শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ আগস্ট, ২০২১ ২৩:৩৪

আব্বাস পাপুল ও ইফতেখারের দুর্নীতি অনুসন্ধান করবে দুদক

বিশেষ প্রতিনিধি

Google News

দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক পূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি মো. শহীদ ইসলাম পাপুল ও কারা অধিদফতরের সাবেক আইজি প্রিজন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। বিভিন্ন অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের পর এই অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

গতকাল দুপুরে কমিশন সভা শেষে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। তিনি জানান, সাবেক  পূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে খিলগাঁও মৌজায় রেলওয়ের দশমিক ৩১২৫ একর জমি অবৈধভাবে নিজ নামে অবমুক্ত ও নামজারির অভিযোগ আছে। এ ছাড়া একই মৌজাভুক্ত ভিন্ন দাগ খতিয়ানে আরও ১৫০ কাঠা জমি দুর্নীতির মাধ্যমে কেনার অভিযোগ আছে। খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকার পার্কের জায়গায় প্লট তৈরি করে নামে-বেনামে বরাদ্দ নিয়ে ২০০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি এবং গুলশান-বনানীতে ৫০-৬০ কাঠা জমি আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি মো. শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধেও স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে মোটা অঙ্কের টাকার মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবৈধ সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে এটি যুক্ত হবে। ইতিপূর্বে পাপুলের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পাপুল ও অন্যদের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান আছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনসহ কারা অধিদফতরের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎপূর্বক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। তার বিরুদ্ধে অধীনস্থ ও আশীর্বাদপুষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে যোগসাজশে নিয়োগ, টেন্ডার ও মাদক বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে। সিদ্ধান্তের পরপরই দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামানকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দুদক।