শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:৪২

অসুস্থ রিজভীর সুস্থতা কামনা তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

অসুস্থ রিজভীর সুস্থতা কামনা তথ্যমন্ত্রীর

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। গতকাল দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক স্মরণসভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে রিজভীর সুস্থতা কামনা করেন হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রিজভী আহমেদ অসুস্থ। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’ জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীর মৃত্যুতে স্মরণসভাটির আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও জনতার প্রত্যাশা নামের দুটি সংগঠন। স্মরণসভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। জনতার প্রত্যাশা সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার পরিচালনায় সভায় আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আকরাম হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব একবার বলছেন, সরকার নাকি একদলীয় আচরণ করছে। আবার বলছেন, দেশে সরকার আছে কিনা তা বোঝা যাচ্ছে না, তার এমন স্ববিরোধী অসংলগ্ন বক্তব্যের কারণ খোঁজা প্রয়োজন। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।

করোনাকালেও দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির ফলে এ বছর বিশ্বের হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি ধনাত্মক জিডিপি প্রবৃদ্ধির দেশের অন্যতম হওয়ায় দেশ ও বিশ্ববাসী আমাদের প্রশংসা করছে। কিন্তু দেশের এই অগ্রযাত্রার সময় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রও শুরু হয়েছে।’

ড. হাছান তার বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দ্রুত সুস্থতা এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যেন সুস্থ থাকেন, সেজন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে বিএনপিকে তাদের মহাসচিবের অসংলগ্ন বক্তব্যের কারণ বের করার অনুরোধ জানান।

জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, নির্মোহ সদালাপী এ মানুষটি জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। ২০০১ সালে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে যখন আওয়ামী লীগের হাজারও নেতা-কর্মী নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল, তখন শওকত আলী অত্যন্ত সোচ্চার ছিলেন। নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের কাছে অনুকরণীয় এ ব্যক্তিত্বের মৃত্যু শুধু দলের নয়, সমগ্র দেশের রাজনীতির জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর