শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৬
প্রিন্ট করুন printer

রংপুরে ‘আল্লাহু চত্বর’ দেখতে মানুষের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরে ‘আল্লাহু চত্বর’ দেখতে মানুষের ভিড়

রংপুরের মিঠাপুকুরে নির্মিত ‘আল্লাহু চত্বর’ দেখতে প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। এ চত্বরে স্বয়ংক্রিয় সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে আল্লাহর ৯৯টি নাম উচ্চারিত হচ্ছে। আল্লাহ ৯৯ গুণবাচক নাম খোদাই করে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভ। 

রংপুর-ভেন্ডাবাড়ি আঞ্চলিক সড়কের মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর এরশাদ মোড়ে আল্লাহু চত্বরের অবস্থান। বর্গাকার স্তম্ভটির চারপাশে আল্লাহর গুণবাচক ৯৯ নাম আরবিতে ও বাংলা উচ্চারণসহ ওপর থেকে নিচে লেখা হয়েছে। নিচে রয়েছে বর্গাকার, দুই স্তরের গোলাকার বেদি দিয়ে পরিবেষ্টিত। কারুকার্য সম্পন্ন না হলেও দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এটি দেখতে আসছেন, ছবি তুলছেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে প্রশংসা। 

উপজেলার খোড়াগাছ ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান আসাদ আল্লাহু চত্বর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। দুই ফুট বাই দুই ফুট বর্গাকার এ স্তম্ভটির উচ্চতা ২৭ ফুট। ২২ ফুট জুড়ে রয়েছে আল্লাহর ৯৯টি নাম এবং উপরে পাঁচ ফুটে বড় করে ‘আল্লাহু’ লেখা। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন স্তম্ভটি দেখতে আসছেন। ডা. আসলাম মিয়া বলেন, এরশাদ মোড়ে আল্লাহ্ গুণবাচক নাম দিয়ে স্তম্ভ স্থাপিত হওয়ায় দৃষ্টি নন্দন হয়েছে। দর্শনার্থীদের ভিড় জমে উঠেছে এরশাদ মোড়ে।

স্তম্ভটি নির্মাণের উদ্যোক্তা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বলেন, গত বছরে টিআর প্রকল্পের এক লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যায়ে স্থানীয় বুড়াজুম্মা মোড়ে ‘আল্লাহু স্তম্ভ’ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বুড়াজুম্মা মোড়টি সংকুচিত ও ছোট হওয়ায় সেখানে দৃষ্টিনন্দন হবে না ভেবে স্তম্ভটি এরশাদ মোড়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেই। এজন্য মোড়ের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে স্তম্ভটির নির্মাণ কাজ শুরু করি।’ তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ভাবাবেগ থেকে এটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। নান্দনিক লাইটিং সিস্টেমের সঙ্গে অটোমেটিক সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টায় এখানে মহান আল্লাহ তায়ালার ৯৯টি নাম উচ্চারিত হবে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভূঁইয়া বলেন, আল্লাহর ৯৯ গুণবাচক নাম দিয়ে স্তম্ভটি নির্মাণ একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এটি নির্মাণের ফলে ধর্মীয় অনুভুতির কারণে ওই এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটা কমে যাবে বলে আশাকরি। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর