শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ মে, ২০২১ ২২:৫২

কঠোর মনিটরিং জরুরি

অ্যাডভোকেট সালমা আলী

কঠোর মনিটরিং জরুরি
Google News

অনলাইনে নারীদের হয়রানির খবর পাওয়ামাত্রই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে কঠোর মনিটরিং মেকানিজম থাকতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অনলাইনে হয়রানির শিকার হলে একজন মেয়েকে এক্সেস টু জাস্টিসের জন্য জানতে হবে যে তাকে কোথায় যেতে হবে। আবার ভুক্তভোগী নারীকে এ জন্য সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলোতে নারীবান্ধব সাপোর্টও পেতে হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভুক্তভোগীরা এসব ক্ষেত্রে কোথায় সাহায্য পাবেন সে বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য জানেন না। আবার এসব ক্ষেত্রে একজন নারী যে পুলিশ স্টেশনে সাহায্য নিতে যাবেন সেই পুলিশ সদস্যরাও এ বিষয়ে খুব একটা সচেতন নন। তারা বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দিতে চান না। এ জন্য এ বিষয়ে পুলিশ বাহিনীকে সচেতন করতে হবে। আর অনলাইনে এ বিষয়ে কোনো নারীর অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এমনকি এ বিষয়ে আইনজীবী ও বিচারকদের আরও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সালমা আলী বলেন, পুরুষদের মাইন্ড সেট এমন যে নারীরা কোনো কিছু করলেই সেখানে নেতিবাচক মন্তব্য করতে হবে। দুঃখজনক যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে প্রটেকশন তা আমাদের দেশে এখনো হয়নি। সেটি কেবল নামে মাত্র আছে। অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়ে একটি মেয়ে কোথায় যাবে, কার কাছে অভিযোগ জানাবে সেটিই জানে না। একদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষ এখন নিজের মনের ভাব যেমন সহজেই প্রকাশ করতে পারছে, আবার নিজের একান্ত বিষয়গুলো ফেসবুকে ঢালাওভাবে দিয়ে অনেক ব্যবহারকারী তার প্রাইভেসি নষ্ট করছে। একজন মানুষ তার ব্যক্তিগত বিষয়গুলো কতটুকু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেবেন সেটি তাকে ঠিক করতে হবে। এই আইনজীবী বলেন, আবার একজন নারী ফেসবুকে হেনস্থার শিকার হয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে অভিযোগ করলেই যে তার সুরাহা হবে এমন নয়। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে ভুক্তভোগীকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মেনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটি তুলনামূলক কম হচ্ছে। দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে একজন নারী যে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, এজন্য কারও কাছে অভিযোগ করে যে প্রতিকার পাবেন তেমন নারীবান্ধব পরিবেশও আমাদের নেই।

এই বিভাগের আরও খবর