শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:০৭

জামায়াতের অভিসন্ধি বুঝতে চান কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতের অভিসন্ধি বুঝতে চান কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জামায়াত এখনো ক্ষমা চায়নি? তারা ক্ষমা চাওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। জামায়াত ক্ষমা চাওয়ার পরও মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধ হবে না। গতকাল ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, জামায়াত নেতার পদত্যাগ তার ব্যক্তিগত। এটা তাদের দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। জামায়াত বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। এ খবর প্রকাশের পর দলের ভিতরে যারা আছে, তারা কেউ কেউ সরে যেতে পারে। তাদের উদ্দেশ্যটা আগে পরিষ্কার হোক, তারপর মন্তব্য করা যাবে।

জামায়াত নতুন নামে এলে আওয়ামী লীগ তাদের স্বাগত জানাবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। নতুন নামে, নতুন বোতলে পুরনো মদ এলে পার্থক্য কোথায়? জিনিস তো একটিই। তাদের আদর্শ ঠিক আছে, নতুন নামে আদর্শ আসবে, তাহলে পার্থক্য কোথায়? এ বিষয়গুলো দেখতে হবে। নানা কথা মিডিয়ায় আসছে, এগুলো একটি আকার নেবে। এটি জামায়াতের কৌশলও হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আগামী মাসে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছর করে দেওয়া হবে, এমন খবর গুজব বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নিয়ে আমি কোনো কথা বলিনি। এটা তারাই গুজব ছড়াচ্ছে। সংবাদের মধ্যে আমার কোনো ভয়েস আছে? ভয়েস না থাকলে হয় কী করে? তিনি আরও বলেন, আমি এ ধরনের কোনো কথা বলিনি। সরকারের সিদ্ধান্তের আগে আমি কী বলব? আমি সরকার ও পার্টির গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আছি, আমার দায়িত্বহীন কোনো কথা বলা উচিত নয়। চাকরিতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত সরকারি পর্যায়ে এখনো হয়নি, আমি এ ব্যাপারে কোথায় মন্তব্য করলাম? আমার তো জানা নেই। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অবসরের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও রাজনীতি থেকে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন। দলের নেতা-কর্মীদের চাপের মুখে তিনি ঘোষণা দিয়েও সরে যেতে পারেননি। তিনি বলেন, আসলে বাস্তবতা হচ্ছে যে, এখনো শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প আমাদের পার্টিতে নেই। তাঁর কোনো বিকল্প বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নেই। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য