Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ জুন, ২০১৯ ০০:০৯

বগুড়ার উপনির্বাচন

ফখরুলের আসনে জিতলেন বিএনপির সিরাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

ফখরুলের আসনে জিতলেন বিএনপির সিরাজ

বগুড়া-৬ (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী এস এম টি জামান নিকেতা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদরের এ আসনটি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেওয়ায় শূন্য হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ইভিএমে ভোট চলে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ছাড়াও দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের ২০টি ও সদর উপজেলার ১১ ইউনিয়ন নিয়ে বগুড়া-৬ (সদর) আসন গঠিত। এ আসনের মোট ভোটার তিন লাখ ৮৭ হাজার ৪৫৮ জন। ১৪১টি কেন্দ্রে তারা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিকালে ভোট প্রদান শেষে ভোটাররা বলেন, ইভিএমে ভোট প্রদান করা সহজ। আগের মতো আর ভোটার নম্বর খোঁজা, টুকরো কাগজে নম্বর টোকানোর কোনো বিষয় থাকেনি। ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে বুথে যাওয়ার পর ফিঙ্গার ছাপ দিয়ে ইভিএমে ভোট দেওয়া গেছে। ইভিএমে ভোট দিতে বগুড়া সদরের অনেক ভোটারই উৎসাহে ভোট প্রদান করেছেন। ৯০ বছরের বৃদ্ধ থেকে হালের তরুণরাও ইভিএমে ভোট দিয়েছেন উৎসাহে। বগুড়া নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টি ওয়ার্ড (একটি ওয়ার্ড বগুড়া-৭ আসনের শাজাহানপুর উপজেলার আওতাভুক্ত) এবং সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বগুড়া-৬ (সদর) আসন। এই আসনে বর্তমানে ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৮ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯০ জন। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪১টি কেন্দ্রের ৯৬৫টি কক্ষে তারা ইভিএমে ভোট প্রদান করেন। বগুড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে তরুণরা ইভিএম দেখতে ও ভোট দিতে কেন্দ্রে হাজির হন। অনেকেই ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়ার জন্য ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও ইভিএমের কারণে ভোট প্রদান করেন অনেকেই। ইভিএম না থাকলে ভোটার সংখ্যা আরও কমে যেত।


আপনার মন্তব্য