৩১ আগস্ট, ২০২১ ১৫:৪৭

তিস্তার পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

তিস্তার পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত

তিস্তার পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত।

তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে চরাঞ্চলের মানুষ। ইতিমধ্যে পীরগাছা উপজেলার একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসহ শতাধিক পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে চলে গেছে। এছাড়া গঙ্গাচড়ায় এখনো এক হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

গত কয়েকদিনে তিস্তার ভাঙনে পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব গ্রামের শিবদেব ক্লিনিকসহ বেশকটি বসতভিটা নদী গর্ভে চলে গেছে। ক্লিনিকের কার্যক্রম চলছে এখন আশ্রায়ণ প্রকল্পে। পাশেই নয়ার হাট নামে একটি বাজার রয়েছে। সেটিও বিলীনের পথে। ৫ বছর আগে তিস্তা পেটে চলে গেছে দ্বিতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। পাশেই নয়ারহাট বাজারে চলছিল বিদ্যালয়ের কাজ। সেটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

চরাঞ্চলের গরিব-অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবায় থাকা শিবদেব ক্লিনিকটিও গত রবিবার তিস্তা নদীতে হারিয়ে গেছে। শিবদেব-নয়ারহাট এলাকার নদী ভাঙনের শিকার শতাধিক পরিবার এখন আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন স্থানে।  শিবদেব ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা ফরহাদ হোসেন বলেন, ভাঙনের আগেই ক্লিনিকের সব মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন আশ্রয়ণ কেন্দ্রে ক্লিনিকের কার্যক্রম চলছে।

এদিকে, গঙ্গচড়া উপজেলায় এখনো এক হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলী এলাকায় ভাঙনে বিলীন হয়েছে ১৫০  পরিবারের ভিটা। ভাঙন অব্যাহত থাকায় বিনবিনার পাকা রাস্তাসহ স্বেচ্ছাশ্রমের নির্মিত চার কিলোমিটার বেড়িবাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় তিস্তার পানি ঢুকে গ্রামটির প্রায় এক হাজার পরিবার ১৫ দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছে।

কোলকোন্দ ইউনিয়েনর চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু বলেন, এবার তিস্তার ভাঙনে তার ইউনিয়নের বিনবিনা চরের তিন শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে আছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর