও এনজিও প্রতিনিধিরা।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর