শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০২১ ২৩:৫৯

মোংলা বন্দরের ড্রেজিং

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়ন বাড়বে

দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলার সক্ষমতা অচিরেই দ্বিগুণ হয়ে উঠবে। এ উদ্দেশ্যে ইনারবারের ড্রেজিং শুরু হয়েছে। ড্রেজিং শুরুর মাধ্যমে বন্দর ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হলো। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনারবার ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় জয়মণির ঘোল থেকে বন্দর জেটি পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেলের ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন হয়েছে গতকাল। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া পর্যন্ত ১৪৫ কিলোমিটার চ্যানেল দিয়ে সহজেই ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ৯ মিটার থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত ড্রাফটের জাহাজ চলতে পারবে। পদ্মা সেতু চালু হলে রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে কাছের এ সমুদ্রবন্দরটি দিয়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। ড্রেজিংয়ের ফলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। ব্যবহারকারীরা মোংলা বন্দরের নাব্য সংকট নিরসনে ইনারবার ড্রেজিং শুরু হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে যেসব কনটেইনারবাহী জাহাজ আসে সেগুলো পূর্ণ লোড অবস্থায় সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের। মোংলার বর্তমান গভীরতা ৭ মিটার থাকায় নাব্য সংকটের কারণে এসব জাহাজ মোংলা বন্দরে আসতে চাইত না। ইনারবার ড্রেজিং সম্পন্ন হলে এ সংকট কেটে যাবে। ড্রেজিংকালে চ্যানেল থেকে ২১৬.০৯ লাখ ঘনমিটার পলিমাটি ও বালু উত্তোলন করে পশুর নদের তীরবর্তী জমিতে জিও টেক্সটাইল টিউব দিয়ে ডাইক নির্মাণ করে ফেলা হবে। এ জন্য দেড় হাজার একর জমির দরকার হবে। ব্যবহারোপযোগী হয়ে উঠলে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য এ বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানিতে উৎসাহিত হবেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান। ওই অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচনেও এটি ভূমিকা রাখবে।


আপনার মন্তব্য