শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১ আপডেট:

এত আগুনে পোড়ে কেন দেশ?

তসলিমা নাসরিন
প্রিন্ট ভার্সন
এত আগুনে পোড়ে কেন দেশ?

আমেরিকায় গাড়ি পার্ক করতে গেলে সমস্যায় পড়ি। রাস্তার কিনারে চমৎকার পার্কিং-এর জায়গা পাওয়া যায়, কিন্তু পার্ক করা চলবে না। কেন? ফায়ার হাইড্রেন্ট। ফায়ার হাইড্রেন্টের সামনে গাড়ি পার্ক করলে বিশাল জরিমানা। এই জায়গা সবসময় ফাঁকা রাখতে হবে। কারণ যে কোনও সময় জায়গাটা দরকার পড়বে। এত ফায়ার হাইড্রেন্ট কেন শহরে? উত্তর তো জানিই। আগুন ধরলে যেন দ্রুত আগুন নেভানো যায়। যে কোনও সময় যে কোনও বাড়িতে, বা অফিসে, বা কারখানায় যে কোনও কারণে আগুন লেগে যেতে পারে। ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি এসে থামবে, তার জায়গা চাই, ফায়ার হাইড্রেন্টে নল লাগিয়ে দিলে পানি এমন জোরে বেরোবে যে, সে পানি আগুনের ওপর ছড়ালে আগুন নিভে যাবে, দ্রুত অথবা ধীরে। হাত গুটিয়ে বসে থাকার চেয়ে নিশ্চয়ই এ কাজটি ভালো। ফায়ার ব্রিগেডের গাড়িতে পানির ট্যাংক থাকে, সেটাও রইল, এটাও রইল। আগে তো ফায়ার ব্রিগেড ছিল না, ছিল বাকেট ব্রিগেড। বালতিতে পানি ভরে নিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করত মানুষ। এক সময় ঘোড়ার গাড়িতে করে পানি নিয়ে আসা হতো আগুন নেভানোর জন্য। যত আধুনিক হয়েছে মানুষ, তত আগুন নেভানোর আধুনিক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। ইউরোপের ফায়ার হাইড্রেন্টগুলো মাটির নিচে, আমেরিকায় মাটির ওপর। যে দেশে মানুষের জীবনের মূল্য আছে, সে দেশে দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এবং দুর্ঘটনা যদি ঘটেই যায়, একে নিয়ন্ত্রণ করতে, ক্ষয়ক্ষতি যেন বেশি না হয় তার সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শুধু ধনী-এলাকায় নয়, ধনী নয় এমন এলাকাতেও, শ্রমিক-এলাকাতেও একই রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে কদিন পর পরই আগুনে পুড়ে যায় ঘর-বাড়ি, কলকারখানা। আগুন সহজে নেভানো যায় না। কারখানাগুলোকে এমন ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যে যে কোনও সময় যে কোনও ধাক্কায় ধসে যেতে পারে। যে কোনও ম্যাচকাঠির গন্ধ শুঁকলেই আগুন লেগে যেতে পারে। এমন দুর্ঘটনা ঘটলে, সকলে জানে, কাদের মৃত্যু হবে। শ্রমিকদের, গরিবদের। গরিবরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রম দেয়। ধনীরা মনে করে না গরিবের জীবনের কোনও মূল্য আছে। রানা প্লাজার ছ’তলার বিল্ডিং-এর ওপর অবৈধভাবে দুটো তলা উঠিয়ে এর ভিতটাকেই নড়বড়ে করে দেওয়া হয়েছিল বলেই তো ধসে গেল, মৃত্যু হলো ১১৩৪ জন শ্রমিকের। কারখানা কোনও একটি ভুলের কারণে পুড়ে ছাই হয়ে যায়, শ্রমিকরাও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কারখানা বন্ধ থাকে কিছুকাল। মালিকেরা আবার খোলে কারখানা। ভুলগুলো সংশোধন করে কি খোলে? একেবারেই না।

২০২০ সালে ৩৮৩টি শিল্পকারখানা আগুনে পুড়েছে। এর মধ্যে ২৭৩টিই পোশাকশিল্পকারখানা। ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পোশাকশিল্পকারখানায় ১৫০টি আগুনে পোড়ার ঘটনা ঘটেছে। ১৩০০ জন মারা গেছে, আর ৩৮০০ এর চেয়েও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। গত ৫ বছরে ৫৮৩৪টি শিল্পকারখানায় আগুনে পোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে ২৫০ কোটি টাকা।

ভুল সংশোধন বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকারখানার মালিকেরা করেন না। ২০১২ সালে আগুন লেগে তাজরীন ফ্যাশন ফ্যাক্টরির ১১৭ জন শ্রমিক মরে গেল। তার কিছুদিন পর স্মার্ট এক্সপোর্ট কারখানায় আগুন লেগে আট জন মারা গেল। তার কিছুদিন পর আরও একটি পোশাকশিল্পকারখানার আরও আটজন আগুনে পুড়ে মারা গেল। এরকম চলছেই। মালিকপক্ষ জানেন, কিছু পয়সা ঢাললেই মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ইত্যাদি এড়ানো যায়। আর এই সেদিন রূপগঞ্জে হাসেম ফুড কোম্পানির কারখানায় আগুন লেগে ৫২ জনের মৃত্যু হলো। এই ৫২ জনের মধ্যে শিশু ছিল অনেক। আহত হয়েছে ৫০ জনের মতো। সব চেয়ে অবাক কান্ড, কারখানা থেকে বেরোবার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। যদিও বাংলাদেশের আইনে শ্রমিকেরা যখন কারখানায় কাজ করে, কারখানা থেকে বেরোনোর দরজা তালাবন্ধ করা নিষিদ্ধ। আইন অমান্য করে দরজায় কেন তালা লাগানো হলো? বেশ নির্বিঘ্নে যেন সবাই মরতে পারে? কারখানার নিচতলায় হয়েছে আগুনের সূত্রপাত, আর তখন কিনা নিরাপত্তাকর্মীরা কারখানা থেকে বেরোবার দরজায় তালা লাগিয়ে দিল! শ্রমিকেরা বাঁচার জন্য অগত্যা ওপরের তলায় উঠে যায়। কিছু শ্রমিক বাঁচার জন্য ছাদ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে মরে যায়। কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না, অথচ প্রত্যেক কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। হাসেম ফুডসের নিরাপত্তাকর্মীরা, যতদূর জানা যায়, ব্যস্ত ছিল নিজেদের নিরাপত্তা আর কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে। তারা শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যও ভাবেনি। দরজা তালাবন্ধ না করলে আজ এতগুলো মানুষকে মরতে হয়না। ২০১২ সালে তাজরীন ফ্যাশন ফ্যাক্টরির ১১৭ জন শ্রমিক যে মারা গিয়েছিল, সেই ফ্যাক্টরি থেকে বেরোবার দরজাও কিন্তু তালাবন্ধ ছিল। শিক্ষা হয়নি। বিল্ডিং-এ নাকি কেমিক্যাল জমা করা ছিল। ২০১৯ সালেই তো অবৈধভাবে কেমিক্যাল রাখার কারণে এক বাড়িতে আগুন লেগে ৭০ জন মারা গেল। এর আগেও কিন্তু কেমিক্যাল রাখার কারণেই ২০১০ সালে পুরোনো ঢাকায় ১২৩ জন লোক মারা গিয়েছিল। তারপরও শিক্ষা হয়নি!

শিক্ষা কেন হয় না জানি। কারণ গরিবদের জীবনের কোনও মূল্য নেই। গরিবরা কারখানায় মরে ছাই হয়ে গেলেও, আরও অসংখ্য গরিব মিলবে কারখানায় কাজের জন্য। ওদিকে যদি মালিকের বিচার করা হয়, বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে জামিন নিয়ে ইউরোপ আমেরিকায় পাড়ি জমিয়ে চমৎকার জীবন যাপন করে মালিকেরা। দেশেও এঁদের লাক্সারির শেষ নেই, বিদেশেও লাক্সারির শেষ নেই। ধন সম্পদ এরা বানায় গরিবের ঘাম আর রক্ত দিয়ে, গরিবের পোড়া শরীর দিয়ে। গরিবেরা তো নিজেদের গরিব বস্তিগুলোয় মরছেই। প্রতিবছর আগুনে পুড়ছে বস্তি। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ আর গ্যাসের সংযোগ নেওয়া হয় বস্তিতে। শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ধরে যায়, ঘর বাড়ি পোড়ে, মানুষ পোড়ে। এক ঢাকাতেই সাড়ে ছ’লক্ষের বেশি লোক বাস করে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বস্তিতে। অবৈধভাবে বিদ্যুতের তার যায় বটে বস্তির ঘরে ঘরে, কিন্তু বস্তির এক একটা ঘর থেকে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস বাবদ চার পাঁচশ’ করে টাকা দিতে হয় সিন্ডিকেটের হাতে। এই সিন্ডিকেটই ৩ থেকে ৫ কোটি টাকা এভাবেই অবৈধ পথেই উপার্জন করছে প্রতি মাসে। এই টাকা থেকে অবশ্য পুলিশকে দিতে হয় বেশ খানিকটা। অনেকে ভাবে এই যে বস্তি পুড়ে যাচ্ছে, মানুষ পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে, এর কারণ দারিদ্র। কেউ কেউ ভাবে, এর মূল কারণ দারিদ্র নয়, এর মূল কারণ লোভ। টাকার লোভেই অবৈধ বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে বস্তিতে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন ভালো হচ্ছে। ২০০৭ সালেও ভারতের মাথাপিছু আয়ের অর্ধেক ছিল বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়। আর গতবছর কিনা ভারতকেও ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ! ভারতের জিডিপিও ৮ থেকে মাইনাস দশএ এখন। আর বাংলাদেশের জিডিপি ৭ পার হয়ে ৮এর ওপর। এই করোনাকালেও খুব একটা মন্দ নয় বাংলাদেশের জিডিপি। দারিদ্রও শতকরা ১৫ ভাগ থেকে শতকরা ৯ ভাগে নেমে এসেছে। সারা বিশ্বেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার স্তুতি গাওয়া হচ্ছে। এই সময় কি আগুনে শ্রমিকের জ্বলে যাওয়া, আর পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া আর মরে যাওয়ার খবর মানুষকে দ্বিধায় ফেলবে না? মানুষ বলবে না তাহলে দেশের ধন সম্পদ কী খাতে কাদের আরাম আয়েশ আর নিরাপত্তার জন্য ব্যয় হয়? যতই অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটুক দেশে, শ্রমিকের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা ছাড়া, অমানুষিক পরিশ্রম ছাড়া ঘটেনি। আর সেই উন্নতির ভাগ শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য জোটে না। আন্তর্জাতিক শ্রমিক বিধি না মেনে যুগের পর যুগ শ্রমিকদের শোষণ করা হয়েছে, আজও হচ্ছে। আজও শ্রমিকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পা বাড়ায় ধনীদের শ্রম দিতে।

বাংলাদেশে অতি-ধনীর সংখ্যা বেড়েছে ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে। অতি ধনীদের সম্পদ এ সময় শতকরা ১৭.৩ ভাগ বেড়েছে। বাংলাদেশের মোট দেশীয় পণ্যের উৎপাদন এখন চীন, হংকং, কেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, ভারত এবং পাকিস্তানের মোট দেশীয় পণ্যের উৎপাদনের চেয়েও বেশি। চীন এবং হংকং অবশ্য সবচেয়ে বেশি ধনী লোক তৈরি করেছে গত ৫ বছরে। বাংলাদেশে যদিও মাথাপিছু আয় বেড়েছে, উৎপাদনও বেড়েছে, কিন্তু গরিব এবং ধনীর মধ্যে ফারাকও বেড়েছে সেই সঙ্গে। গরিব আরও গরিব হয়েছে, ধনী আরও ধনী হয়েছে। এই যে অর্থনৈতিক সাফল্য তার সিংহভাগ ভোগ করছে ধনী শ্রেণী। গরিব ধনীর মধ্যে এই বিরাট বৈষম্যের পেছনে কারণ অনেক, অব্যবস্থা, এবং দুর্নীতি নিঃসন্দেহে বড় কারণ।

আমি অর্থনীতিবিদ নই। অর্থনীতিতে আমার অতি স্বল্প জ্ঞান। তবে একটি জ্ঞান তো নিশ্চয়ই আছে, সেটি হলো অর্থনৈতিক উন্নতি হলেই যদি দেশ উন্নত হতো, তাহলে যে দেশগুলোয় নারীর অধিকার বলতে, গরিবের অধিকার বলতে, বাক স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বলতে কিছুর অস্তিত্ব নেই- মধ্যপাচ্যের সেই বর্বর দেশগুলোকে উন্নত বলে ধরা হতো। আমি মনে করি নারী পুরুষের সমানাধিকারের ব্যবস্থা হলে, কোনও শ্রেণী বৈষম্য না থাকলে, সম্পদের সুষম বণ্টন হলে, লিঙ্গ বর্ণ শ্রেণী নির্বিশেষে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে, সকলের অন্ন বস্ত্র শিক্ষা স্বাস্থ্য নিশ্চিত হলে, গরিব শ্রেণীটির অস্তিত্ব বিলোপ হলেই সে দেশকে সত্যিকার উন্নত দেশ বলা যায়।

 

সত্যিকারের উন্নত দেশ হতে বাংলাদেশের অনেক দেরি।

 

                লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
আড়ি পাতা
আড়ি পাতা
দারিদ্র্য বাড়ছেই
দারিদ্র্য বাড়ছেই
সর্বশেষ খবর
কোটালীপাড়া উপজেলায় সেবা প্রত্যাশীদের সুসজ্জিত বসার স্থান ও দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান উদ্বোধন
কোটালীপাড়া উপজেলায় সেবা প্রত্যাশীদের সুসজ্জিত বসার স্থান ও দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান উদ্বোধন

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর
জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল
বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের প্রবেশ পথে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, দগ্ধ ২
নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের প্রবেশ পথে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, দগ্ধ ২

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

গাজায় একদিনে ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
গাজায় একদিনে ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আমলে পাপমোচন হয়
যেসব আমলে পাপমোচন হয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় মানবিক সহায়তা মিশনের অর্ধেকই বাধাগ্রস্ত করেছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ
গাজায় মানবিক সহায়তা মিশনের অর্ধেকই বাধাগ্রস্ত করেছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শানে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
শানে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসরায়েলি হামলায় ৬ সৈন্য নিহতের ঘটনায় সিরিয়ার নিন্দা
ইসরায়েলি হামলায় ৬ সৈন্য নিহতের ঘটনায় সিরিয়ার নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর চলল ট্রেন
ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর চলল ট্রেন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর
বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন
রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি
শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার
গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত

১০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার
পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার
বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’
‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও
চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প
বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের
আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত
রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইফোন ১৭ উন্মাদনা আমিরাতে, অগ্রিম বুকিংয়ের হিড়িক
আইফোন ১৭ উন্মাদনা আমিরাতে, অগ্রিম বুকিংয়ের হিড়িক

২১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে

নগর জীবন

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম