শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:৫২
প্রিন্ট করুন printer

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের কশালগাঁও গ্রামের প্রেমিকের বাড়িয়ে তিন ধরে প্রেমিকার অনশন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার কশালগাঁও গ্রামে এঘটনা ঘটে। তারা দুজনেই একই গ্রামের বাসিন্দা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কশালগাঁও গ্রামের আজাহারুল ইসলামের মেয়ের সাথে একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সুমনের সাথে সুরমার ৬ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্কে হয়। এক পর্যায়ে সুরমাকে বিয়ের কথা বলে সুমন শারীরিক সম্পর্কও করে। কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রেমিকা সুমনকে বিয়ের কথা বললে সুমন বিয়ে করতে টালবাহানা করে। উপায় না পেয়ে গত শনিবার রাতে রাতে  সুরমা আক্তার প্রেমিক সুমনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান, সুরমা আক্তার ও সুমনের প্রেমের সম্পর্কের জেরে সুরমা আক্তার সুমনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। বিষয়টা সামাজিকভাবে সমাধানের জন্য গত রবিবার  রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিশ্ব নাথও  স্থানীয় ব্যক্তিগণ আলোচনায় বসেছিল কিন্তু সুমনের পিতা কোন সিদ্ধান্তে উপনীত না হওয়ার কারণে সুরমা আক্তার আবারও সুমনের বাড়িতে অবস্থান করেন।

তবে সুরমা আক্তার জানান, সুমনের সাথে আমার ৬/৭ মাসের প্রেমের সম্পর্ক। এবং সুমন বিয়ের কথা  বলে আমার সাথে কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও করছে । আমি সুমনকেই বিয়ে করব তাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না। তাকে না পেলে আমি আত্মহত্যা করব। অন্যদিকে সুমন বলছেন, সুরমা আক্তারের  সাথে তার কোন প্রেমের সম্পর্কই ছিল না। শুধু এলাকাবাসী হিসেবে ভাই বোনের সম্পর্ক ছিলো তাদের।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিশ্বনাথ বলেন, আমরা সামাজিকভাবে তাদের নিয়ে বসেছিলাম। কিন্তু সুমনের পিতা কোন সিদ্ধান্তে উপনীত না হওয়ার কারণে সুরমা আক্তার আবারও প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান  অনিল কুমার সেন জানান, আমি শুনেছি। যে একটা মেয়ে এক ছেলের বাড়িয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করতেছে। তবে তারা পারিবারিকভাবে সমাধান করবে বলে আমি আর যাইনি। 

এ ব্যাপারে রুহিয়া থানার ওসি চিত্ররঞ্জন কুমার রায় বলেন, প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশনের বিষয়ে আমি জানিনা। আমাকে কেউ কিছু বলেনি।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

এই বিভাগের আরও খবর