শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৩৭
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৪০
প্রিন্ট করুন printer

রমজানে কুমিল্লা বিসিকের মুড়ি কারখানায় শ্রমিকের ব্যস্ত সময়

কুমিল্লা প্রতিনিধি

রমজানে কুমিল্লা বিসিকের মুড়ি কারখানায় শ্রমিকের ব্যস্ত সময়

কুমিল্লা বিসিকের মুড়ি কারখানায় প্রচন্ড গরমে জ্বলছে বিশাল গ্যাসের চুলা। সেখানে চাল গরম করা হচ্ছে। গরম চাল মেশিনে ফেলার পর বেরিয়ে আসছে শুভ্র মুড়ি। বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা ট্রাকে মুড়ি তুলে দিচ্ছেন। এই মুড়ি দেশের দক্ষিণাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল, চট্টগ্রাম ও বৃহত্তর কুমিল্লাসহ সারা দেশে চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

রমজান মাস উপলক্ষে ব্যস্ততায় দিন কাটছে কুমিল্লা বিসিকের মুড়ি কারখানাগুলোর মালিক- শ্রমিকদের। বিসিকের চারটি মুড়ির কারখানা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে বিসমিল্লাহ মুড়ি মিল, বিসমিল্লাহ ফুড, ইফতি ফুড ও বেঙ্গল ফুড। এখানে প্রধানত আছিয়া মুড়ি, তেইশ মুড়ি ও ষোল মুড়ি ও স্বর্ণা মুড়ি ভাজা হয়। আছিয়া ৬০ টাকা এবং স্বর্ণা কেজি ৫৩ টাকা দামে পাইকারি বিক্রি হয়।

মুড়ি তৈরির কারিগর মো. মাসুম জানান, 'তাদের কারখানায় শুধু চাল আর লবণ দিয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এখানে রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয় না। তাই এই মুড়ি দিন দিন মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও নগরীর মুড়ির ক্রেতা জামাল হোসেন জানান, 'তিনি রমজান উপলক্ষে প্রতি বছর বিসিকে উৎপাদন হওয়া বড় আকারে মুড়ি ক্রয় করেন। সেখানে চালে শুধু লবণ মিশিয়ে মুড়ি উৎপাদন করা হয়, তা খেতেও সুস্বাদু।'

বিসমিল্লাহ্ মুড়ির মিলের ব্যবস্থাপক সফিউল আলম মামুন বলেন, 'চালের দাম বাড়ায় উৎপাদন কমেছে। আমরা আগে শতাধিক শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতাম। এখন তা বিশের নিচে নেমে এসেছে।' এছাড়াও বিসমিল্লাহ্ মুড়ির মিলের স্বত্বাধিকারী মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া মাহফুজ জানান, 'অনেক অসাধু ব্যবসায়ী অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মুড়ি ভাজে। তাদের কারণে আমাদের মুনাফা করা কঠিন হয়ে যায়।' 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কুমিল্লার ডিজিএম মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত মুড়ি মান সম্মত। তাদের যে কোনো সমস্যায় সহযোগিতা করা হবে।'

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির