শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৬ জুলাই, ২০২১ আপডেট:

লকডাউনই কি করোনার একমাত্র সমাধান?

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
লকডাউনই কি করোনার একমাত্র সমাধান?

দীর্ঘদিন করোনার প্রাদুর্ভাবে সারা পৃথিবী এলোমেলো, তছনছ। কোনো কিছুর নিশ্চয়তা নেই, স্বস্তি নেই। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হতে চলেছে। গতকাল ছোট্ট এক বাচ্চা হঠাৎই বলেছিল, দাদু জানো, রাস্তার কুকুরগুলোও খেতে পারছে না। কেমন নেতিয়ে পড়ছে। কথাটা শুনে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল। সত্যিই রাস্তাঘাটে মানুষজন না থাকায় শুধু কুকুর কেন অন্য পশু-পাখিও নিদারুণ খাবার কষ্টে পড়েছে। করোনার অবসান কবে হবে, কীভাবে হবে সে শুধু আল্লাহ রব্বুল আমিনই জানেন, আমরা কেউ জানি না। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকে দয়ালু আল্লাহ জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক-বিবেচনা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। এ সময় জ্ঞান-বুদ্ধি খাটিয়ে আমাদের যতটা যা করা সম্ভব সঠিকভাবে তা করতে পারলে সেটাই হবে উত্তম। ভেবেছিলাম আর কিছু না হোক করোনায় মানুষ অনেক বেশি মানবিক হবে, যখন তখন মৃত্যু দেখে অন্যের প্রতি আরও দরদি হবে। না, তা হয়নি। করোনার মধ্যেও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই, মা-বোনের সম্মান-সম্ভ্রমের গ্যারান্টি নেই। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে সন্তান বাবা-মার কবর থেকে দূরে থাকে। এ অবস্থায়ও কিছু দুষ্টলোক মেয়েদের সম্মানহানিতে মোটেও পিছপা নেই। এ পশুবৃত্তি কবে শেষ হবে জানি না। অনেকেই ভাবে, আমরা সব সময় সরকারের সমালোচনা বা বিরোধিতা করি। কথাটা মোটেই সত্য নয়। বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার হওয়ায় বরং অনেক কম করি। কারণ চিৎ হয়ে থুথু ছুড়লে শেষ পর্যন্ত তা বুকে পড়ে। ব্যাপারটা কখনো ভুলতে পারি না, ভুলিও না। যখন যে সমালোচনা করি রাষ্ট্রের কর্মকান্ডের সমালোচনা করি, সত্য বলার চেষ্টা করি। ব্যক্তিগতভাবে কখনো কাউকে শত্রু মনে করি না। সরকার লাগামহীন, সরকার অনেকটাই দায়িত্বহীন। যেখানে যে দায়িত্বে যার থাকা উচিত অনেক ক্ষেত্রেই তেমন দক্ষ যোগ্য মানুষ যথাস্থানে নেই। এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ কথা কেউ গলায় গামছা নিয়ে বললেও আমি মানতে পারি না। প্রতিক্রিয়াশীল ষড়যন্ত্রকারীরা ধীরে ধীরে এমন একটা অবস্থার সৃষ্টি করেছে ভালো হলে সবার, কোনো ভুল বা ক্ষতি হলে শেখ হাসিনার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করুন আর না করুন তিনি মারাত্মক মাইনকার চিপায় পড়েছেন। নির্বোধ-মূর্খ-বর্বর বন্ধুর চাইতে জ্ঞানী-বিবেকবান-বুদ্ধিমান শত্রু উত্তম, অনেক ভালো। কিন্তু প্রবাদের সেই বাণী বাংলাদেশে এখন নীরবে নিভৃতে কাঁদে। সেদিন সংসদে ’৬৯-এর গণআন্দোলনের মহানায়ক তোফায়েল আহমেদের বক্তব্য হৃদয় স্পর্শ করেছে। কাজী ফিরোজ রশীদের উপমা, ‘জেলার ডিসিরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন, এমপিরা হাঁ করে পাশে বসে থাকেন। এটা কতটা বিব্রতকর কতটা অবমাননার যাদের মর্যাদাবোধ আছে শুধু তারাই বুঝতে পারেন। এটা আমলাতন্ত্রের নিদারুণ বহিঃপ্রকাশ।’ ফসল বুনে নিড়ানি না দিলে খেতে যেমন আগাছা হয়, আগাছা বাড়ে বেশি। আগাছা গাছ ধ্বংস করে। তেমনি রাজনীতিতেও প্রকৃত বিরোধী দল না থাকলে বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার যে বিপদে পড়েছে এমন বিপদে সবাইকে পড়তে হয় বা হবে। এটা পরিস্থিতির অবশ্যম্ভাবী প্রতিফলন। তার অর্থ এই নয় যে বিএনপি প্রকৃত বিরোধী দল। বিএনপি নিশ্চয়ই একটি বিরোধী শক্তি। কিন্তু সুসংগঠিত বিরোধী দল নয়, গণতান্ত্রিক তো নয়ই। বিএনপি মানুষের হৃদয় থেকে অনেকটাই মুছে গেছে হাওয়া ভবনের কারণে। এখন তো বিএনপি চলে ওহির বাণীতে। যা কখনো গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। এ ব্যাপারে বিএনপির প্রতি যথার্থ সহানুভূতিশীল বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী যথার্থ বলেছেন। আবার তাঁর বক্তব্যের মাঝে একশ্রেণির ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সত্যিই হতাশাব্যঞ্জক। রসুনের খোসার মতো চামড়া নিয়ে আর যা হোক রাজনীতি করা যায় না। বিএনপির অনেকেই এটা দেখাতে পেরেছেন যে রসুনের খোসার চেয়েও তাদের চামড়া পাতলা। রাজনীতিতে সমালোচনা সইবার বা হজম করার শক্তি বা ক্ষমতা না থাকলে তার রাজনীতির মাঠে পা দেবারই কোনো মানে হয় না। রাজনীতিতে ফুলের মালা আর জুতার মালার পার্থক্য খুঁজতে নেই। যাদের স্বার্থ সিদ্ধি হবে তারা চিরকাল ফুল নিয়ে দাঁড়াবে। যাদের স্বার্থহানির সম্ভাবনা তাদের কাছে জুতার মালা ছাড়া আর কিছু প্রত্যাশা করা বোকামি। আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রে অনেকেই সেই বোকামি করেন। যিনি বা যারা বোকামি করছেন তিনি বা তারা বুঝতেও পারেন না কী করছেন।

যুক্তরাজ্য, যেখানে উন্মুক্ত সমাজ সেখানে একজন সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়তো কৃতকর্মে উৎফুল্ল হয়ে তার এক সহকর্র্মীকে চুমু খেয়েছেন। যে কারণে তার মন্ত্রিত্ব গেছে। আর আমাদের দেশে কত কেলেঙ্কারি, একের পর এক দুর্র্নীতি- পর্দার মূল্য ৩৭ লাখ, বালিশের দাম ১০ হাজার তা আবার ঘরে তুলতে গিয়ে আরও ৫-৬ হাজার। আমাদের দেশে নতুন বউ ঘরে তুলতেও অমন খরচ হয় না। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একের পর এক লঙ্কাকান্ড লেগেই আছে। জানি না জনাব জাহিদ মালেকের খুঁটির জোর কোথায় এবং কতটা। ভদ্রলোক হয় একেবারে নিরেট নির্বোধ না হয় দুনিয়ার ধুরন্ধর। যাকে এত কিছু টলাতে পারেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো সঠিক ব্যবস্থাপনা নেই, দিকনির্দেশনা নেই। দেশের যে অবস্থা তাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় না থাকলে খুব একটা ক্ষতি হবে না। বরং ভালোই হবে। বিশ্বাস না হলে একবার পরখ করে দেখতে পারেন। ডিজির ড্রাইভারের শত কোটি, পিয়নদের কোটি কোটি! তাহলে কর্তাদের না জানি কত হাজার কোটি! এ মন্ত্রণালয়কে গতিশীল, আস্থাভাজন করতে হলে যোগ্য দক্ষ মানুষের সমন্বয় দরকার। স্বাস্থ্য সচিব, যিনি হয়তো কদিন আগে ছিলেন প্রাণিসম্পদে, তারপর পাট মন্ত্রণালয়ে, সেখান থেকে শিক্ষা, তারপর এসেছেন স্বাস্থ্যে। এ রকম সব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হলে চলবে না। স্বাস্থ্য সচিবকে যথার্থই স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রগাঢ় জ্ঞানের অধিকারী হতে হবে, মন্ত্রীকে হতে হবে তার চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে অর্থমন্ত্রী কোনো রাজনৈতিক নেতা হন না। এ এক চরম দুর্ভাগ্য। অর্থমন্ত্রী হন কোনো আমলা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অথবা ব্যবসায়ী। বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল একজন সফল ব্যবসায়ী। যদিও গোড়ার দিকে তিনি ছাত্র রাজনীতি করেছেন। তারপর ব্যবসা করে রাজনীতিতে এসেছেন। প্রথমে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, এখন অর্থ মন্ত্রণালয়। যদিও তার অনেকটাই ধারাবাহিকতা আছে। কিন্তু এর আগে সাইফুর রহমান, আবুল মাল আবদুল মুহিত এঁরা কেউ রাজনীতিক ছিলেন না। ছিলেন আমলা। এস এ এম এস কিবরিয়াও তাই। একেবারে পূত-পবিত্র পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ অর্থমন্ত্রী ছিলেন শুধু একজন। তিনি বাংলাদেশ বিপ্লবী সরকারের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন। তারপর বাংলাদেশে খুব একটা বিশুদ্ধ রাজনীতিক অর্থমন্ত্রী হতে পারেননি বা হননি।

শুনছি, লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ এসেছে। এক সপ্তাহ কেন, দুই সপ্তাহ হলেও কি করোনার প্রাদুর্ভাব কমবে? সাধারণ মানুষের, শ্রমজীবী মানুষের না খেয়ে মারার এ পদক্ষেপ যতবারই নেওয়া হোক, যত ভাবেই নেওয়া হোক কাজের কাজ তেমন কিছুই হবে না। লকডাউন করোনা প্রতিরোধে উপযুক্ত মাধ্যম হতে পারে না। করোনা প্রতিরোধে টিকার আবিষ্কার হয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন এক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে আমাদের পদ্মায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সব থেকে বেশি প্রয়োজন রাতদিন করোনার টিকা দেওয়া, সে টিকার ব্যবস্থা করা। আমরা তো কারও কাছে টিকা খয়রাত চাচ্ছি না, উপযুক্ত মূল্য দিয়ে কিনতে চাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে জোর গলায় বলেছেন, ‘টিকার জন্য যত টাকা লাগে দেব।’ সত্যিকার অর্থে এটাই তো নেতার মতো কথা, নেতার কথা। টাকা দিয়ে টিকা কিনব কেন তা পাব না? আর এত দিনে আমাদের দেশে তো টিকা তৈরি করা যেতে পারত। পৃথিবীতে যে জিনিস আবিষ্কার হয়ে গেছে সে জিনিস আমাদের তৈরি করা এমন কি কঠিন কাজ। খারাপভাবে নেবেন না। আমাদের জিনজিরাকে অর্ডার করলে তারাও হয়তো এত দিনে কয়েক কোটি টিকা বানিয়ে দিতে পারত। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখলে দেখা যেত ভারত-চীন-রাশিয়া-জার্মানি-আমেরিকার চেয়ে জিনজিরার টিকা অনেক বেশি কার্যকর, উন্নতমানের। টিকা সংগ্রহ এবং টিকা কর্মসূচিতে মনোনিবেশ না করে শুধু লকডাউন লকডাউন আর লকডাউনে করোনা মোকাবিলা হবে এ আমাদের মতো কম বুদ্ধির মানুষ বিশ্বাস করতে পারে না, করেও না। এজন্য সরকারকে, সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টা ভেবে দেখতে অনুরোধ জানাচ্ছি। সাধারণ মানুষের দেহে যদি করোনাভাইরাস প্রতিরোধক্ষমতা না থাকত তাহলে এত দিনে বাংলাদেশ মহাশ্মশানে পরিণত হতো। তার প্রমাণ বস্তিতে সংক্রমণ নেই, গার্মেন্টে সংক্রমণ নেই। তাহলে সংক্রমণ কোথায়? সংক্রমণটা প্রধানত অন্য জায়গায়।

লকডাউনে আবার নতুন উপসর্গ শুরু হয়েছে। মানুষ রাস্তায় বেরোলেই জেল-জরিমানা। রাস্তায় বেরোনো মানুষকে ঘরে রাখার জেল-জরিমানাই কি প্রধান অস্ত্র? কেউ যদি না মানে, সবাই যদি বেরিয়ে পড়ে জেল-জরিমানা করে কি মানুষের বন্যা ঠেকানো যাবে? রাস্তায় যাদের এক-দুই শ টাকা জরিমানা হয়, যারা দরিদ্র, যারা জরিমানা দিতে পারেন না, তাদের গারোদে রেখে কোর্টে চালান করা হচ্ছে। কোর্ট-কাচারি বন্ধ। ফটকাবাজ, দালাল, ছোট ছোট উকিলরা দু-এক শ টাকা জরিমানা দিয়ে আসামিদের মুক্ত করে চেম্বারে বসে হাজার-৫ হাজার বা তারও বেশি আদায় করছে। আশির দশকে আমার ব্যক্তিগত সহকারী ফরিদ আহমেদ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পোস্টার লাগাতে গিয়ে টহল পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল। তাকে কোর্টে চালান করলে এক নবীন উকিল ১০০ টাকা জরিমানা দিয়ে ধল্যাইখালে শিবুর দোকান থেকে ২০০ টাকা নিয়ে তাকে মুক্ত করেছিল। অথচ লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় জামিনে এনে অনেক উকিল চেম্বারে বসিয়ে এ রকম হাজার-৫ হাজার বা তারও বেশি আদায় করা কতটা নৈতিক? শারীরিক অসুবিধা হলে মানুষ ডাক্তারের কাছে যায়। ডাক্তার বা উকিল-ব্যারিস্টারের পার্থক্য কী? আইন-আদালতের কোনো ব্যাপার হলে মানুষ উকিলের কাছে যায়। সেখানে এমন জালিয়াতি আইন পেশার মানুষের জন্যই চরম কলঙ্ক। একজন আইনজীবীর ছেলে হিসেবে নিজেও খুব লজ্জাবোধ করি। আইন পেশার সম্মান, আইন পেশার মহিমা যাতে ধূলিসাৎ না হয় সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

কঠিন লকডাউনের সময় গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির মালিকদের বক্তব্য শুনেছিলাম। তারা বলেছেন, গার্মেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ লাখ নারী-পুরুষ কর্মচারী। গার্মেন্ট বন্ধ হলে যেমন তাদের শিপমেন্টে অসুবিধা হবে তেমনি একসঙ্গে ৪০ লাখ মানুষ রাস্তায় নামলে রাস্তাঘাটেও সমস্যা হবে। কথাটা সত্যিই যুক্তিযুক্ত। যে কারণে গার্মেন্ট বন্ধ দেওয়া হয়নি। মেনে নিলাম গার্মেন্ট মালিকদের কথা। কিন্তু মহালকডাউনের প্রথম দিনেই যে শ্রমিক দুর্ভোগ তা কি কারখানার মালিকরা একবিন্দু ভেবেছেন? এটা কি সরকারের চোখে পড়েছে? যে শ্রমিকদের নিয়ে মালিকদের পোদ্দারি, তাদের থাকা-খাওয়া, আসা-যাওয়ার কথা ভদ্রলোকেরা একবারও ভাবলেন না। মানুষের সঙ্গে এমন পশুর ব্যবহার আর কেউ করেছে কি না বলতে পারব না। গার্মেন্ট শ্রমিকদের আনা-নেওয়ার ব্যবস্থা মালিকরা খুব সহজেই করতে পারতেন। গণপরিবহন বন্ধ তাই চুক্তিতে গাড়ি পেতে কারখানা মালিকদের কোনো বেগ পেতে হতো না। এটা তেমন বড় কিছু নয়, শুধু চিন্তার অভাব, মানসিকতার অভাব, মানবিক মূল্যবোধের অভাব, সর্বোপরি দরদিমনের অভাব।

লেখক : রাজনীতিক।

www.ksjleague.com

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
সর্বশেষ খবর
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়
‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া
ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে
এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা
রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম