শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ২২:১৯
প্রিন্ট করুন printer

ভৈরব নদের মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে

মেহেরপুর প্রতিনিধি:

ভৈরব নদের মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে

মেহেরপুর সদর উপজেলার ফতেফুর গ্রামে ভৈরব নদের পাড়ের মাটি কেটে বিক্রি করে দিচ্ছে ইউপি মেম্বার মিলন আহম্মেদ। মাটি কাটা স্কেটারের মাধ্যমে প্রতিদিন ট্রলি ট্রলি মাটি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। মাটি কাটার বিষয়ে গ্রামবাসী বাধা দিলে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, বছর খানিক আগে ভৈরব নদ খনন করা হয়। খননের সময় ভৈরবের মাটি দিয়ে পাড় তৈরি করা হয়েছিল। এখন মিলন মেম্বার সেই পাড়রের মাটিগুলো কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে। মাটি কাটার ফলে পাড়ের ফসলি জমি, ফতেপুরের ব্রিজ ও একটি কালভাট ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। মাটি কাটার বিরুদ্ধে গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেও দমাতে পারছেনা মেম্বার মিলন আহমেদকে। 

মিলন আহমেদের কাছে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,  জেলা প্রশাসক ড. মুনছুর আলম খান এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ মেহেরপুর জেলা সভাপতি প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেকসহ মৎস আফিসের পিডি ভবন থেকে তার মাটি কাটার অনুমতি নেওয়া আছে। তিন আরো বলেন, আমি ভৈরব নদের নয় মরাগাং বিলের মাটি কাটছি। কিন্তু মরাগাং জমির দাগ ভৈরবে চলে আসায় ভৈরবের মাটি কাটা পড়ছে। 

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক বলেন, ফতেপুর গ্রামের মাধ্যমকি বিদ্যালয়ে আমি আস্থায়ী ভাবে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য কিছু মাটির প্রয়োজন। তাই আমরা জেলা প্রশাসনের সাথে নদীর পাড়ের অতিরিক্ত মাটি বিদ্যালয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। এর বাইরে কেউ মাটি নিলে আমার জানা নেই। আর আমি কোন মিলন মেম্বার নামে কাউকে চিনি না। আমি তার বিষয়ে খবর নিয়ে আমার নাম ভাঙ্গানোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

মেহেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম জানান, এ ধরনের মাটি খোরদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ্যা নেওয়া হবে।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মনসুর আহম্মেদ বলেন, নদের পাড়ের মাটি কাটার অনুমোদন দেবার প্রশ্নই আসে না। যদি কেউ মাটি কেটে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর